ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

ইসরায়েলের দেওয়া ভুয়া খবরেই ইরানের ভয়ে খাবারের ট্রাকে করে পালান ট্রাম্প

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯৬ বার পড়া হয়েছে

এবার ইসরায়েল থেকে আসা এক ভুয়া ইরানি হুমকির সতর্কতার পর তুরস্ক ছাড়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে তার বিমান পরিবর্তন করেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ওয়াশিংটন পোস্ট, এনপিআর ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করছেন, এই সতর্কতাটি ট্রাম্পকে হুমকি সম্পর্কে জানানোর চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতি ও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। গত মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্পের এয়ার ফোর্স ওয়ানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি রয়েছে বলে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসকে সতর্ক করে ইসরায়েল।

সতর্কতা পাওয়ার পর অত্যন্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সিআইএ নিশ্চিত না হওয়া সত্ত্বেও সিক্রেট সার্ভিস ট্রাম্পকে একটি খাবারের ট্রাকে করে গোপনে নিজেদের ছোট সামরিক বিমানে সরিয়ে নেয়।  ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এই ডিকয় বা বিকল্প বিমানের ব্যবহারের খবর প্রকাশ করে, যেখানে ট্রাম্প জানান, তিনি সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশনা অনুসরণ করেছেন।

ইসরায়েলের দেওয়া এই তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সিআইএ ও মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে সংশয় ছিল, কারণ এটি একক উৎস থেকে আসা তথ্য ছিল যার পক্ষে অন্য কোনো প্রমাণ ছিল না।  তুরস্কের নিরাপত্তা সংস্থাও বিষয়টি তদন্ত করে আঙ্কারায় ট্রাম্পকে হত্যার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রমাণ পায়নি। ফলে যাচাই না করা হুমকির ওপর ভিত্তি করে বিমান পরিবর্তনের এই পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসরায়েলি প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠেছে।

ট্রাম্পকে গোপনে ছোট বিমানে সরিয়ে নেওয়া হলেও পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই থেকে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। এই বিমান পরিবর্তনের বিষয়টি রুবিও জানলেও তিনি কেন বিমানে রয়ে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি। একাধিক হত্যা চেষ্টার মুখোমুখি হওয়া ট্রাম্পের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতেই সিক্রেট সার্ভিস এই ব্যবস্থা নেয়। তুরস্ক সফরকালে ট্রাম্প কাতার থেকে উপহার পাওয়া নতুন বিমানে করে আঙ্কারায় এসেছিলেন। পরে মার্কিন সেনা ও সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করতে নতুন বিমানটিকে আগে পাঠানোর কথা বলা হলেও ক্যাটারিং ট্রলির (খাবারের ট্রাক) সাহায্যে ট্রাম্পকে গোপনে ছোট সামরিক বিমানে তুলে দেওয়া হয়। সাংবাদিক ও অন্য কর্মকর্তারা পুরোনো বিমানে প্রেসিডেন্ট আছেন ভেবেই ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সূত্র: এনডিটিভি

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

ইসরায়েলের দেওয়া ভুয়া খবরেই ইরানের ভয়ে খাবারের ট্রাকে করে পালান ট্রাম্প

আপডেট সময় ০১:৩৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

এবার ইসরায়েল থেকে আসা এক ভুয়া ইরানি হুমকির সতর্কতার পর তুরস্ক ছাড়ার সময় ডোনাল্ড ট্রাম্প গোপনে তার বিমান পরিবর্তন করেন। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ওয়াশিংটন পোস্ট, এনপিআর ও অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের বরাত দিয়ে এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে।  মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের একাংশ মনে করছেন, এই সতর্কতাটি ট্রাম্পকে হুমকি সম্পর্কে জানানোর চেয়ে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নীতি ও ট্রাম্পের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করার উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছিল। গত মাসে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলন শেষে ট্রাম্পের এয়ার ফোর্স ওয়ানে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঝুঁকি রয়েছে বলে মার্কিন সিক্রেট সার্ভিসকে সতর্ক করে ইসরায়েল।

সতর্কতা পাওয়ার পর অত্যন্ত সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে সিআইএ নিশ্চিত না হওয়া সত্ত্বেও সিক্রেট সার্ভিস ট্রাম্পকে একটি খাবারের ট্রাকে করে গোপনে নিজেদের ছোট সামরিক বিমানে সরিয়ে নেয়।  ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথম এই ডিকয় বা বিকল্প বিমানের ব্যবহারের খবর প্রকাশ করে, যেখানে ট্রাম্প জানান, তিনি সিক্রেট সার্ভিসের নির্দেশনা অনুসরণ করেছেন।

ইসরায়েলের দেওয়া এই তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে সিআইএ ও মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মধ্যে সংশয় ছিল, কারণ এটি একক উৎস থেকে আসা তথ্য ছিল যার পক্ষে অন্য কোনো প্রমাণ ছিল না।  তুরস্কের নিরাপত্তা সংস্থাও বিষয়টি তদন্ত করে আঙ্কারায় ট্রাম্পকে হত্যার কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রমাণ পায়নি। ফলে যাচাই না করা হুমকির ওপর ভিত্তি করে বিমান পরিবর্তনের এই পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন সিদ্ধান্ত গ্রহণে ইসরায়েলি প্রভাব সংক্রান্ত প্রশ্ন উঠেছে।

ট্রাম্পকে গোপনে ছোট বিমানে সরিয়ে নেওয়া হলেও পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানেই থেকে যান পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট। এই বিমান পরিবর্তনের বিষয়টি রুবিও জানলেও তিনি কেন বিমানে রয়ে গিয়েছিলেন তা জানা যায়নি। একাধিক হত্যা চেষ্টার মুখোমুখি হওয়া ট্রাম্পের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতেই সিক্রেট সার্ভিস এই ব্যবস্থা নেয়। তুরস্ক সফরকালে ট্রাম্প কাতার থেকে উপহার পাওয়া নতুন বিমানে করে আঙ্কারায় এসেছিলেন। পরে মার্কিন সেনা ও সাংবাদিকদের বিভ্রান্ত করতে নতুন বিমানটিকে আগে পাঠানোর কথা বলা হলেও ক্যাটারিং ট্রলির (খাবারের ট্রাক) সাহায্যে ট্রাম্পকে গোপনে ছোট সামরিক বিমানে তুলে দেওয়া হয়। সাংবাদিক ও অন্য কর্মকর্তারা পুরোনো বিমানে প্রেসিডেন্ট আছেন ভেবেই ওয়াশিংটনের উদ্দেশ্যে রওনা হন। সূত্র: এনডিটিভি