ঢাকা , শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ৩০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
চট্টগ্রামে জামায়াত নেতার মাদরাসায় মিলল ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ বন্ধ হয়ে গেল বড়পুকুরিয়া বিদ্যুৎকেন্দ্রের ১ নম্বর ইউনিটের উৎপাদন গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে সরকারকে ক্ষমতায় থাকতে দেব না: নাহিদ ইসলাম ইরানের পরমাণু ইস্যুর চেয়ে তেলের দাম কম রাখাই এখন ‘টপ প্রায়োরিটি’: ভ্যান্স স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছেলে ঠিকাদার নয়, ফাইন্যান্সসিয়াল কনসালট্যান্ট: রাশেদ খাঁন নির্বাচিত সরকার আসার পর থেকেই দেশে বাবা-মায়ের দোয়া কমিটি হচ্ছে: নাহিদ সরকারের ১৮০ দিনের পারফরম্যান্স আশাজাগানিয়া নয়: ইসলামী আন্দোলন ভারতের প্রতি নেতিবাচক মনোভাবে এগিয়ে পাকিস্তানিরা, পিছিয়ে নেই বাংলাদেশও আগামী সপ্তাহে ভারত যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গণভোটের পুরো রায়ই বাস্তবায়ন করতে হবে: গোলাম পরওয়ার

ইতালিতে নিহত একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশীর মরদেহ দেশে ফিরেছে

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

ইতালির রাজধানী রোমে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের তিন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মরদেহগুলো দেশে আনা হয়। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হবে।

নিহতরা হলেন—কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হন পরিবারের একমাত্র ছেলে অয়ন। স্বজনদের সঙ্গে তিনিও দেশে ফিরেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রোমের ক্যাসালোত্তি এলাকায় নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বৃহস্পতিবার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। শুক্রবার রাতে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের নিজ বাড়ির পাশে শিশু নিকেতন স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।

এর আগে গত ২৬ জুন রাতে রোমের ক্যাসালোত্তি এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছুরিকাঘাতে নিহত হন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী ও মেয়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলে অয়নকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছে ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ২৭ জুন তার ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

নিহতের স্বজনেরা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ইতালির পুলিশ।

নিহত বাবুলের বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছেলে দেশে এসে যে কবরস্থানে মাটি দিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেখানেই স্ত্রী ও সন্তানসহ তাকে দাফন করা হবে। নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রামে জামায়াত নেতার মাদরাসায় মিলল ১৩ বস্তা সরকারি ধানের বীজ

ইতালিতে নিহত একই পরিবারের ৩ বাংলাদেশীর মরদেহ দেশে ফিরেছে

আপডেট সময় ০৫:৫১:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

ইতালির রাজধানী রোমে নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার একই পরিবারের তিন বাংলাদেশির মরদেহ দেশে পৌঁছেছে। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) সকাল ৮টার দিকে মরদেহগুলো দেশে আনা হয়। পারিবারিক সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জানাজা শেষে তাদের দাফন করা হবে।

নিহতরা হলেন—কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী এবং পাঁচ বছরের মেয়ে আরোয়া ইসলাম আরিশা। একই ঘটনায় গুরুতর আহত হন পরিবারের একমাত্র ছেলে অয়ন। স্বজনদের সঙ্গে তিনিও দেশে ফিরেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত সোমবার রোমের ক্যাসালোত্তি এলাকায় নিহতদের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বৃহস্পতিবার মরদেহ বাংলাদেশে পাঠানো হয়। শুক্রবার রাতে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের নিজ বাড়ির পাশে শিশু নিকেতন স্কুল মাঠে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাদের দাফন করা হবে।

এর আগে গত ২৬ জুন রাতে রোমের ক্যাসালোত্তি এলাকার একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছুরিকাঘাতে নিহত হন কামাল উদ্দিন বাবুল, তার স্ত্রী ও মেয়ে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে। গুরুতর আহত অবস্থায় ছেলে অয়নকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব শাহাদাত হোসেনকে প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে উল্লেখ করেছে ইতালির আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। গত ২৭ জুন তার ছবি প্রকাশ করে তথ্য চাওয়া হয়। তবে হত্যাকাণ্ডের এক মাসেরও বেশি সময় পেরিয়ে গেলেও তাকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

নিহতের স্বজনেরা দ্রুত অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্‌ঘাটনে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে ইতালির পুলিশ।

নিহত বাবুলের বাবা সিরাজুল ইসলাম বলেন, ছেলে দেশে এসে যে কবরস্থানে মাটি দিয়েছিলেন, শেষ পর্যন্ত সেখানেই স্ত্রী ও সন্তানসহ তাকে দাফন করা হবে। নির্মম এই হত্যাকাণ্ডের বিচার চান তিনি।