ঢাকা , রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও ক্রীড়াঙ্গনকে রাজনীতিমুক্ত করার আহ্বান স্পিকারের যুবদল নেতা নয়নের ‘দাড়িওয়ালাদের আস্তানা’ স্লোগানের প্রতিবাদ জামায়াতের পাকিস্তানের ‘স্বৈরাচারীদের’ রুখে দেওয়ার আহ্বান ইমরান খানের ছেলের বাবার কষ্টের দিন শেষ করার স্বপ্ন, নিয়োগের আগেই থামল সোহানের পথ কেউ চাঁদা চাইলে থানায় সোপর্দ করবেন: ধর্মমন্ত্রী এবার মোহাম্মদপুরে জমি দখলের চেষ্টা, অফিসে হামলা-ভাঙচুর নিরাপত্তা জোরদারে সামরিক সরঞ্জাম নিরাপদ স্থানে সরাল ইরান একতরফা সামরিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে চীন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জোরালো আহ্বান বর্তমান সরকার যুবকদের লুটতরাজের জন্য দলীয় ক্যাডার বানাচ্ছে: সাবেক শিবির সভাপতি

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৫৯ বার পড়া হয়েছে

গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র–জনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ–সংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানির সময় ফোনালাপটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান এবং অগ্নিসংযোগের পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

ফোনালাপে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে আবার জড়ো হচ্ছে এবং শুধু আগুন দিয়ে পোড়াবে সব। জবাবে হাছান মাহমুদ সম্মতি জানান। শেখ হাসিনা এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় লোক ঠিক করো, সব নেতাকর্মীদের এভাবে ব্যবস্থা করো। প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, খবর দাও, প্রত্যেক এলাকায় যার যার প্রটেকশন দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ ওই নির্দেশনা ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের কথাও বলেন। ফোনালাপে তিনি বলেন, সেতু ভবনে আবার আগুন লাগানো হচ্ছে। এরপর তিনি র‌্যাব পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন এবং যেসব এলাকায় জমায়েত রয়েছে, সেখানে র‌্যাব মোতায়েনের নির্দেশনার কথা জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে শেখ হাসিনা পালটা অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ওদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কী কী আছে, খুঁজে বের করো। ফোনালাপের শেষ দিকে শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যায়, আজ তাদের একটাই কাজ, সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দেবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ঘরজামাই দত্তক নিচ্ছে জাপানের ধনী পরিবারগুলো, আবেদন করতে পারবে বাংলাদেশিরাও

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্র–জনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এ–সংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানির সময় ফোনালাপটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান এবং অগ্নিসংযোগের পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

ফোনালাপে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে আবার জড়ো হচ্ছে এবং শুধু আগুন দিয়ে পোড়াবে সব। জবাবে হাছান মাহমুদ সম্মতি জানান। শেখ হাসিনা এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় লোক ঠিক করো, সব নেতাকর্মীদের এভাবে ব্যবস্থা করো। প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, খবর দাও, প্রত্যেক এলাকায় যার যার প্রটেকশন দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ ওই নির্দেশনা ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের কথাও বলেন। ফোনালাপে তিনি বলেন, সেতু ভবনে আবার আগুন লাগানো হচ্ছে। এরপর তিনি র‌্যাব পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন এবং যেসব এলাকায় জমায়েত রয়েছে, সেখানে র‌্যাব মোতায়েনের নির্দেশনার কথা জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে শেখ হাসিনা পালটা অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ওদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কী কী আছে, খুঁজে বের করো। ফোনালাপের শেষ দিকে শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যায়, আজ তাদের একটাই কাজ, সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দেবে।