ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নতুন পে স্কেল হওয়াতে বেতন অনেক বেশি বাড়বে, তেমনটা নয়: তথ্য উপদেষ্টা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর বিদেশি নাগরিকত্ব যাচাইয়ে আইনি নোটিশ নেতানিয়াহু সরকারকে আর একটি পয়সাও নয়: মার্কিন সিনেটর তিস্তা মহাপ্রকল্পের পাশাপাশি চীনা জে-১০সিই যুদ্ধবিমান ও অ্যাটাক হেলিকপ্টার কিনছে বাংলাদেশ গাজায় ফের ইসরায়েলি বিমান হা’ম’লা, নি’হ’ত অন্তত ৫ গণঅভ্যুত্থানে গুলিতে প্রাণ হারানো বন্ধুর স্মৃতি হ্যান্ডমাইক তুলে দিলেন নাহিদের হাতে জনগণকে বিদেশ ভ্রমণ, স্বর্ণ কেনা ও দেশের বাইরে বিয়ে করতে না করলেন মোদি ইরাকের কাছে ৮০ কোটি ডলারের হেলিকপ্টার বিক্রি করবে যুক্তরাষ্ট্র আজ মুক্তিযুদ্ধের প্রধান বঙ্গবীর সেনাপতি জেনারেল ওসমানীর ১০৮তম জন্মবার্ষিকী বেতন বৃদ্ধি পেলে মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি আছে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

৩ দিনের উত্তেজনার পর হামলা বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, দোহায় বৈঠক মঙ্গলবার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
  • ১২৫ বার পড়া হয়েছে

এবার টানা তিনদিনের উত্তেজনার পর একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। হরমুজ প্রণালিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করেছে দুই দেশ।  রয়টার্সের খবর।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সব বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হবে। আপাতত উভয় পক্ষ হামলা থেকে বিরত থাকবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। গতকাল রবিবার (২৮ জুন) ভোরে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এর কিছুক্ষণ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে না চললে ইরানের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরাইল জানিয়েছে, রবিবার তারা আবারও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইরানসমর্থিত হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার লেবাননের সঙ্গে নতুন যুদ্ধবিরতির পর শনিবারও একই ধরনের আরেকটি হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, বৃহত্তর সমঝোতা কার্যকর রাখতে হলে লেবাননের সংঘাতও বন্ধ করতে হবে।

এর আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর তারা আবারও ইরানে হামলা চালিয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ সংঘাতের বেশিরভাগ সময়ই কার্যত বন্ধ ছিল। উল্লেখ্য, ১৪ দফার অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির লক্ষ্য ছিলো ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধ করা এবং আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান খোঁজা। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করাও এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন পে স্কেল হওয়াতে বেতন অনেক বেশি বাড়বে, তেমনটা নয়: তথ্য উপদেষ্টা

৩ দিনের উত্তেজনার পর হামলা বন্ধে সম্মত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান, দোহায় বৈঠক মঙ্গলবার

আপডেট সময় ১০:৩০:৪৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

এবার টানা তিনদিনের উত্তেজনার পর একে অপরের ওপর হামলা বন্ধ করতে সম্মত হয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। হরমুজ প্রণালিসংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তিতে মঙ্গলবার (৩০ জুন) কাতারের রাজধানী দোহায় বৈঠকে বসার পরিকল্পনা করেছে দুই দেশ।  রয়টার্সের খবর।

সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, সব বিষয় নিয়ে কারিগরি পর্যায়ে আলোচনা হবে। আপাতত উভয় পক্ষ হামলা থেকে বিরত থাকবে এবং হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক থাকবে। গতকাল রবিবার (২৮ জুন) ভোরে ইরান কুয়েত ও বাহরাইনে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালায়। এর কিছুক্ষণ আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যুদ্ধবিরতির চুক্তি মেনে না চললে ইরানের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যেতে পারে।

অন্যদিকে, ইসরাইল জানিয়েছে, রবিবার তারা আবারও লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলের একটি গ্রামে ইরানসমর্থিত হিজবুল্লাহর ভূগর্ভস্থ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে। শুক্রবার লেবাননের সঙ্গে নতুন যুদ্ধবিরতির পর শনিবারও একই ধরনের আরেকটি হামলা চালানো হয়। ইরানের দাবি, বৃহত্তর সমঝোতা কার্যকর রাখতে হলে লেবাননের সংঘাতও বন্ধ করতে হবে।

এর আগে, মার্কিন সামরিক বাহিনী জানায়, হরমুজ প্রণালিতে একটি তেলবাহী জাহাজে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর তারা আবারও ইরানে হামলা চালিয়েছে। বিশ্ব জ্বালানি পরিবহণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ সংঘাতের বেশিরভাগ সময়ই কার্যত বন্ধ ছিল। উল্লেখ্য, ১৪ দফার অন্তর্বর্তী শান্তি চুক্তির লক্ষ্য ছিলো ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া সংঘাত বন্ধ করা এবং আলোচনার মাধ্যমে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচিসহ বিভিন্ন ইস্যুর সমাধান খোঁজা। একইসঙ্গে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল পুনরায় স্বাভাবিক করাও এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য।