ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর ‘তারার কাছে পৌঁছানোর সাহস রাখো আর তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দাও’ খুঁটিতে বাঁধা সেই বাবার পাশে প্রশাসন, মেয়ে তুবার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও কেন্দ্র থেকে বহিষ্কৃত দুই যুবদল নেতাকে সভাপতি ঘোষণা এমপির প্রার্থী জিয়ার সৈনিক না হলে পরীক্ষায় বসতে দিয়েন না: রাকসু জিএস আম্মার দিল্লির সড়কে তরুণকে চড় মন্ত্রীর, পাল্টা হাত তুললো তরুণও চকলেট দেয়ার কথা বলে অফিসের সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন নারী বস সংবিধানে ফিরছে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’ এআই ছবিতে নারী সেনা সেজে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, ৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ

সড়কে গাড়ি থামিয়ে ঘুষ গ্রহণ, ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার 

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • ৯০২ বার পড়া হয়েছে

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপ্লু বড়ুয়া এবং কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।

জানা যায়, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার পথে একটি কাভার্ডভ্যান খাঁটিহাতা এলাকায় থামানো হয়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে আটকে রেখে অবৈধ পণ্য থাকার অজুহাতে চালকের কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

এ ঘটনায় এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনার পরপরই ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই মো. সজীব মিয়া। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি এবং বর্তমানে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস

সড়কে গাড়ি থামিয়ে ঘুষ গ্রহণ, ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্য প্রত্যাহার 

আপডেট সময় ০৩:৫৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

এবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে কুমিল্লা অঞ্চলের হাইওয়ে পুলিশ কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। সড়কে পণ্যবাহী গাড়ি থামিয়ে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগে তাদের দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করা হয়।

আজ মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মামুন রহমান, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) বিপ্লু বড়ুয়া এবং কনস্টেবল মো. সাহাবুদ্দিন, মো. মস্তু, সাকিবুল ও মো. জহির মিয়া।

জানা যায়, চলতি মাসের ৩ তারিখে সিলেট থেকে ঢাকার পথে একটি কাভার্ডভ্যান খাঁটিহাতা এলাকায় থামানো হয়। দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা গাড়িটিকে আটকে রেখে অবৈধ পণ্য থাকার অজুহাতে চালকের কাছ থেকে প্রায় ৮০ হাজার টাকা ঘুষ নেন।

এ ঘটনায় এক বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। ঘটনার পরপরই ছয় কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে খাঁটিহাতা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এসআই মো. সজীব মিয়া। তিনি বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহার করা হয়েছে। আমি নতুন করে দায়িত্ব নিয়েছি এবং বর্তমানে থানার কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে।

এদিকে হাইওয়ে পুলিশের কুমিল্লা অঞ্চলের পুলিশ সুপার খাইরুল আলম বলেন, সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। একজন অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে দিয়ে তদন্ত পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, তদন্তে যাদের দায় প্রমাণিত হবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।