ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::

ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফের তথ্য মিথ্যা: ব্যারিস্টার মামুন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬
  • ৯২ বার পড়া হয়েছে

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফ বা কর–সংক্রান্ত মামলা প্রত্যাহারের খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

মঙ্গলবার হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গ্রামীণ কল্যাণের কর–সংক্রান্ত মামলাটি এখনো হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। ফলে কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেওয়ার যে দাবি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।

ব্যারিস্টার মামুন বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তিভিত্তিক আয় থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নিয়ম অনুযায়ী ১৫ শতাংশ উৎস কর পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার তার আইনগত এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে একই আয়ের ওপর পুনরায় ৬৬৬ কোটি টাকা কর নির্ধারণ করেন। সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা দুটি রিট বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারার অধীনে পরিচালিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এগুলোর কোনো ব্যক্তিগত মালিকানা নেই।

সব মিলিয়ে, ড. ইউনূসের কর মওকুফ বা মামলা প্রত্যাহারের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলেই দাবি করেছেন তার আইনজীবী।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

এনআইডির জন্মতারিখ ও নাম সংশোধনে নতুন সিদ্ধান্ত

ড. ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফের তথ্য মিথ্যা: ব্যারিস্টার মামুন

আপডেট সময় ০৩:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ৬৬৬ কোটি টাকা কর মওকুফ বা কর–সংক্রান্ত মামলা প্রত্যাহারের খবরকে সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন তার আইনজীবী ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন।

মঙ্গলবার হাইকোর্টে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানান, গ্রামীণ কল্যাণের কর–সংক্রান্ত মামলাটি এখনো হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে। ফলে কর মওকুফ বা মামলা তুলে নেওয়ার যে দাবি বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই।

ব্যারিস্টার মামুন বলেন, ২০০৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত চুক্তিভিত্তিক আয় থেকে গ্রামীণ কল্যাণ নিয়ম অনুযায়ী ১৫ শতাংশ উৎস কর পরিশোধ করেছে। কিন্তু ২০১৭ সালে একজন জয়েন্ট কমিশনার তার আইনগত এখতিয়ারের বাইরে গিয়ে একই আয়ের ওপর পুনরায় ৬৬৬ কোটি টাকা কর নির্ধারণ করেন। সেই সিদ্ধান্তের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা দুটি রিট বর্তমানে হাইকোর্টে বিচারাধীন রয়েছে।

তিনি আরও জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারে দায়িত্ব নেওয়ার পর ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যানের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এছাড়া এসব প্রতিষ্ঠান কোম্পানি আইনের ২৮ ধারার অধীনে পরিচালিত অলাভজনক প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এগুলোর কোনো ব্যক্তিগত মালিকানা নেই।

সব মিলিয়ে, ড. ইউনূসের কর মওকুফ বা মামলা প্রত্যাহারের যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে, তা গুজব ও বিভ্রান্তিকর বলেই দাবি করেছেন তার আইনজীবী।