আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মনোনয়নপত্র নিয়েছেন জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আলোচিত ‘জুলাই যোদ্ধা’ খোকন চন্দ্র বর্মণ। তাঁর পক্ষে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন দলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ডা. মাহমুদা মিতু। বর্তমানে মুখের চিকিৎসার জন্য রাশিয়ায় অবস্থান করছেন এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটির নির্বাহী সদস্য খোকন।
মনোনয়ন প্রসঙ্গে খোকন চন্দ্র বর্মণ হোয়াটসঅ্যাপ বার্তায় সমকালকে জানান, তাঁর এলাকায় দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে উন্নয়নের অভাব রয়েছে। তিনি বলেন, “এলাকায় একটি ভালো চক্ষু হাসপাতাল নেই—আমি একটি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল স্থাপন করতে চাই। সুন্দর একটি মসজিদ এবং একটি মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভবনের মান উন্নয়নে কাজ করতে চাই। সুযোগ পেলে এলাকাবাসীর জন্য অনেক ভালো কাজ করার ইচ্ছে আছে। আমি সবার দোয়া ও সমর্থন চাই।”
২৩ বছর বয়সী খোকন পেশায় গাড়িচালক। গত বছরের ৫ আগস্ট জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দিনে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে তিনি গুলিবিদ্ধ হন। ভাইরাল হওয়া ফুটেজে দেখা যায়, গুলিতে তাঁর ঠোঁট, মাড়ি ও মুখের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মারাত্মক রক্তক্ষরণ সত্ত্বেও তিনি অন্যের হাত ধরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেন এবং নিজের মুঠোফোনে আঙুলের ছাপ দিয়ে লক খুলে বড় ভাইকে খবর দেন।
খোকনের বাবা কিনা চন্দ্র বর্মণ রাজধানীর একটি হাসপাতালে শাকসবজি ও মাছ-মাংস সরবরাহের কাজ করেন। মা রীনা রানী দাস গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন। খোকনের ছোট ভাই শুভ চন্দ্র বর্মণ তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র এবং খোকন নিজে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















