ঢাকা , মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফিফায় ইনফান্তিনোর সময় শেষ হয়ে গেছে: স্প্যানিশ লা লিগা সভাপতি নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ রাহুলকে কোথায় নেওয়া হয়েছে জানাচ্ছে না দিল্লি পুলিশ: কংগ্রেস রক্তে ইনফেকশন, প্লাটিলেট ৩৪ হাজার—গুরুতর অসুস্থ নয়ন দোয়া চাইলেন ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন এমপি নজরুলের ড্রাইভার বাবা-ভাইসহ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে মামলা শিক্ষক ছাড়াও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা ইরানের সঙ্গে সর্বাত্মক যুদ্ধের পথে ট্রাম্প আটকের পর কোথায় নেওয়া হলো রাহুল গান্ধীকে স্ত্রীর তথ্যে স্বামীর বাড়িতে পুলিশের অভিযান, অস্ত্র উদ্ধার

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ২৬৫ বার পড়া হয়েছে

এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মিয়া শেহবাজ শরীফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রী ভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সাক্ষাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ধর্ম উপদেষ্টা ও তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। এই সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় ও প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে শেহবাজ শরীফ নিউইয়র্ক ও কায়রোতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি ড. ইউনূসের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তার অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধান উপদেষ্টার আন্তরিক আগ্রহেরও প্রশংসা জানান। এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে লেখা একটি পত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

পত্রে প্রধান উপদেষ্টা পাকিস্তানে নজিরবিহীন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, পাকিস্তানের জনগণ তাদের ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে এ সংকট কাটিয়ে উঠবে। প্রয়োজনে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে বাংলাদেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল দ্রুত পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে কৃষি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ধর্মতত্ত্ব ও চিকিৎসা খাতে শিক্ষার্থী বিনিময়ে বৃত্তি প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার অনার্স থেকে পিএইচডি পর্যন্ত কোর্সে অধ্যয়নের জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০টি বৃত্তি অনুমোদন করেছে।

সাক্ষাতে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ, ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রী সরদার ইউসুফ খান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতা তারার, ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান, উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ এবং শরীফ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রভাষক মুফতি জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফিফায় ইনফান্তিনোর সময় শেষ হয়ে গেছে: স্প্যানিশ লা লিগা সভাপতি

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ধর্ম উপদেষ্টার সাক্ষাৎ

আপডেট সময় ০৩:১১:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মিয়া শেহবাজ শরীফের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের ধর্ম উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন। বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ইসলামাবাদের প্রধানমন্ত্রী ভবনে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এদিকে সাক্ষাতে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ধর্ম উপদেষ্টা ও তার নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ। এই সম্পর্ক আগামী দিনে আরও দৃঢ় ও প্রসারিত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বৈঠকে শেহবাজ শরীফ নিউইয়র্ক ও কায়রোতে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে অনুষ্ঠিত আলোচনার প্রসঙ্গ টেনে আনেন। তিনি ড. ইউনূসের দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং দারিদ্র্য বিমোচনে তার অবদানের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নে প্রধান উপদেষ্টার আন্তরিক আগ্রহেরও প্রশংসা জানান। এ সময় ধর্ম উপদেষ্টা ড. খালিদ হোসেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসের পক্ষ থেকে লেখা একটি পত্র পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

পত্রে প্রধান উপদেষ্টা পাকিস্তানে নজিরবিহীন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের প্রতি গভীর সহানুভূতি প্রকাশ করেন এবং নিহতদের পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান। তিনি উল্লেখ করেন, এই দুঃসময়ে বাংলাদেশের জনগণ পাকিস্তানের ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণের পাশে রয়েছে। তিনি দৃঢ় বিশ্বাস প্রকাশ করেন যে, পাকিস্তানের জনগণ তাদের ধৈর্য ও সহনশীলতার মাধ্যমে এ সংকট কাটিয়ে উঠবে। প্রয়োজনে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে বাংলাদেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা দিতে প্রস্তুত বলেও জানান তিনি।

বৈঠকে ঢাকা ও করাচির মধ্যে সরাসরি বিমান চলাচল দ্রুত পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। একই সঙ্গে কৃষি, বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, ধর্মতত্ত্ব ও চিকিৎসা খাতে শিক্ষার্থী বিনিময়ে বৃত্তি প্রদানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইতোমধ্যেই পাকিস্তানের ফেডারেল সরকার অনার্স থেকে পিএইচডি পর্যন্ত কোর্সে অধ্যয়নের জন্য বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ৫০০টি বৃত্তি অনুমোদন করেছে।

সাক্ষাতে পাকিস্তানের উপপ্রধানমন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দার, প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ, ধর্ম বিষয়ক ও আন্তঃধর্মীয় সম্প্রীতি মন্ত্রী সরদার ইউসুফ খান, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আতা তারার, ইসলামাবাদে বাংলাদেশের হাইকমিশনার মো. ইকবাল হোসেন খান, উপদেষ্টার একান্ত সচিব ছাদেক আহমদ এবং শরীফ ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের প্রভাষক মুফতি জাহিদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।