ঢাকা , শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান আল্লাহর আইন যারা চায়, তাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামী অগ্রগামী: জামায়াত আমির ইউক্রেনে রাশিয়ার ড্রোন হামলায় ইসরায়েলি কিশোরসহ নিহত ৫ সুইডেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক জিয়া মঞ্চের ’জিয়া’ গ্রেপ্তার ইয়াবা দিয়ে বাবা ও মেয়েকে ফাঁসাতে গিয়ে এসআই প্রত্যাহার তুরস্কের নারী প্রতিনিধিদলের সাথে জামায়াতের মতবিনিময় ও সেমিনার নরসিংদী শহরে মদের দোকান বন্ধের দাবি স্থানীয়দের, তালা দিল যুবদল-ছাত্রদল ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের হয়রানির দায় সরকারকেই নিতে হবে: জামায়াত টাঙ্গাইলে মাদক ব্যবসায়ির বাড়ি ভেঙে দিল এলাকাবাসী

গভীর রাতে ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫
  • ৪১৭ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) প্রায় ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় শতাধিক মানুষ বাধা দিলে পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, পুশ-ইনের বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়ন দ্রুত সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহ্বানের মাধ্যমে সিঙ্গারবিল, বিষ্ণুপুর, নলঘরিয়া, মেরাসানী ও নোয়াবাদী গ্রামের মানুষ সীমান্তে জড়ো হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মানুষ সীমান্তে অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটে এবং কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বাচ্চু মিয়া বলেন, বিজিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই আমরা এলাকায় মাইকিং করি। গ্রামবাসী জড়ো হয়ে গেলে বিএসএফ পিছু হটে। একইভাবে ইউনিয়নের আরেক সদস্য মামুন চৌধুরী বলেন, বিএসএফ একপ্রকার গোপনে পুশ-ইন করতে এসেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়।

বিজয়নগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি ও প্রশাসন। বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা আগে থেকেই সতর্ক ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

এই ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেতানিয়াহুর ভাষণ বর্জন করে কাসেম সোলাইমানির ছবি রেখে গেল ইরান

গভীর রাতে ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবি-জনতার বাধায় পিছু হটল বিএসএফ

আপডেট সময় ১২:৩১:৪৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ মে ২০২৫

এবার ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) প্রায় ৭৫০ জনকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা চালায়। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও স্থানীয় শতাধিক মানুষ বাধা দিলে পিছু হটতে বাধ্য হয় বিএসএফ। বৃহস্পতিবার (১৫ মে) দিবাগত রাত ২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

সূত্র জানায়, পুশ-ইনের বিষয়টি টের পেয়ে বিজিবির ২৫ ব্যাটালিয়ন দ্রুত সীমান্তে সতর্ক অবস্থান নেয়। পাশাপাশি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের উদ্যোগে মসজিদে মাইকিং ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আহ্বানের মাধ্যমে সিঙ্গারবিল, বিষ্ণুপুর, নলঘরিয়া, মেরাসানী ও নোয়াবাদী গ্রামের মানুষ সীমান্তে জড়ো হয়। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে শতাধিক মানুষ সীমান্তে অবস্থান নিলে বিএসএফ পিছু হটে এবং কোনো সংঘর্ষ ছাড়াই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

এদিকে সিঙ্গারবিল ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য বাচ্চু মিয়া বলেন, বিজিবির কাছ থেকে খবর পেয়ে রাতেই আমরা এলাকায় মাইকিং করি। গ্রামবাসী জড়ো হয়ে গেলে বিএসএফ পিছু হটে। একইভাবে ইউনিয়নের আরেক সদস্য মামুন চৌধুরী বলেন, বিএসএফ একপ্রকার গোপনে পুশ-ইন করতে এসেছিল। স্থানীয় বাসিন্দাদের উপস্থিতি ও বিজিবির কড়া অবস্থানের কারণে তারা সরে যেতে বাধ্য হয়।

বিজয়নগরের উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সাধনা ত্রিপুরা বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি এখন শান্ত রয়েছে। তবে সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি ও প্রশাসন। বিজিবি ২৫ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল জাব্বার আহাম্মেদ বলেন, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আমরা আগে থেকেই সতর্ক ছিলাম। স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ততার মাধ্যমে একটি বড় অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে।

এই ঘটনার পর সীমান্তবর্তী এলাকায় টহল ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরলেও সীমান্তের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ এখনও কাটেনি।