কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ডাকে বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত অন্তত সাত জেলায় বিক্ষোভ, প্রতিবাদ ও প্রতিরোধ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে সড়ক ও রেলপথে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হয়। এসব ঘটনায় তিনটি বাস, একটি পিকআপ ভ্যান ও একটি ট্রলারে আগুন দেওয়া হয়েছে। মানিকগঞ্জে একটি স্কুলবাসে অগ্নিসংযোগে চালক দগ্ধ হন। গত পাঁচ দিনে সারাদেশে মোট ৩১টি যানবাহন পুড়িয়ে দেওয়া হলো।
এ ছাড়া পটুয়াখালীতে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে আগুন দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে, যা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। রাজধানীর মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প থেকে উদ্ধার হয়েছে ৩৫টি তাজা ককটেল ও তৈরির সরঞ্জাম। অন্যদিকে ঝালকাঠিতে এক নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতার বাড়িতে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিভিন্ন জেলা–উপজেলায় অভিযান চালিয়ে অন্তত ৭০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। ঢাকা মহানগরে ডিবি নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করেছে। পটুয়াখালীতে চার দিনে গ্রেপ্তার হয়েছে ৬৪ জন।
বিভিন্ন জেলার ব্যুরো, অফিস ও প্রতিনিধি সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আগুন–নাশকতা ও সহিংস ঘটনায় সারাদেশে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

