ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দেশের বিচারব্যবস্থা এখনও দুর্বল: নাহিদ ইসলাম সরকারের সমালোচনা বিরোধীদল করবে, কিন্তু সেটা যৌক্তিক হতে হবে: রিজভী ৬ মাসে প্রতিটি ক্ষেত্রে ব্যর্থ সরকার: ইসলামী আন্দোলন নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ মিটার নেই, নেই বিদ্যুৎ সংযোগ; মিটার সংযোগের আবেদন করায় এসেছে বিদ্যুৎ বিল এবার ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের ঘোষণা জনস্বার্থ বিষয়ক প্রকল্পের অর্থায়নে নতুন উৎসের খোঁজে সরকার: অর্থমন্ত্রী বরাদ্দ বাঁচিয়ে অতিরিক্ত খাল খনন করে ৪০ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত শুধু কর্মসূচি নয়, গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট সমাধানে বিকল্প পরিকল্পনা দিন: রিজভী লং মার্চের সম্ভাব্য পথসভাগুলোর স্থান জানালেন জামায়াতের সেক্রেটারি

গভীর রাতে ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • ৪১০ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) প্রায় ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় শতাধিক মানুষ বাধা দিলে পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, পুশ-ইনের বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়ন দ্রুত সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহ্বানের মাধ্যমে সিঙ্গারবিল, বিষ্ণুপুর, নলঘরিয়া, মেরাসানী ও নোয়াবাদী গ্রামের মানুষ সীমান্তে জড়ো হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মানুষ সীমান্তে অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটে এবং কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বাচ্চু মিয়া বলেন, বিজিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই আমরা এলাকায় মাইকিং করি। গ্রামবাসী জড়ো হয়ে গেলে বিএসএফ পিছু হটে। একইভাবে ইউনিয়নের আরেক সদস্য মামুন চৌধুরী বলেন, বিএসএফ একপ্রকার গোপনে পুশ-ইন করতে এসেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়।

বিজয়নগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি ও প্রশাসন। বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা আগে থেকেই সতর্ক ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

এই ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশের বিচারব্যবস্থা এখনও দুর্বল: নাহিদ ইসলাম

গভীর রাতে ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

আপডেট সময় ১২:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

এবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) প্রায় ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় শতাধিক মানুষ বাধা দিলে পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, পুশ-ইনের বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়ন দ্রুত সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহ্বানের মাধ্যমে সিঙ্গারবিল, বিষ্ণুপুর, নলঘরিয়া, মেরাসানী ও নোয়াবাদী গ্রামের মানুষ সীমান্তে জড়ো হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মানুষ সীমান্তে অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটে এবং কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বাচ্চু মিয়া বলেন, বিজিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই আমরা এলাকায় মাইকিং করি। গ্রামবাসী জড়ো হয়ে গেলে বিএসএফ পিছু হটে। একইভাবে ইউনিয়নের আরেক সদস্য মামুন চৌধুরী বলেন, বিএসএফ একপ্রকার গোপনে পুশ-ইন করতে এসেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়।

বিজয়নগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি ও প্রশাসন। বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা আগে থেকেই সতর্ক ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

এই ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি।