ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রজনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানির সময় ফোনালাপটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান এবং অগ্নিসংযোগের পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

ফোনালাপে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে আবার জড়ো হচ্ছে এবং শুধু আগুন দিয়ে পোড়াবে সব। জবাবে হাছান মাহমুদ সম্মতি জানান। শেখ হাসিনা এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় লোক ঠিক করো, সব নেতাকর্মীদের এভাবে ব্যবস্থা করো। প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, খবর দাও, প্রত্যেক এলাকায় যার যার প্রটেকশন দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ ওই নির্দেশনা ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের কথাও বলেন। ফোনালাপে তিনি বলেন, সেতু ভবনে আবার আগুন লাগানো হচ্ছে। এরপর তিনি র‌্যাব পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন এবং যেসব এলাকায় জমায়েত রয়েছে, সেখানে র‌্যাব মোতায়েনের নির্দেশনার কথা জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে শেখ হাসিনা পালটা অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ওদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কী কী আছে, খুঁজে বের করো। ফোনালাপের শেষ দিকে শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যায়, আজ তাদের একটাই কাজ, সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দেবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রজনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানির সময় ফোনালাপটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান এবং অগ্নিসংযোগের পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

ফোনালাপে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে আবার জড়ো হচ্ছে এবং শুধু আগুন দিয়ে পোড়াবে সব। জবাবে হাছান মাহমুদ সম্মতি জানান। শেখ হাসিনা এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় লোক ঠিক করো, সব নেতাকর্মীদের এভাবে ব্যবস্থা করো। প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, খবর দাও, প্রত্যেক এলাকায় যার যার প্রটেকশন দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ ওই নির্দেশনা ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের কথাও বলেন। ফোনালাপে তিনি বলেন, সেতু ভবনে আবার আগুন লাগানো হচ্ছে। এরপর তিনি র‌্যাব পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন এবং যেসব এলাকায় জমায়েত রয়েছে, সেখানে র‌্যাব মোতায়েনের নির্দেশনার কথা জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে শেখ হাসিনা পালটা অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ওদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কী কী আছে, খুঁজে বের করো। ফোনালাপের শেষ দিকে শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যায়, আজ তাদের একটাই কাজ, সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দেবে।