ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু জামায়াত নেতাকে যুবলীগ কর্মীর ছুরিকাঘাত ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের মারামারি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মমতা নেপালকে বড় অর্থ সহায়তা দিলো বাংলাদেশ ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার র‌্যাব বিলুপ্তিতে একমত: নতুন বাহিনী নিয়ে সংসদে ‘বাহাস’ র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন

দেশে আল-কায়েদার খবরে ফেসবুকে প্যারোডি লিখলেন মনিরুল

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪৪৪ বার পড়া হয়েছে

‘বাংলাদেশে আল-কায়েদা ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা করছে’—এমন একটি খবরের ফটোকার্ড শেয়ার করে ফেসবুকে প্যারোডি পোস্ট করেছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) সাবেক প্রধান ও সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে মনিরুল ইসলাম লেখেন, ‘এখন তো নাই আমি, কী বলবি রে বোকা।’

সম্প্রতি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’-এর ৩৮তম প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠনের মাধ্যমে আল-কায়েদা তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হয়।

১০ আগস্ট প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠন ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস একটি বিভক্ত গোষ্ঠী থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও ছড়িয়ে থাকা সেলের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সংগঠনটি লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।

মনিরুল ইসলাম সিটিটিসির দায়িত্বে থাকার সময় দেশে জঙ্গিবাদ দমন নিয়ে নানা কার্যক্রম চালানো হয়। সে সময় জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের সাফল্যের দাবি থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে এ ইস্যুকে বিরোধীদল দমনে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে।

বর্তমানে মনিরুল ইসলাম কোথায় আছেন, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তবে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর প্রবাসী বাংলাদেশি অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছিলেন, ভারতের নয়াদিল্লিতে মনিরুল ইসলামের অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। তার পোস্টে একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছিল।

এ ছাড়া কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২৫ কোটি টাকা আনার অভিযোগও উঠেছিল মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সরকার পতনের পর প্রশাসনের আরও অনেক কর্মকর্তার মতো তিনিও দেশ ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে যাওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি। কয়েক দফায় কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তাদের অনেকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু

দেশে আল-কায়েদার খবরে ফেসবুকে প্যারোডি লিখলেন মনিরুল

আপডেট সময় ০৪:৩৭:২৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬

‘বাংলাদেশে আল-কায়েদা ঘাঁটি গড়ার চেষ্টা করছে’—এমন একটি খবরের ফটোকার্ড শেয়ার করে ফেসবুকে প্যারোডি পোস্ট করেছেন পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) সাবেক প্রধান ও সাবেক অতিরিক্ত আইজিপি মো. মনিরুল ইসলাম। আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন।

শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে নিজের ফেসবুক পোস্টে মনিরুল ইসলাম লেখেন, ‘এখন তো নাই আমি, কী বলবি রে বোকা।’

সম্প্রতি জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ‘অ্যানালিটিক্যাল সাপোর্ট অ্যান্ড স্যাংশনস মনিটরিং টিম’-এর ৩৮তম প্রতিবেদনে বাংলাদেশে সক্রিয় সেল গঠনের মাধ্যমে আল-কায়েদা তাদের নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণের চেষ্টা করছে বলে দাবি করা হয়।

১০ আগস্ট প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, আল-কায়েদার সহযোগী সংগঠন ‘আল-কায়েদা ইন দ্য ইন্ডিয়ান সাবকন্টিনেন্ট’ বা একিউআইএস একটি বিভক্ত গোষ্ঠী থেকে ধীরে ধীরে আঞ্চলিক সন্ত্রাসী সংগঠনে পরিণত হচ্ছে। বড় ইউনিটের পরিবর্তে ছোট ও ছড়িয়ে থাকা সেলের মাধ্যমে কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি সংগঠনটি লজিস্টিক ও আর্থিক নেটওয়ার্ক গড়ে তুলছে।

মনিরুল ইসলাম সিটিটিসির দায়িত্বে থাকার সময় দেশে জঙ্গিবাদ দমন নিয়ে নানা কার্যক্রম চালানো হয়। সে সময় জঙ্গিবাদ দমনে সরকারের সাফল্যের দাবি থাকলেও, কিছু ক্ষেত্রে এ ইস্যুকে বিরোধীদল দমনে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগও ওঠে।

বর্তমানে মনিরুল ইসলাম কোথায় আছেন, সে বিষয়ে পুলিশের কাছে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। তবে ২০২৪ সালের ৬ অক্টোবর প্রবাসী বাংলাদেশি অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের তার ফেসবুক পোস্টে দাবি করেছিলেন, ভারতের নয়াদিল্লিতে মনিরুল ইসলামের অবস্থান শনাক্ত হয়েছে। তার পোস্টে একটি ছবিও প্রকাশ করা হয়েছিল।

এ ছাড়া কোটা সংস্কার আন্দোলনের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দমনের জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ২৫ কোটি টাকা আনার অভিযোগও উঠেছিল মনিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে। সরকার পতনের পর প্রশাসনের আরও অনেক কর্মকর্তার মতো তিনিও দেশ ছেড়ে আত্মগোপনে চলে যান।

পুলিশ সদর দপ্তর সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আত্মগোপনে যাওয়া বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় ৮০০ পুলিশ সদস্য এখনো কর্মস্থলে যোগ দেননি। কয়েক দফায় কাজে যোগ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও তাদের অনেকের কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। তাদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কেও পুলিশ সদর দপ্তরের কাছে নিশ্চিত তথ্য নেই।