এবার যানজট নিরসনে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন নিয়ে তৃতীয় সভা শেষে এসব কথা জানান যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মো. হাদিউজ্জামান ও রাজধানীর দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক। যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. মোঃ হাদিউজ্জামান বলেন, যানজট নিরসনে স্বল্প, মধ্যম ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। হকারদের বিকল্প কর্মসংস্থান, ফুটপাত জনসাধারণের চলার উপযোগী করা নিয়ে কথা হয়েছে।
তিনি বলেন, বাস র্যাপিড ট্রানজিট প্রকল্পে অনেক বিনিয়োগ হয়ে গেছে, ১২ বছর অনেক ভোগান্তি হয়েছে। এখন পরিত্যক্ত ঘোষণা করলে বাজে উদাহরণ হবে। এ প্রকল্পকে কীভাবে ইমপ্রুভ, পাবলিক ট্রান্সপোর্ট করিডোর হিসেবে ব্যবহার করা যায়, বিনিয়োগের সর্বোচ্চ ব্যবহার কীভাবে করা যায়, জনগণ যেন সর্বোচ্চ সুবিধা পায় সেটি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন। তিনজন বিশেষজ্ঞের সাথে কথা বলেছেন তিনি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে বিকল্প উপস্থাপন করা হবে।
এই যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বলেন, ঢাকা শহরে টার্মিনাল কেন্দ্রিক যানজট নিরসন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সাথে আলোচনা হয়েছে। মহাখালী টার্মিনালের বাসগুলোর ডিপোর জন্য অস্থায়ীভাবে পূর্বাচলে জায়গা নির্ধারণ করা হয়েছে। যাত্রী নেওয়ার সময় টার্মিনালে আসবে। সায়দাবাদ, ফুলবাড়িয়া বাস টার্মিনালের জন্যও অস্থায়ী বিকল্প জায়গা দেখা হয়েছে। স্থায়ী জায়গা নিয়েও কাজ চলবে। আগামী সপ্তাহে শাহবাগে ট্রাফিক সিগন্যাল চালু হতে যাচ্ছে বলে জানান।
ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, সায়দাবাদ বাস টার্মিনাল শৃঙ্খলার মধ্যে আনার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কাঁচপুরে আন্তঃজেলা টার্মিনাল দ্রুত করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। গুলিস্তান থেকে টার্মিনাল সরানোর ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন। হকার উচ্ছেদও নয়, আবার বিশৃঙ্খলার মধ্যেও ছেড়ে দেওয়া নয় এমনভাবে কীভাবে দ্রুত হকার ব্যবস্থাপনা করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেন, যানজট রোধে কি করণীয় সেটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মহাখালীতে রাস্তার ওপরে যেন বাস না থাকে, সেজন্য প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে পূর্বাচলে বাস ডিপো হবে। সিটি করপোরেশন প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 






















