ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল বিসিবির টাকা এসেছে ক্রিকেটারদের শ্রমে ঘামে: মেহেদী মিরাজ

ভারতকে লজ্জায় ডুবিয়েছে পাকিস্তানের এই দুর্ধর্ষ নারী পাইলট আয়েশা ফারুক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫
  • ৫৬৯ বার পড়া হয়েছে

এবার একাই আকাশ চিরে উঠে শত্রুপক্ষের গর্ব রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছেন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এক সাহসী নারী পাইলট, স্কোয়াড্রন লিডার আয়েশা ফারুক। ২৮৮ মিলিয়ন ডলারের রাফাল ভূপাতিত করে তিনি শুধু ভারত নয়, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে। রাফালকে আধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রতীক হিসেবে ধরা হলেও, এক মুসলিম নারী পাইলটের হাতে এর পতন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তোলে।

পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের ইতিহাসে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত প্রথম নারী ফাইটার পাইলট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন আয়েশা। সীমান্তে যখন যুদ্ধাবস্থা, আকাশজুড়ে যখন তর্জন-গর্জন, তখন একা উঠে এসে যে সাহসিকতা তিনি দেখিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। শুধু একটি যুদ্ধবিমান নয়, এই আক্রমণ ভেঙে দিয়েছে রাফাল নির্মাতা ফ্রান্সের অহংকারও।

আয়েশার জন্ম পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতৃহারা হন। সমাজের নানা বাঁধা আর আত্মীয়স্বজনের আপত্তি পেরিয়ে, মা’র অনুপ্রেরণায় তিনি দৃঢ় সংকল্প করেন ফাইটার পাইলট হবেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সেরা একাডেমিতে কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলেন অসীম সাহসী ও দক্ষ এক পাইলট হিসেবে।

আধুনিক মিক-এফ৬ যুদ্ধবিমান চালনায় তিনি পারদর্শী। তার পরিচালিত এআইএম-১২০সি অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্রেই ধ্বংস হয় ভারতের রাফাল। ঘটনাটি ৬ই মে রাতে ঘটে, এবং সেই মুহূর্তেই ইতিহাস রচনা হয় — শুধু সামরিক নয়, নারীর ক্ষমতায়নের ইতিহাসও। বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস থেকে শুরু করে রাফাল নির্মাতারাও স্বীকার করেছেন যে রাফাল ভূপাতিত হয়েছে, এবং সেই আঘাত এসেছে আয়েশার হাত থেকেই।

বর্তমানে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে ৩১৬ জন নারী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে মাত্র পাঁচজন ফাইটার জেট চালাতে সক্ষম। কিন্তু যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত একমাত্র নারী পাইলট আয়েশা ফারুকই। গত এক দশকে ১৯ জন নারী পাইলট হলেও, আয়েশার কীর্তি আলাদা। তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সাহস থাকলে নারীরা যেকোনো ক্ষেত্রেই পুরুষদের সমকক্ষ হতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা

ভারতকে লজ্জায় ডুবিয়েছে পাকিস্তানের এই দুর্ধর্ষ নারী পাইলট আয়েশা ফারুক

আপডেট সময় ১০:৫৪:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মে ২০২৫

এবার একাই আকাশ চিরে উঠে শত্রুপক্ষের গর্ব রাফাল যুদ্ধবিমান ধ্বংস করেছেন পাকিস্তান বিমান বাহিনীর এক সাহসী নারী পাইলট, স্কোয়াড্রন লিডার আয়েশা ফারুক। ২৮৮ মিলিয়ন ডলারের রাফাল ভূপাতিত করে তিনি শুধু ভারত নয়, তাক লাগিয়ে দিয়েছেন গোটা বিশ্বকে। রাফালকে আধুনিক যুদ্ধবিমানের প্রতীক হিসেবে ধরা হলেও, এক মুসলিম নারী পাইলটের হাতে এর পতন বিশ্বব্যাপী আলোচনার ঝড় তোলে।

পাকিস্তান এয়ার ফোর্সের ইতিহাসে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত প্রথম নারী ফাইটার পাইলট হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন আয়েশা। সীমান্তে যখন যুদ্ধাবস্থা, আকাশজুড়ে যখন তর্জন-গর্জন, তখন একা উঠে এসে যে সাহসিকতা তিনি দেখিয়েছেন, তা ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। শুধু একটি যুদ্ধবিমান নয়, এই আক্রমণ ভেঙে দিয়েছে রাফাল নির্মাতা ফ্রান্সের অহংকারও।

আয়েশার জন্ম পাঞ্জাবের বাহাওয়ালপুরে। মাত্র তিন বছর বয়সে পিতৃহারা হন। সমাজের নানা বাঁধা আর আত্মীয়স্বজনের আপত্তি পেরিয়ে, মা’র অনুপ্রেরণায় তিনি দৃঢ় সংকল্প করেন ফাইটার পাইলট হবেন। পাকিস্তান বিমান বাহিনীর সেরা একাডেমিতে কঠোর প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলেন অসীম সাহসী ও দক্ষ এক পাইলট হিসেবে।

আধুনিক মিক-এফ৬ যুদ্ধবিমান চালনায় তিনি পারদর্শী। তার পরিচালিত এআইএম-১২০সি অ্যামরাম ক্ষেপণাস্ত্রেই ধ্বংস হয় ভারতের রাফাল। ঘটনাটি ৬ই মে রাতে ঘটে, এবং সেই মুহূর্তেই ইতিহাস রচনা হয় — শুধু সামরিক নয়, নারীর ক্ষমতায়নের ইতিহাসও। বিবিসি, নিউইয়র্ক টাইমস থেকে শুরু করে রাফাল নির্মাতারাও স্বীকার করেছেন যে রাফাল ভূপাতিত হয়েছে, এবং সেই আঘাত এসেছে আয়েশার হাত থেকেই।

বর্তমানে পাকিস্তান বিমান বাহিনীতে ৩১৬ জন নারী কাজ করছেন, যাদের মধ্যে মাত্র পাঁচজন ফাইটার জেট চালাতে সক্ষম। কিন্তু যুদ্ধের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত একমাত্র নারী পাইলট আয়েশা ফারুকই। গত এক দশকে ১৯ জন নারী পাইলট হলেও, আয়েশার কীর্তি আলাদা। তিনি প্রমাণ করেছেন, ইচ্ছাশক্তি, পরিশ্রম আর সাহস থাকলে নারীরা যেকোনো ক্ষেত্রেই পুরুষদের সমকক্ষ হতে পারে।