ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী ‘মাননীয়’ বাদ, অনলাইন হাজিরা: নিজ দপ্তর থেকেই নিয়ম মানার দৃষ্টান্ত প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান হিসেবে যোগ দিলেন আফরোজা আব্বাস ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে ড. ইউনূসকে: হাইকোর্ট পাকা ঘর নির্মাণ করা হলো না, দাদা-দাদির পাশে চিরনিদ্রায় পিয়াস সৌদি থেকে ফিরেই ঠাকুরগাঁও যাবেন হিরো আলম, শুরু করবেন নির্বাচনী প্রস্তুতি  মায়ের মৃত্যুতে ৫ ঘণ্টার জন্য মুক্তি পেলেন চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ভারতে ব্রিকস সম্মেলনে যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী সম্পত্তি হস্তান্তর আইন বাতিল না করলে সব বিভাগীয় শহরে সমাবেশ-বিক্ষোভ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক বক্তব্যের সঙ্গে ভারত সরকারের সম্পৃক্ততা নেই: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরও যোগ দিতে পারে: এরদোয়ান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬
  • ৬২ বার পড়া হয়েছে

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরও যোগ দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। কায়রোর এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জোটটি ভবিষ্যতে আরও সদস্য গ্রহণের জন্য উন্মুক্ত।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। আল জাজিরারআল মুকাবালাঅনুষ্ঠানের জন্য দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চুক্তির কোনো সদস্য রাষ্ট্র বাইরের কোনো পক্ষের সশস্ত্র হামলার শিকার হলে তিন দেশ সমন্বিতভাবে পদক্ষেপ নেবে। ভবিষ্যতে জোট সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি। তাঁর মতে, সম্ভাব্য নতুন সদস্যদের তালিকায় মিসর রয়েছে।

মক্কা প্যাক্টনামে পরিচিত চুক্তিটি গত শুক্রবার পবিত্র মক্কা নগরীতে স্বাক্ষর করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ কারণে বিশ্লেষকেরা এর যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামোকে ন্যাটোর আর্টিকেল ৫এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তিটিকে ন্যাটোর সমতুল্য হিসেবে দেখা ঠিক হবে না এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়।

সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন এরদোয়ান। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা এবং সিরিয়া, গাজা ও লেবাননের চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়া আঙ্কারার অন্যতম অগ্রাধিকার। তার মতে, হরমুজ বন্ধ থাকা কোনো পক্ষেরই স্বার্থে নয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ফেসবুকে গালিগালাজ নিয়ন্ত্রণে আইন করবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

তুরস্ক-সৌদি-পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরও যোগ দিতে পারে: এরদোয়ান

আপডেট সময় ১১:৩৪:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬

তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে স্বাক্ষরিত যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে মিসরও যোগ দিতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। কায়রোর এই চুক্তিতে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জোটটি ভবিষ্যতে আরও সদস্য গ্রহণের জন্য উন্মুক্ত।

মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিকে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা হিসেবে উল্লেখ করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। আল জাজিরারআল মুকাবালাঅনুষ্ঠানের জন্য দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, চুক্তির কোনো সদস্য রাষ্ট্র বাইরের কোনো পক্ষের সশস্ত্র হামলার শিকার হলে তিন দেশ সমন্বিতভাবে পদক্ষেপ নেবে। ভবিষ্যতে জোট সম্প্রসারণের সম্ভাবনার কথাও জানান তিনি। তাঁর মতে, সম্ভাব্য নতুন সদস্যদের তালিকায় মিসর রয়েছে।

মক্কা প্যাক্টনামে পরিচিত চুক্তিটি গত শুক্রবার পবিত্র মক্কা নগরীতে স্বাক্ষর করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলা হলে সেটিকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এ কারণে বিশ্লেষকেরা এর যৌথ প্রতিরক্ষা কাঠামোকে ন্যাটোর আর্টিকেল ৫এর সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে পাকিস্তানি কর্মকর্তারা বলেছেন, চুক্তিটিকে ন্যাটোর সমতুল্য হিসেবে দেখা ঠিক হবে না এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়।

সাক্ষাৎকারে আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়েও কথা বলেছেন এরদোয়ান। হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা এবং সিরিয়া, গাজা ও লেবাননের চলমান সংঘাত প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রণালিটি পুনরায় খুলে দেওয়া আঙ্কারার অন্যতম অগ্রাধিকার। তার মতে, হরমুজ বন্ধ থাকা কোনো পক্ষেরই স্বার্থে নয়। একই সঙ্গে আঞ্চলিক সংঘাত নিরসনে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার প্রশংসা করেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট।