ইন্দোনেশিয়া আন্তর্জাতিক অনুমোদন পাওয়ার পর গাজা উপত্যকায় ২০ হাজার শান্তিরক্ষা সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী স্যাফরি স্যামসুদ্দিন শনিবার জানান, মোতায়েনের জন্য দুটি সম্ভাব্য পথ অনুসন্ধান করা হচ্ছে—একটি জাতিসংঘের অধীনে এবং অন্যটি এমন একটি আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার অধীনে, যা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের উদ্যোগে গঠিত হবে।
মন্ত্রী বলেন, আরব দেশগুলো—সৌদি আরব, জর্ডান, মিসর, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত—যদি সবুজ সংকেত দেয়, ইন্দোনেশিয়া আনন্দের সঙ্গে অংশ নেবে। এছাড়াও ইসরায়েলের অনুমতিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গাজা যুদ্ধ বন্ধে প্রস্তাবিত ২০ দফা উদ্যোগের প্রথম ধাপের অংশ। গত ১০ অক্টোবর থেকে ধাপে ধাপে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে।
ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী জর্ডানের বাদশাহ দ্বিতীয় আবদুল্লাহর সঙ্গে বৈঠকে গাজা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছেন। বৈঠকে দুই দেশ গাজা নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইন্দোনেশিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্ভাব্য শান্তিরক্ষা বাহিনী মোতায়েনের জন্য জর্ডানের তথ্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ।
এছাড়া, দুই দেশ প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতার অংশ হিসেবে ড্রোন প্রযুক্তি উন্নয়নে যৌথভাবে কাজ করবে। ইন্দোনেশিয়ার পিটিআই পিন্দাদ এবং জর্ডানের ডিপ এলিমেন্ট এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























