ঢাকা , রবিবার, ১৭ মে ২০২৬, ৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মন্তব্য, তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক “আইনশৃঙ্খলার এই ধারা অব্যাহত থাকলে সরকার নাই হয়ে যাবে” “ইরানের বেশিরভাগ মানুষের নাম মোহাম্মদ”— ট্রাম্পের মন্তব্যে নতুন বিতর্ক ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৪ বারের মতো পেছাল “ওসমান হাদির রক্তের সঙ্গে বেইমানি করেছে ইউনূস সরকার”- বরিশালে বিক্ষোভে মাসুমা হাদি মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে পত্রিকায় গ্রেপ্তারি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের নির্দেশ আদালতের অগ্রিম আয়কর প্রত্যাহারের দাবিতে এনবিআরের সামনে বাইকারদের মানববন্ধন ডুয়েটে সংঘর্ষের ঘটনায় তদন্ত ও শাস্তির দাবি ছাত্রদলের এবার জাবির প্রশাসনিক ভবনে তালা একদল শিক্ষার্থীর আমপাতা জোড়া জোড়া’ নিয়ে এলেন কনা

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ভিসি জামায়াতের, বাকিগুলো কাদের: রিজভীকে ডা. তাহের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৯ বার পড়া হয়েছে

এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতার বক্তব্য অনুযায়ী দেশের ১৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জামায়াতের, তাহলে বাকিগুলো কাদের? জামায়াতের কেউ ভিসি হলে নিজ যোগ্যতায় হয়েছে। এসব বিতর্ক করে সমাধান পাওয়া যাবে না।’ গতকাল সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে গত রবিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, দেশের ১৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতপন্থী শিক্ষককে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলাফল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে পাওয়া গেছে বলেও মনে করেন তিনি। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন বিএনপির এ নেতা।

জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আছে ১০০টির ওপরে। আমি যদি ধরে নিই, ১৬টিতে জামায়াতে ইসলামীর লোক, আর বাকিটা কাদের লোক। আমার কাছে ১০টি পাখি আছে, আপনি বললেন, একটা পাখি উনি নিয়ে গেছেন। আর ৯টা কোথায় নিয়েছে, আপনি বললেন না। এগুলো হচ্ছে, এক ধরনের প্রোপাগান্ডা।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর যদি তারা ভিসি হয়, তাহলে তাদের যোগ্যতার বলে হয়েছে। আমি জানি না, কারা কারা জামায়াতে ইসলামীর ভিসি। বাকিগুলো তাহলে আরেকটা পার্টির। সেভাবে যদি আমরা বিতর্ক করি, তাহলে কি সমাধান পাওয়া যাবে? তিনটা সচিব যদি জামায়াতে ইসলামীর হয়, তাহলে বাকি ৯৭টি কার?

কয়েকটি দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করতে এ সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের দাবিগুলো হলো- জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা; আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘জয় বাংলা’ স্লোগানকে কেন্দ্র করে মন্তব্য, তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৬ ভিসি জামায়াতের, বাকিগুলো কাদের: রিজভীকে ডা. তাহের

আপডেট সময় ০১:৩৮:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫

এবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের বলেছেন, ‘বিএনপি নেতার বক্তব্য অনুযায়ী দেশের ১৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি জামায়াতের, তাহলে বাকিগুলো কাদের? জামায়াতের কেউ ভিসি হলে নিজ যোগ্যতায় হয়েছে। এসব বিতর্ক করে সমাধান পাওয়া যাবে না।’ গতকাল সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে গত রবিবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করে বলেন, দেশের ১৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জামায়াতপন্থী শিক্ষককে ভিসি নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলাফল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে পাওয়া গেছে বলেও মনে করেন তিনি। রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে এসব কথা বলেন বিএনপির এ নেতা।

জামায়াতের সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি আছে ১০০টির ওপরে। আমি যদি ধরে নিই, ১৬টিতে জামায়াতে ইসলামীর লোক, আর বাকিটা কাদের লোক। আমার কাছে ১০টি পাখি আছে, আপনি বললেন, একটা পাখি উনি নিয়ে গেছেন। আর ৯টা কোথায় নিয়েছে, আপনি বললেন না। এগুলো হচ্ছে, এক ধরনের প্রোপাগান্ডা।

তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামীর যদি তারা ভিসি হয়, তাহলে তাদের যোগ্যতার বলে হয়েছে। আমি জানি না, কারা কারা জামায়াতে ইসলামীর ভিসি। বাকিগুলো তাহলে আরেকটা পার্টির। সেভাবে যদি আমরা বিতর্ক করি, তাহলে কি সমাধান পাওয়া যাবে? তিনটা সচিব যদি জামায়াতে ইসলামীর হয়, তাহলে বাকি ৯৭টি কার?

কয়েকটি দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করতে এ সংবাদ সম্মেলন করেছে জামায়াতে ইসলামী। তাদের দাবিগুলো হলো- জুলাই সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন আয়োজন করা; আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু করা; অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে সকলের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা; ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল জুলুম-নির্যাতন, গণহত্যা ও দুর্নীতির বিচার দৃশ্যমান করা এবং স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।