ঢাকা , মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬, ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
কিউবার পরিণতি ইরানের মতো হতে পারে— মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা সড়ক দুর্ঘটনায় এ আর রহমানের ছেলে আমিন আহত, হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে ভয়াবহ বর্ণনা দিলেন মেঘলা মুক্তা ভারতের ‘র’ প্রধানের ঢাকা সফর নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ, জল্পনার কিছু নেই: তথ্য উপদেষ্টা সাড়ে ৫ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল, দুই বছরেও শুরু হয়নি চিকিৎসাসেবা সপ্তাহে একদিন বিনামূল্যে জুলাই জাদুঘর পরিদর্শন করবে শিক্ষার্থীরা ইউক্রেনে ৫ লাখ সৈন্য পাঠানোর প্রস্তুতি রাশিয়ার, চালাতে পারে পারমাণবিক হামলা প্রায় ৩ বছর বন্ধ থাকার পর ফিরছে ফিলিস্তিনি ক্লাব ফুটবল অবৈধ যুদ্ধে জড়িয়ে বের হওয়ার পথ হারিয়েছেন ট্রাম্প: : মার্কিন সিনেটর শিক্ষকদের কক্ষে রেখে তালা ঝুলিয়ে দিলো ফেল করা শিক্ষার্থীরা

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৯ বার পড়া হয়েছে

গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রজনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানির সময় ফোনালাপটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান এবং অগ্নিসংযোগের পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

ফোনালাপে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে আবার জড়ো হচ্ছে এবং শুধু আগুন দিয়ে পোড়াবে সব। জবাবে হাছান মাহমুদ সম্মতি জানান। শেখ হাসিনা এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় লোক ঠিক করো, সব নেতাকর্মীদের এভাবে ব্যবস্থা করো। প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, খবর দাও, প্রত্যেক এলাকায় যার যার প্রটেকশন দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ ওই নির্দেশনা ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের কথাও বলেন। ফোনালাপে তিনি বলেন, সেতু ভবনে আবার আগুন লাগানো হচ্ছে। এরপর তিনি র‌্যাব পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন এবং যেসব এলাকায় জমায়েত রয়েছে, সেখানে র‌্যাব মোতায়েনের নির্দেশনার কথা জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে শেখ হাসিনা পালটা অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ওদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কী কী আছে, খুঁজে বের করো। ফোনালাপের শেষ দিকে শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যায়, আজ তাদের একটাই কাজ, সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দেবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কিউবার পরিণতি ইরানের মতো হতে পারে— মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সতর্কবার্তা

প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, সব জায়গায় আগুন দেবে: শেখ হাসিনা

আপডেট সময় ১২:০৪:২৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ অগাস্ট ২০২৬

গত ২০২৪ সালের জুলাইয়ে ছাত্রজনতার আন্দোলন দমনে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী ও সংসদ সদস্যদের মাঠে সক্রিয় থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে দাবি করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। এসংক্রান্ত একটি ফোনালাপের রেকর্ড সোমবার (১০ আগস্ট) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে উপস্থাপন করেছে প্রসিকিউশন। ওবায়দুল কাদেরসহ আট আসামির বিরুদ্ধে যুক্তিতর্ক শুনানির সময় ফোনালাপটি ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়। প্রসিকিউশনের দাবি, ওই কথোপকথনে আন্দোলনকারীদের দমন, দলীয় নেতাকর্মীদের বিভিন্ন এলাকায় অবস্থান এবং অগ্নিসংযোগের পালটা ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনার কথা উঠে এসেছে।

ফোনালাপে তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদকে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলতে শোনা যায়। একপর্যায়ে শেখ হাসিনা বলেন, আন্দোলনকারীরা বিভিন্ন স্থানে আবার জড়ো হচ্ছে এবং শুধু আগুন দিয়ে পোড়াবে সব। জবাবে হাছান মাহমুদ সম্মতি জানান। শেখ হাসিনা এরপর দলীয় নেতাকর্মীদের এলাকায় অবস্থান নেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, বিভিন্ন এলাকায় লোক ঠিক করো, সব নেতাকর্মীদের এভাবে ব্যবস্থা করো। প্রত্যেক এমপিকে ডাকো, খবর দাও, প্রত্যেক এলাকায় যার যার প্রটেকশন দিতে হবে।

হাছান মাহমুদ ওই নির্দেশনা ওবায়দুল কাদেরকে জানিয়ে দেওয়ার কথা বলেন। পরে শেখ হাসিনা বিভিন্ন স্থানে অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তুলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েনের কথাও বলেন। ফোনালাপে তিনি বলেন, সেতু ভবনে আবার আগুন লাগানো হচ্ছে। এরপর তিনি র‌্যাব পাঠানোর কথা উল্লেখ করেন এবং যেসব এলাকায় জমায়েত রয়েছে, সেখানে র‌্যাব মোতায়েনের নির্দেশনার কথা জানান।

আলোচনার একপর্যায়ে শেখ হাসিনা পালটা অগ্নিসংযোগের প্রসঙ্গ তোলেন। তিনি বলেন, আন্দোলনকারীদের বাড়িঘর ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে এবং সেগুলো চিহ্নিত করার কথা বলেন। এ সময় তিনি বলেন, ওদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান কী কী আছে, খুঁজে বের করো। ফোনালাপের শেষ দিকে শেখ হাসিনার কণ্ঠে শোনা যায়, আজ তাদের একটাই কাজ, সব জায়গায় বসে থাকবে আর খালি আগুন দেবে।