ঢাকা , শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা ঢাকতে তেল সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে জামায়াত: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনকে গ্রেফতার করে বিচারের দাবি এনসিপির অর্ডার করেছিলেন আইফোন, পার্সেলে মিলল তেল যে রোগে মাঝে মাঝে অচেতন হয়ে যান সাহাবুদ্দিন স্পিকারের বাসভবনে জারি হলো ভিভিআইপি নিরাপত্তা ৫টা এক মিনিটে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন, আমি দায়িত্ব নিয়েছি: স্পিকার রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার ছুরিকাঘাতে আহত পুলিশ কর্মকর্তা, শরীরে ৪৩ সেলাই যুক্তরাজ্যে মা-মেয়েসহ ৩ ব্রিটিশ-বাংলাদেশির প্রাণ গেল সাগরে পদত্যাগপত্রে নিজের ৫ গুরুতর রোগ জানালেন রাষ্ট্রপতি

কাফনের কাপড়ে সড়কে শুয়ে রিজভীর গাড়ি আটকে দিলেন নেতাকর্মীরা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • ৪৬৩ বার পড়া হয়েছে

এবার পটুয়াখালীতে কাফনের কাপড় পরে সড়কে শুয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেছেন নেতাকর্মীরা। জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. রিমানুল ইসলাম রিমুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।

আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার কাজিরহাট বাজারে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। রুহুল কবির রিজভীর গাড়ি কাজিরহাট ব্রিজে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় পরে সড়কে শুয়ে পড়েন। প্রায় আধঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

জানা গেছে, এক অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা দিতে পটুয়াখালী আসেন রুহুল কবির রিজভী। তার আগমনসংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা ও উপজেলা যুবদলের একাংশ সড়কে জড়ো হয়ে বহিষ্কৃত নেতা রিমুর পুনর্বহালের দাবি জানান।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, রিমুকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলনের পর একটি ঘটনায় যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সে সময় জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে রিমুর সমর্থকদের দাবি, এটি রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত।

স্থানীয় যুবদল নেতারা জানান, রিমু ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির একাধিক মিছিল, সমাবেশ এবং সাংগঠনিক কাজে তার ভূমিকা রয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সাংগঠনিক প্রস্তুতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন।

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ আন্দোলন স্থলে বলেন, রিমু ভাই না থাকলে দলের যখন দুঃসময়, তখন পটুয়াখালীতে বিএনপির কোনো মিছিল-সমাবেশ হতো না। তিনি ১৭ বছর ধরে রাজপথে ছিলেন। কঠিন সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এমন একজন ত্যাগী নেতাকে বহিষ্কারাদেশ দিয়ে দূরে রাখা ঠিক হয়নি। আমরা তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই।

পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আমি একটি মানবিক কাজে এসেছি, দলের কোনো বিষয় দেখতে আসিনি। তারপরও আপনারা বিষয়টি বলেছেন, আমি শীর্ষ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানাব, বিবেচনা করা হবে। তার আশ্বাসের পর নেতাকর্মীরা সড়ক থেকে সরে দাঁড়ান এবং ব্রিজে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নারী কেলেঙ্কারির ঘটনা ঢাকতে তেল সংকটের গুজব ছড়াচ্ছে জামায়াত: প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ

কাফনের কাপড়ে সড়কে শুয়ে রিজভীর গাড়ি আটকে দিলেন নেতাকর্মীরা

আপডেট সময় ০৫:৪৬:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

এবার পটুয়াখালীতে কাফনের কাপড় পরে সড়কে শুয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ করেছেন নেতাকর্মীরা। জেলা যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও সদর উপজেলা যুবদলের সাবেক আহ্বায়ক মো. রিমানুল ইসলাম রিমুর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহারের দাবিতে তারা এই কর্মসূচি পালন করেন।

আজ রোববার (১৬ নভেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় পটুয়াখালী সদর উপজেলার কাজিরহাট বাজারে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। রুহুল কবির রিজভীর গাড়ি কাজিরহাট ব্রিজে পৌঁছালে নেতাকর্মীরা কাফনের কাপড় পরে সড়কে শুয়ে পড়েন। প্রায় আধঘণ্টা তারা সড়ক অবরোধ করে রাখেন।

জানা গেছে, এক অসহায় ও হতদরিদ্র পরিবারকে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা দিতে পটুয়াখালী আসেন রুহুল কবির রিজভী। তার আগমনসংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়লে জেলা ও উপজেলা যুবদলের একাংশ সড়কে জড়ো হয়ে বহিষ্কৃত নেতা রিমুর পুনর্বহালের দাবি জানান।

দলীয় সূত্রে জানা যায়, রিমুকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের আন্দোলনের পর একটি ঘটনায় যুবদল থেকে বহিষ্কার করা হয়। সে সময় জেলা যুবদলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগেই এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে রিমুর সমর্থকদের দাবি, এটি রাজনৈতিক ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সিদ্ধান্ত।

স্থানীয় যুবদল নেতারা জানান, রিমু ২০০৭ সালের সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় থেকে বিএনপির আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন। দক্ষিণাঞ্চলে বিএনপির একাধিক মিছিল, সমাবেশ এবং সাংগঠনিক কাজে তার ভূমিকা রয়েছে। সম্প্রতি জাতীয় নির্বাচন ঘিরে সাংগঠনিক প্রস্তুতিতেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতেন।

পটুয়াখালী সদর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ আন্দোলন স্থলে বলেন, রিমু ভাই না থাকলে দলের যখন দুঃসময়, তখন পটুয়াখালীতে বিএনপির কোনো মিছিল-সমাবেশ হতো না। তিনি ১৭ বছর ধরে রাজপথে ছিলেন। কঠিন সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। এমন একজন ত্যাগী নেতাকে বহিষ্কারাদেশ দিয়ে দূরে রাখা ঠিক হয়নি। আমরা তার বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার চাই।

পরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে কথা বলেন রুহুল কবির রিজভী। তিনি বলেন, আমি একটি মানবিক কাজে এসেছি, দলের কোনো বিষয় দেখতে আসিনি। তারপরও আপনারা বিষয়টি বলেছেন, আমি শীর্ষ নেতৃত্বকে বিষয়টি জানাব, বিবেচনা করা হবে। তার আশ্বাসের পর নেতাকর্মীরা সড়ক থেকে সরে দাঁড়ান এবং ব্রিজে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।