ঢাকা , সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সালমান এক সময় আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকত: মেঘনা আলম ১২৩ বছরেও চশমা ছাড়াই কোরআন পড়েন ভাষা আন্দোলনের সাক্ষী আব্বাস জামায়াতের উত্থান দেশকে ধর্মযুদ্ধের দিকে নিয়ে যেতে পারে: নুরুল হক নূর ‘তারার কাছে পৌঁছানোর সাহস রাখো আর তোমার প্রতিটি স্বপ্নকে বাস্তবে রূপ দাও’ খুঁটিতে বাঁধা সেই বাবার পাশে প্রশাসন, মেয়ে তুবার পড়াশোনার দায়িত্ব নিলেন ইউএনও কেন্দ্র থেকে বহিষ্কৃত দুই যুবদল নেতাকে সভাপতি ঘোষণা এমপির প্রার্থী জিয়ার সৈনিক না হলে পরীক্ষায় বসতে দিয়েন না: রাকসু জিএস আম্মার দিল্লির সড়কে তরুণকে চড় মন্ত্রীর, পাল্টা হাত তুললো তরুণও চকলেট দেয়ার কথা বলে অফিসের সব কর্মীকে আইফোন উপহার দিলেন নারী বস সংবিধানে ফিরছে ‘মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস’

বাংলাদেশও বিশ্বকাপে খেলতে পারে, সেটিই হলো ফিফার উদ্দেশ্য: সভাপতি ইনফান্তিনো

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৩০৫ বার পড়া হয়েছে

চলতি বছরের আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসবে ফিফা বিশ্বকাপের আসর। এই আসর সামনে রেখে গত বুধবার ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশ সফরে আসে। এ ট্রফি খুব কাছ থেকে দেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও শেখ মোরসালিনরা। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, নতুন প্রজন্মের হাত ধরে সাউথ এশিয়ান অঞ্চল থেকে একদিন ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। এদিকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারেন বলে মনে করেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক অনুসারী ইনফান্তিনোকে প্রশ্ন করেছেন, বাংলাদেশ কি কখনো বিশ্বকাপ খেলবে? উত্তরে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘অবশ্যই, বাংলাদেশ ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারে। বাংলাদেশ ও অন্য দেশগুলো প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে যেন অংশ নিতে পারে, সেটিই হলো ফিফার উদ্দেশ্য। আগামী বছরের বিশ্বকাপে আমাদের বেশ কয়েকটি নতুন দল রয়েছে। তারা আগে কখনো খেলেনি। আমাদের এখানে আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দ, কনকাকাফ অঞ্চল থেকে কুরাসাও রয়েছে। এখানে উজবেকিস্তান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে এবং জর্ডান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে।’

ইনফান্তিনো আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ফুটবলের দারুণ এক দেশ। যেখানে এখন ফুটবল উন্নতি করছে। তাদের অবশ্যই সুযোগ আছে (বিশ্বকাপে খেলার)। বাংলাদেশ ফুটবল ও ফুটবল সংশ্লিষ্টদের উন্নতিতে ফিফা প্রচুর বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব জায়গায় প্রতিভা রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে খেলতে পারে বাংলাদেশ, সেটিই দেখার অপেক্ষায় আছি।’ বিশ্বকাপ তো অনেক দূরের পথ। বাংলাদেশ এখনো এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে একবারের বেশি খেলতে পারেনি। ১৯৮০ সালে এশিয়ান বাছাই পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে খেলেছিল। এবার থেকে মূল পর্বে খেলার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। তবে বর্তমানে দেশের ফুটবলে নতুন জাগরণ হয়েছে।

দেওয়ান হামজা চৌধুরী, শমিত সোমদের মতো প্রতিভাবান ও অভিজ্ঞ ফুটবলাররা যোগ দেওয়ায় সাউথ এশিয়ান অঞ্চলে অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। হামজাদের ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে দেশের ফুটবলে। তাদের হাত ধরে দ্রুতগতিতেই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের ফুটবল এবং ধাপে ধাপে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নও একদিন পূরণ হয়ে যেতে পারে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সালমান এক সময় আমার বাসায় বাসন ধুয়ে দিতেও আসতে রাজি থাকত: মেঘনা আলম

বাংলাদেশও বিশ্বকাপে খেলতে পারে, সেটিই হলো ফিফার উদ্দেশ্য: সভাপতি ইনফান্তিনো

আপডেট সময় ০৯:১৫:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

চলতি বছরের আগামী জুনে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে বসবে ফিফা বিশ্বকাপের আসর। এই আসর সামনে রেখে গত বুধবার ফিফা বিশ্বকাপ ট্রফি বাংলাদেশ সফরে আসে। এ ট্রফি খুব কাছ থেকে দেখেছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের অধিনায়ক জামাল ভূঁইয়া ও শেখ মোরসালিনরা। তাদের দৃঢ় বিশ্বাস, নতুন প্রজন্মের হাত ধরে সাউথ এশিয়ান অঞ্চল থেকে একদিন ফিফা বিশ্বকাপে খেলবে বাংলাদেশ। এদিকে বিশ্বকাপে বাংলাদেশ খেলতে পারেন বলে মনে করেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোও।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে এক অনুসারী ইনফান্তিনোকে প্রশ্ন করেছেন, বাংলাদেশ কি কখনো বিশ্বকাপ খেলবে? উত্তরে ফিফা সভাপতি বলেন, ‘অবশ্যই, বাংলাদেশ ফিফা বিশ্বকাপে খেলতে পারে। বাংলাদেশ ও অন্য দেশগুলো প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপে যেন অংশ নিতে পারে, সেটিই হলো ফিফার উদ্দেশ্য। আগামী বছরের বিশ্বকাপে আমাদের বেশ কয়েকটি নতুন দল রয়েছে। তারা আগে কখনো খেলেনি। আমাদের এখানে আফ্রিকা থেকে কেপ ভার্দ, কনকাকাফ অঞ্চল থেকে কুরাসাও রয়েছে। এখানে উজবেকিস্তান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে এবং জর্ডান রয়েছে যারা প্রথমবারের মতো কোয়ালিফাই করেছে।’

ইনফান্তিনো আরো বলেন, ‘বাংলাদেশ ফুটবলের দারুণ এক দেশ। যেখানে এখন ফুটবল উন্নতি করছে। তাদের অবশ্যই সুযোগ আছে (বিশ্বকাপে খেলার)। বাংলাদেশ ফুটবল ও ফুটবল সংশ্লিষ্টদের উন্নতিতে ফিফা প্রচুর বিনিয়োগ করছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব জায়গায় প্রতিভা রয়েছে এবং অদূর ভবিষ্যতে বিশ্বকাপে খেলতে পারে বাংলাদেশ, সেটিই দেখার অপেক্ষায় আছি।’ বিশ্বকাপ তো অনেক দূরের পথ। বাংলাদেশ এখনো এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ মঞ্চে একবারের বেশি খেলতে পারেনি। ১৯৮০ সালে এশিয়ান বাছাই পর্ব পেরিয়ে চূড়ান্ত পর্বে খেলেছিল। এবার থেকে মূল পর্বে খেলার স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। তবে বর্তমানে দেশের ফুটবলে নতুন জাগরণ হয়েছে।

দেওয়ান হামজা চৌধুরী, শমিত সোমদের মতো প্রতিভাবান ও অভিজ্ঞ ফুটবলাররা যোগ দেওয়ায় সাউথ এশিয়ান অঞ্চলে অন্যতম শক্তিশালী দলে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ। হামজাদের ঘিরে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে দেশের ফুটবলে। তাদের হাত ধরে দ্রুতগতিতেই সামনের দিকে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশের ফুটবল এবং ধাপে ধাপে বিশ্বকাপ খেলার স্বপ্নও একদিন পূরণ হয়ে যেতে পারে।