ঢাকা , রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের নোয়াখালীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ. লীগ ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ চার পরিবর্তন নিয়ে রাতে মাঠে নামছে ব্রাজিল মেহেরপুর তেঁতুলবাড়ীয়া সীমান্তে ৬ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিজিবি-গ্রামবাসীর প্রতিরোধে ব্যর্থ বিএসএফ, সীমান্তে সতর্ক অবস্থান এসএসসি পরীক্ষার্থীকে বলাৎকার, আ.লীগ নেতাসহ গ্রেপ্তার ২ মেহেরপুর প্রেসক্লাবের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন সম্পন্ন সভাপতি ফারুক সম্পাদক মুক্ত রক্তাক্ত ছবি শেয়ার করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে বিচার চাইলেন নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বিএনপি তিন মাসেই আ.লীগের অবস্থানে পৌঁছে গেছে: আসিফ মাহমুদ ঈদের ছুটি শেষে ফেরার পর এক গ্রুপে গণছাঁটাই, চাকরি হারালেন ১৮৬৮ শ্রমিক যুদ্ধে ইরানের সামরিক শক্তি ‘সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস’, ক্ষেপণাস্ত্র মজুত মাত্র ২১% : ট্রাম্প

সড়কে গাড়ি থামিয়ে ঘুষ গ্রহণ, ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৭৯৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপ্লু বড়ুয়া এবং কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।

জানা যায়, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার পথে একটি কাভার্ডভ্যান খাঁটিহাতা এলাকায় থামানো হয়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে আটকে রেখে অবৈধ পণ্য থাকার অজুহাতে চালকের কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

এ ঘটনায় এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনার পরপরই ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই মো. সজীব মিয়া। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি এবং বর্তমানে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্ত হত্যা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রত্যাহারের দাবি নাহিদ ইসলামের

সড়কে গাড়ি থামিয়ে ঘুষ গ্রহণ, ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার 

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপ্লু বড়ুয়া এবং কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।

জানা যায়, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার পথে একটি কাভার্ডভ্যান খাঁটিহাতা এলাকায় থামানো হয়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে আটকে রেখে অবৈধ পণ্য থাকার অজুহাতে চালকের কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

এ ঘটনায় এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনার পরপরই ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই মো. সজীব মিয়া। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি এবং বর্তমানে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।