ঢাকা , মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক শিশু রাকিবাকে হত্যার সাড়ে তিন মাস পর মরদেহ উদ্ধার, মা-প্রেমিকসহ গ্রেপ্তার ৩ নাসীরউদ্দীন পাটোয়ারীর বক্তব্য খণ্ডিতভাবে প্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ এনসিপির ছাত্রীর সঙ্গে মাদরাসা শিক্ষকের আপত্তিকর মূহুর্ত, ছড়িয়ে পড়েছে ভিডিও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় নাসিরুদ্দীন পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তার দাবি যুবদল সভাপতির যুক্তরাষ্ট্র আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে শক্তিশালী: ট্রাম্প মেহেরপুর সার ডিলার নিয়োগে অনিয়ম ও দলীয়করনের প্রতিবাদে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশ নিষেধ  হোয়াইট হাউসে গণমাধ্যম নিষেধাজ্ঞা, আদালতে চ্যালেঞ্জের মুখে ট্রাম্প আমার এলাকায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পুলিশ লাগবে না: ফজলুর রহমান এক হাজার টাকার নোট বাতিলের দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ

তারেক রহমানকে দিল্লি যাওয়ার পরামর্শ জিএম কাদেরের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তার মতে, ভারত থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করলে দেশটি বিষয়টি সহজভাবে নেবে না।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যারা ভারতে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, আমার মনে হয় তারা তাকে সঠিকভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন না।’ ভারতের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে তার কিছুটা ধারণা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, ভারতীয়রা নিজেদের দেশ, জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। দল-মত নির্বিশেষে ভারতীয়রা নিজেদের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করেন। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ভারতীয়রাও নিজেদের ভারতীয় হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন।

তার ভাষ্য, ভারত কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা হলে বিষয়টি দেশটির মানুষ সহজভাবে নাও নিতে পারেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া উচিত। যদি যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত আমন্ত্রণটি গ্রহণ করা উচিত।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা যত কথাই বলি না কেন, বাস্তবতা হলো ভারত আমাদের চারপাশে।’

বাংলাদেশকে ভারত শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার দৃষ্টিতে দেখে—এমন ধারণাও সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন জিএম কাদের। তার মতে, বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে সেটি ভারতের জন্যও ইতিবাচক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও মুসলিমপ্রধান জনসংখ্যাকে ভারত সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। কারণ, কোনো দরিদ্র ও মুসলিমপ্রধান দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে সেখানে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের বিকাশ ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রতিবেশী দেশটির থাকতে পারে।

জিএম কাদেরের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা শুধু দেশের স্বার্থেই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

তারেক রহমানকে দিল্লি যাওয়ার পরামর্শ জিএম কাদেরের

আপডেট সময় ০৫:৫০:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভারত সফরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের। তার মতে, ভারত থেকে আমন্ত্রণ পাওয়ার পর তা প্রত্যাখ্যান করলে দেশটি বিষয়টি সহজভাবে নেবে না।

সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন জিএম কাদের।

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে যারা ভারতে না যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন, আমার মনে হয় তারা তাকে সঠিকভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন না।’ ভারতের রাজনীতির সঙ্গে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে দেশটির রাজনৈতিক সংস্কৃতি সম্পর্কে তার কিছুটা ধারণা রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জিএম কাদের বলেন, ভারতীয়রা নিজেদের দেশ, জাতীয় মর্যাদা ও সম্মানের বিষয়ে অত্যন্ত সংবেদনশীল। দল-মত নির্বিশেষে ভারতীয়রা নিজেদের পরিচয় নিয়ে গর্ববোধ করেন। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত ভারতীয়রাও নিজেদের ভারতীয় হিসেবে পরিচয় দিতে গর্ববোধ করেন।

তার ভাষ্য, ভারত কাউকে আমন্ত্রণ জানানোর পর সেই আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করা হলে বিষয়টি দেশটির মানুষ সহজভাবে নাও নিতে পারেন। এতে দুই দেশের সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান বলেন, ‘আমার ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর যাওয়া উচিত। যদি যাওয়া সম্ভব না হয়, তাহলে অন্তত আমন্ত্রণটি গ্রহণ করা উচিত।’ কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমরা যত কথাই বলি না কেন, বাস্তবতা হলো ভারত আমাদের চারপাশে।’

বাংলাদেশকে ভারত শুধু সীমান্ত নিরাপত্তার দৃষ্টিতে দেখে—এমন ধারণাও সঠিক নয় বলে মন্তব্য করেন জিএম কাদের। তার মতে, বাংলাদেশ একটি সমৃদ্ধ, স্থিতিশীল ও শক্তিশালী রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হলে সেটি ভারতের জন্যও ইতিবাচক।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের দারিদ্র্য ও মুসলিমপ্রধান জনসংখ্যাকে ভারত সম্ভাব্য ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে। কারণ, কোনো দরিদ্র ও মুসলিমপ্রধান দেশে অস্থিতিশীলতা তৈরি হলে সেখানে জঙ্গিবাদ বা সন্ত্রাসবাদের বিকাশ ঘটতে পারে—এমন আশঙ্কা প্রতিবেশী দেশটির থাকতে পারে।

জিএম কাদেরের মতে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং একটি জবাবদিহিমূলক গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠা শুধু দেশের স্বার্থেই নয়, প্রতিবেশী দেশগুলোর জন্যও গুরুত্বপূর্ণ।