ঢাকা , বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যমজ কন্যা সন্তান হওয়ায় তালাক, থানায় ফের বিয়ে কিছু দেশের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে কিন্তু ইরানের থাকবে না, এটা হতে পারে না: শেহবাজ ইরান রাষ্ট্র হিসেবে এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলে বড় ধরনের অর্থনৈতিক সুযোগ পাবে: রুবিও বিপৎসীমার ওপরে তিস্তার পানি, খুলে দেওয়া হয়েছে সব জলকপাট মসজিদে ঝুলন্ত অবস্থায় ইমামের মরদেহ উদ্ধার, রুমে মিলল চিরকুট হরমুজে ব*ন্দি ১১ হাজার নাবিক, উ’দ্ধা’রে’র অভিযানে জাতিসংঘ সবাই তোমাকে ঘৃণা করে, ইহুদিরা তোমার ওপর বিরক্ত: নেতানিয়াহুকে ট্রাম্প ‘যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়াই ইরানে সঙ্গে যুদ্ধ করবে ইসরায়েল’ উত্তর কোরিয়ার নৌবাহিনীকে পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত করার ঘোষণা কিম জং উনের শ্রীলঙ্কায় ডেঙ্গু মোকাবিলায় মাঠে নামছে সেনাবাহিনী

কয়েক দিনের মধ্যেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে অস্ট্রেলিয়া

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫
  • ২৯৩ বার পড়া হয়েছে

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এমনকি আজই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়া সরকার। সোমবার (১১ আগস্ট) বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড। গাজায় মানবিক সংকট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার পরিককল্পনাকে নেতানিয়াহু ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করার কয়েক ঘণ্টা পরই আলবানিজ সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানা গেল।

অস্ট্রেলিয়ার ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি আগামী মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের আগে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু সোমবার সকালে ক্যানবেরায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে।

সোমবার সকালে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এবং দ্য এজ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির এ সিদ্ধান্তের কথা প্রথম জানিয়েছে। পরে সূত্রের বরাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য সংবাদমাধ্যমও এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডার পর ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার কথা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগেই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

তিনি বলেন, এটি একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত। এ জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন নেই। অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, স্বীকৃতির সঙ্গে কিছু শর্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামাসকে গাজার নিয়ন্ত্রণ ত্যাগ করা এবং ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের সংস্কার।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যমজ কন্যা সন্তান হওয়ায় তালাক, থানায় ফের বিয়ে

কয়েক দিনের মধ্যেই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেবে অস্ট্রেলিয়া

আপডেট সময় ১০:২২:১৭ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ অগাস্ট ২০২৫

আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই এমনকি আজই ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার জন্য প্রস্তুত অস্ট্রেলিয়া সরকার। সোমবার (১১ আগস্ট) বিষয়টির সঙ্গে পরিচিত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ব্যক্তিদের উদ্ধৃতি দিয়ে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড। গাজায় মানবিক সংকট নিয়ে অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার পরিককল্পনাকে নেতানিয়াহু ‘লজ্জাজনক’ বলে অভিহিত করার কয়েক ঘণ্টা পরই আলবানিজ সরকারের এমন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের কথা জানা গেল।

অস্ট্রেলিয়ার ক্ষমতাসীন লেবার পার্টি আগামী মাসে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনের আগে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু সোমবার সকালে ক্যানবেরায় মন্ত্রিসভার বৈঠকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে।

সোমবার সকালে সিডনি মর্নিং হেরাল্ড এবং দ্য এজ ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতির এ সিদ্ধান্তের কথা প্রথম জানিয়েছে। পরে সূত্রের বরাত দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার অন্যান্য সংবাদমাধ্যমও এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। গত বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিজ বলেছেন, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য ও কানাডার পর ফিলিস্তিনকে স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়ার কথা সক্রিয়ভাবে বিবেচনা করছে অস্ট্রেলিয়া। আগামী মাসে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের আগেই এ বিষয়ে ঘোষণা আসতে পারে।

তিনি বলেন, এটি একটি সার্বভৌম সিদ্ধান্ত। এ জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অনুমোদনের কোনো প্রয়োজন নেই। অস্ট্রেলিয়া সরকার জানিয়েছে, স্বীকৃতির সঙ্গে কিছু শর্ত থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ইসরাইলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, হামাসকে গাজার নিয়ন্ত্রণ ত্যাগ করা এবং ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের সংস্কার।