ঢাকা , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক তিন দিনের সফরে ঢাকায় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সরকার পতনের পর আ. লীগ নেতাদের সঙ্গে কয়েক ধাপে মিটিং হান্নান মাসউদের সিআইডি প্রধানের দায়িত্ব পাওয়ার তিন দিনের মাথায় অবসরের আবেদন কারাগারে গান-কবিতার আড্ডা, আইভীর কবিতায় সুর দেন মমতাজ আম কুড়াতে গিয়ে বজ্রাঘাতে নিহত ৬, শোকের ছায়া চাঁপাইনবাবগঞ্জে ‘জনগণ ভাবছে সরকার ভোট নয়, ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে নির্বাচিত’ যুদ্ধবিরতি পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান হিজবুল্লাহর, হামলা অব্যাহত ইসরায়েলের ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবিতে শাহবাগে ইনকিলাব মঞ্চের মশাল মিছিল নিখোঁজের ৬ দিন পর এভারেস্টে জীবিত উদ্ধার নেপালি শেরপা

ওসমান হাদি রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, সেই দায়িত্ব আমরা নিয়েছি: হাসনাত

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • ২২৩৩ বার পড়া হয়েছে

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১২-দলীর জোটের কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদি রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, সেই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আমরা নিয়েছি। ‘আমরা কখনোই শহীদ ওসমান হাদির মতো হতে পারব না। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ হোক, মানুষ তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হোক। আজ গ্রামে গ্রামে মা-বোন ও বৃদ্ধ বাবারা শহীদ হাদির জন্য দোয়া করছেন।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বারের রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর নিজ গ্রামে আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে একটি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, শহীদ ওসমান হাদি এই চাঁদাবাজ ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তাকে বাঁচতে দেয়া হয়নি। আমরা শহীদ হাদির রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছি।

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের প্রত্যেককে হাসনাত হয়ে ভোটারদের কাছে যেতে হবে। আপনারা ভোটারদের হাতে ধরবেন, পায়ে ধরবেন, প্রত্যেকে প্রতিদিন ১০ জন করে শাপলা কলির ভোট নিশ্চিত করবেন।’ হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,‘টাকা চাঁদাবাজি করার চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা সম্মানের। প্রয়োজনে ভোটারদের হাতে ধরব, পায়ে ধরব, কিন্তু টাকার বিনিময়ে ভোট কিনব না।’

ভোটের দিন আমি আপনাদের জন্য রিকশা, অটো, সিএনজি দিয়ে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারব না, আপনারা পায়ে হেঁটে কেন্দ্রে গিয়ে আমাকে ভোট দেবেন। কারণ এটাও ঘুষের তালিকায় পরে। আপনারা ভোট দেবেন ঘুষ খাইয়া, নেতারা নির্বাচিত হয়ে রাস্তার ইট খাবে, এটা কি হয়? আপনারা ঘুষও খাবেন না, দুর্নীতিকেও প্রশ্রয় দেবেন না।ইতোমধ্যে চাঁদাবাজদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে তারা এখন ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, ফোনে হুমকি দিচ্ছে কেন্দ্র দখল করবে, ভোট দিতে দেবে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেবে।

‘যারা গুন্ডা ও হুন্ডার ভয় দেখাচ্ছেন তারা সাবধান হয়ে যান। ভয়ভীতি দেখানোর রাজনীতি এখন আর নেই। মানুষ এখন সচেতন। তারা ঋণখেলাপী ও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যারা নির্বাচিত হয়ে জনগণের হক মেরে খাবে, গোমতীর মাটি লুট করবে, এবার জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি তার নিজ এলাকার ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আগামী ২১ তারিখ থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করব ইনশাআল্লাহ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনার জার্সি পরে এলে ফি অর্ধেক নেওয়ার ঘোষণা দিলেন চিকিৎসক

ওসমান হাদি রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, সেই দায়িত্ব আমরা নিয়েছি: হাসনাত

আপডেট সময় ১১:০৪:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

এবার জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১২-দলীর জোটের কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনের প্রার্থী হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, শহীদ ওসমান হাদি রাষ্ট্রে যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, সেই ইনসাফ প্রতিষ্ঠার দায়িত্ব আমরা নিয়েছি। ‘আমরা কখনোই শহীদ ওসমান হাদির মতো হতে পারব না। তিনি মুড়ি-বাতাসা নিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে গিয়েছিলেন এবং বাংলাদেশে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি চেয়েছিলেন চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি বন্ধ হোক, মানুষ তার ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত না হোক। আজ গ্রামে গ্রামে মা-বোন ও বৃদ্ধ বাবারা শহীদ হাদির জন্য দোয়া করছেন।

শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) বিকেলে কুমিল্লার দেবিদ্বারের রসুলপুর ইউনিয়নের গোপালনগর নিজ গ্রামে আগ্রাসনবিরোধী পদযাত্রার অংশ হিসেবে একটি উঠান বৈঠকে এসব কথা বলেন তিনি। তিনি আরো বলেন, শহীদ ওসমান হাদি এই চাঁদাবাজ ও ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছিলেন। তাকে বাঁচতে দেয়া হয়নি। আমরা শহীদ হাদির রেখে যাওয়া কাজ বাস্তবায়নে মাঠে নেমেছি।

তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের সন্তান, আপনাদের প্রত্যেককে হাসনাত হয়ে ভোটারদের কাছে যেতে হবে। আপনারা ভোটারদের হাতে ধরবেন, পায়ে ধরবেন, প্রত্যেকে প্রতিদিন ১০ জন করে শাপলা কলির ভোট নিশ্চিত করবেন।’ হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন,‘টাকা চাঁদাবাজি করার চেয়ে ভোট ভিক্ষা করা সম্মানের। প্রয়োজনে ভোটারদের হাতে ধরব, পায়ে ধরব, কিন্তু টাকার বিনিময়ে ভোট কিনব না।’

ভোটের দিন আমি আপনাদের জন্য রিকশা, অটো, সিএনজি দিয়ে ভোট কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পারব না, আপনারা পায়ে হেঁটে কেন্দ্রে গিয়ে আমাকে ভোট দেবেন। কারণ এটাও ঘুষের তালিকায় পরে। আপনারা ভোট দেবেন ঘুষ খাইয়া, নেতারা নির্বাচিত হয়ে রাস্তার ইট খাবে, এটা কি হয়? আপনারা ঘুষও খাবেন না, দুর্নীতিকেও প্রশ্রয় দেবেন না।ইতোমধ্যে চাঁদাবাজদের ঘুম হারাম হয়ে গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে তারা এখন ভোটারদের ভয়ভীতি দেখাচ্ছে, ফোনে হুমকি দিচ্ছে কেন্দ্র দখল করবে, ভোট দিতে দেবে না, ভোটাধিকার কেড়ে নেবে।

‘যারা গুন্ডা ও হুন্ডার ভয় দেখাচ্ছেন তারা সাবধান হয়ে যান। ভয়ভীতি দেখানোর রাজনীতি এখন আর নেই। মানুষ এখন সচেতন। তারা ঋণখেলাপী ও দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। যারা নির্বাচিত হয়ে জনগণের হক মেরে খাবে, গোমতীর মাটি লুট করবে, এবার জনগণ তাদের প্রত্যাখ্যান করবে। তিনি তার নিজ এলাকার ভোটারদের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আমরা আগামী ২১ তারিখ থেকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে নির্বাচনী প্রচারণা শুরু করব ইনশাআল্লাহ।