ঢাকা , শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা সরকারি দলের দায়িত্বহীন বক্তব্যে দেশে সন্ত্রাসী কার্যক্রম বাড়ছে: জামায়াত আমির ইরানের পক্ষে যুদ্ধে না জড়ানোয় এরদোয়ানের প্রশংসা করলেন ট্রাম্প রাজনৈতিক খুনোখুনি: দায় চাপিয়ে দায়মুক্তি চাইছে বিএনপি-জামায়াত? খামেনির শেষ বিদায়ে ইরানের আমন্ত্রণ পেয়ে ‘বিপাকে’ মোদি ভূমিকম্প-বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলার উপকূলে ব্যাপক লুটপাট আশুরার রোজা কয়টি? আলেমদের অভিমত কী বলছে ‘চার মাসের মধ্যে আরও এক লাখ কোটি টাকার ঋণের জালে দেশ’ ভেনেজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে ১৬৪ জনের মরদেহ উদ্ধার প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে কলেজছাত্রের আত্মহত্যা

ভারতকে লজ্জায় ডুবিয়েছে পাকিস্তানের এই দুর্ধর্ষ নারী পাইলট আয়েশা ফারুক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • ৬৭৮ বার পড়া হয়েছে

এবার একাই আকাশ চিরে উঠে শত্রুপক্ষের গর্ব রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছেন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এক সাহসী নারী পাইলট, স্কোয়াড্রন লিডার আয়েশা ফারুক। ২৮৮ মিলিয়ন ডলারের রাফাল ভূপাতিত করে তিনি শুধু ভারত নয়, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে। রাফালকে আধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রতীক হিসেবে ধরা হলেও, এক মুসলিম নারী পাইলটের হাতে এর পতন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তোলে।

পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের ইতিহাসে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত প্রথম নারী ফাইটার পাইলট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন আয়েশা। সীমান্তে যখন যুদ্ধাবস্থা, আকাশজুড়ে যখন তর্জন-গর্জন, তখন একা উঠে এসে যে সাহসিকতা তিনি দেখিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। শুধু একটি যুদ্ধবিমান নয়, এই আক্রমণ ভেঙে দিয়েছে রাফাল নির্মাতা ফ্রান্সের অহংকারও।

আয়েশার জন্ম পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতৃহারা হন। সমাজের নানা বাঁধা আর আত্মীয়স্বজনের আপত্তি পেরিয়ে, মা’র অনুপ্রেরণায় তিনি দৃঢ় সংকল্প করেন ফাইটার পাইলট হবেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সেরা একাডেমিতে কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলেন অসীম সাহসী ও দক্ষ এক পাইলট হিসেবে।

আধুনিক মিক-এফ৬ যুদ্ধবিমান চালনায় তিনি পারদর্শী। তার পরিচালিত এআইএম-১২০সি অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্রেই ধ্বংস হয় ভারতের রাফাল। ঘটনাটি ৬ই মে রাতে ঘটে, এবং সেই মুহূর্তেই ইতিহাস রচনা হয় — শুধু সামরিক নয়, নারীর ক্ষমতায়নের ইতিহাসও। বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস থেকে শুরু করে রাফাল নির্মাতারাও স্বীকার করেছেন যে রাফাল ভূপাতিত হয়েছে, এবং সেই আঘাত এসেছে আয়েশার হাত থেকেই।

বর্তমানে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে ৩১৬ জন নারী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে মাত্র পাঁচজন ফাইটার জেট চালাতে সক্ষম। কিন্তু যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত একমাত্র নারী পাইলট আয়েশা ফারুকই। গত এক দশকে ১৯ জন নারী পাইলট হলেও, আয়েশার কীর্তি আলাদা। তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সাহস থাকলে নারীরা যেকোনো ক্ষেত্রেই পুরুষদের সমকক্ষ হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শিবির হত্যার বিচার না পেয়ে দুধ দিয়ে গোসল করে রাজনীতি ছেড়েদেন বিএনপি নেতা

ভারতকে লজ্জায় ডুবিয়েছে পাকিস্তানের এই দুর্ধর্ষ নারী পাইলট আয়েশা ফারুক

আপডেট সময় ১০:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

এবার একাই আকাশ চিরে উঠে শত্রুপক্ষের গর্ব রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছেন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এক সাহসী নারী পাইলট, স্কোয়াড্রন লিডার আয়েশা ফারুক। ২৮৮ মিলিয়ন ডলারের রাফাল ভূপাতিত করে তিনি শুধু ভারত নয়, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে। রাফালকে আধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রতীক হিসেবে ধরা হলেও, এক মুসলিম নারী পাইলটের হাতে এর পতন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তোলে।

পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের ইতিহাসে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত প্রথম নারী ফাইটার পাইলট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন আয়েশা। সীমান্তে যখন যুদ্ধাবস্থা, আকাশজুড়ে যখন তর্জন-গর্জন, তখন একা উঠে এসে যে সাহসিকতা তিনি দেখিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। শুধু একটি যুদ্ধবিমান নয়, এই আক্রমণ ভেঙে দিয়েছে রাফাল নির্মাতা ফ্রান্সের অহংকারও।

আয়েশার জন্ম পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতৃহারা হন। সমাজের নানা বাঁধা আর আত্মীয়স্বজনের আপত্তি পেরিয়ে, মা’র অনুপ্রেরণায় তিনি দৃঢ় সংকল্প করেন ফাইটার পাইলট হবেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সেরা একাডেমিতে কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলেন অসীম সাহসী ও দক্ষ এক পাইলট হিসেবে।

আধুনিক মিক-এফ৬ যুদ্ধবিমান চালনায় তিনি পারদর্শী। তার পরিচালিত এআইএম-১২০সি অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্রেই ধ্বংস হয় ভারতের রাফাল। ঘটনাটি ৬ই মে রাতে ঘটে, এবং সেই মুহূর্তেই ইতিহাস রচনা হয় — শুধু সামরিক নয়, নারীর ক্ষমতায়নের ইতিহাসও। বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস থেকে শুরু করে রাফাল নির্মাতারাও স্বীকার করেছেন যে রাফাল ভূপাতিত হয়েছে, এবং সেই আঘাত এসেছে আয়েশার হাত থেকেই।

বর্তমানে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে ৩১৬ জন নারী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে মাত্র পাঁচজন ফাইটার জেট চালাতে সক্ষম। কিন্তু যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত একমাত্র নারী পাইলট আয়েশা ফারুকই। গত এক দশকে ১৯ জন নারী পাইলট হলেও, আয়েশার কীর্তি আলাদা। তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সাহস থাকলে নারীরা যেকোনো ক্ষেত্রেই পুরুষদের সমকক্ষ হতে পারে।