ঢাকা , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভারতের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপের কারণ জানালেন ট্রাম্প

ভারত থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার কারণে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ার অন্যতম বড় ক্রেতা ভারত, আর সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। ট্রাম্প স্বীকার করেন, এই পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে জটিল করে তুলেছে।

 

ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে থাকে। এর প্রতিবাদে প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে আগস্টের শেষ থেকে সেটি দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করা হয়। ট্রাম্প একে ‘বড় চুক্তি’ উল্লেখ করে জানান, এর ফলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হলেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, খুব শিগগিরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাধা নিরসনের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফরের সময় বিষয়টির অগ্রগতি হতে পারে।

ট্রাম্প সাক্ষাৎকারে আরও বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকলেও ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি হতাশ। তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে ব্যাংক ও তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপের কারণ জানালেন ট্রাম্প

আপডেট সময় ১১:২৪:৫৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫

ভারত থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার কারণে ভারতের ওপর ৫০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফক্স নিউজকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, রাশিয়ার অন্যতম বড় ক্রেতা ভারত, আর সেই কারণেই যুক্তরাষ্ট্র এ ধরনের কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে। ট্রাম্প স্বীকার করেন, এই পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্ককে জটিল করে তুলেছে।

 

ইউক্রেন যুদ্ধের পর রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা জারি হলেও ভারত রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কিনতে থাকে। এর প্রতিবাদে প্রথমে ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে আগস্টের শেষ থেকে সেটি দ্বিগুণ করে ৫০ শতাংশ করা হয়। ট্রাম্প একে ‘বড় চুক্তি’ উল্লেখ করে জানান, এর ফলে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দ্বন্দ্ব তৈরি হলেও আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা চলছে।

তিনি জানান, খুব শিগগিরই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন। একইসঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বাধা নিরসনের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। এদিকে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর আশা প্রকাশ করেছেন, আগামী সপ্তাহে ভারতের বাণিজ্যমন্ত্রীর ওয়াশিংটন সফরের সময় বিষয়টির অগ্রগতি হতে পারে।

ট্রাম্প সাক্ষাৎকারে আরও বলেন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক থাকলেও ইউক্রেন যুদ্ধ শেষ করতে ব্যর্থ হওয়ায় তিনি হতাশ। তিনি ইঙ্গিত দেন, প্রয়োজনে ব্যাংক ও তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে। তবে এ ক্ষেত্রে ইউরোপীয় দেশগুলোর অংশগ্রহণ অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেন তিনি।