ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

নববধূর স্বামীর কাছে মাদক পাঠিয়ে পুলিশকে খবর দিলো সাবেক প্রেমিক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬
  • ৭১ বার পড়া হয়েছে

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় এক নববিবাহিত যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে তার স্ত্রীর সাবেক প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তি নিজেই মাদকের পার্সেল পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। পরে অন্যদের মাধ্যমে পুলিশকে খবর দিয়ে ওই যুবককে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করানোর পরিকল্পনা করেন।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি মাসের শুরুতে। পুলিশ খবর পায়, গান্দেরবালে একটি মাদকের চালান পাঠানো হচ্ছে। পরে ৮ আগস্ট স্থানীয় ডাকঘর থেকে পার্সেলটি আটক করে পুলিশ। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পার্সেল খুলে পাওয়া যায় চার কেজি কোকেন, ৮০ গ্রাম গাঁজা ও কিছু সাইকোট্রপিক মাদক। পার্সেলটি উত্তর প্রদেশের কানপুর থেকে পাঠানো হয়েছিল।

পার্সেলটি যার ঠিকানায় পাঠানো হয়, তিনি কয়েক মাস আগে বিয়ে করা একজন পোলট্রি খামারি। পুলিশকে তিনি জানান, পোলট্রির খাবারের নমুনা পাওয়ার কথা বলে হোয়াটসঅ্যাপে একজন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ কারণে তিনি নিজের ফোন নম্বর ও ঠিকানা দিয়েছিলেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, এর আগে সৌদি আরবের একটি নম্বর থেকে ওই যুবককে বিয়ে না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। পরে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শ্রীনগরের জাইনাকোট এলাকার তারিক আহমেদ সোফির নাম পায় পুলিশ।

পুলিশের দাবি, সোফি ছিলেন ওই নারীর সাবেক প্রেমিক। তাকে ৯ আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, কানপুরের আরিব নামে এক বন্ধুর মাধ্যমে মাদকের পার্সেলটি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।

পুলিশ বলছে, সোফি সরাসরি পুলিশকে খবর না দিয়ে অন্য কয়েকজনের মাধ্যমে পার্সেলটির বিষয়ে তথ্য দেন, যাতে ওই যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানো যায়।

তবে কানপুরের বাসিন্দা আরিব বর্তমানে সৌদি আরবে রয়েছেন। তিনি পুরো ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানতেন কি না এবং মাদক সংগ্রহ ও পার্সেল পাঠানোর সঙ্গে তার ভূমিকা কতটা ছিল, তা তদন্ত করছে পুলিশ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

নববধূর স্বামীর কাছে মাদক পাঠিয়ে পুলিশকে খবর দিলো সাবেক প্রেমিক

আপডেট সময় ০৩:২৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ অগাস্ট ২০২৬

ভারতের জম্মু-কাশ্মীরের গান্দেরবাল জেলায় এক নববিবাহিত যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে তার স্ত্রীর সাবেক প্রেমিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

পুলিশের দাবি, ওই ব্যক্তি নিজেই মাদকের পার্সেল পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। পরে অন্যদের মাধ্যমে পুলিশকে খবর দিয়ে ওই যুবককে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার করানোর পরিকল্পনা করেন।

ঘটনার সূত্রপাত চলতি মাসের শুরুতে। পুলিশ খবর পায়, গান্দেরবালে একটি মাদকের চালান পাঠানো হচ্ছে। পরে ৮ আগস্ট স্থানীয় ডাকঘর থেকে পার্সেলটি আটক করে পুলিশ। ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে পার্সেল খুলে পাওয়া যায় চার কেজি কোকেন, ৮০ গ্রাম গাঁজা ও কিছু সাইকোট্রপিক মাদক। পার্সেলটি উত্তর প্রদেশের কানপুর থেকে পাঠানো হয়েছিল।

পার্সেলটি যার ঠিকানায় পাঠানো হয়, তিনি কয়েক মাস আগে বিয়ে করা একজন পোলট্রি খামারি। পুলিশকে তিনি জানান, পোলট্রির খাবারের নমুনা পাওয়ার কথা বলে হোয়াটসঅ্যাপে একজন তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। এ কারণে তিনি নিজের ফোন নম্বর ও ঠিকানা দিয়েছিলেন।

তদন্তে আরও জানা যায়, এর আগে সৌদি আরবের একটি নম্বর থেকে ওই যুবককে বিয়ে না করার জন্য সতর্ক করা হয়েছিল। পরে তার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে শ্রীনগরের জাইনাকোট এলাকার তারিক আহমেদ সোফির নাম পায় পুলিশ।

পুলিশের দাবি, সোফি ছিলেন ওই নারীর সাবেক প্রেমিক। তাকে ৯ আগস্ট গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানিয়েছেন, কানপুরের আরিব নামে এক বন্ধুর মাধ্যমে মাদকের পার্সেলটি পাঠানোর ব্যবস্থা করেছিলেন।

পুলিশ বলছে, সোফি সরাসরি পুলিশকে খবর না দিয়ে অন্য কয়েকজনের মাধ্যমে পার্সেলটির বিষয়ে তথ্য দেন, যাতে ওই যুবককে মাদক মামলায় ফাঁসানো যায়।

তবে কানপুরের বাসিন্দা আরিব বর্তমানে সৌদি আরবে রয়েছেন। তিনি পুরো ষড়যন্ত্র সম্পর্কে জানতেন কি না এবং মাদক সংগ্রহ ও পার্সেল পাঠানোর সঙ্গে তার ভূমিকা কতটা ছিল, তা তদন্ত করছে পুলিশ।