ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা ১১ দলীয় জোটে আসন সমঝোতা চূড়ান্ত, সর্বোচ্চ ১৯০ আসন জামায়াতে ইসলামী ভোলায় বালিশ চাপায় স্ত্রীকে হত্যা, পাষণ্ড স্বামী আটক ফ্যামিলি ও কৃষি কার্ড বিতরণ বন্ধের দাবি জামায়াতের, সিইসির সঙ্গে বৈঠকে প্রটোকল সমতার আহ্বান জাতীয় পরিচয়পত্র জালিয়াতি ও তথ্য বিক্রি করে মাসে কোটি টাকার বেশি আয়; নির্বাচন কমিশনের দুই কর্মচারী গ্রেফতার বাউফলে ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে পেট্রোল ঢেলে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ বাউফলে জামায়াতের নেতা–কর্মীদের ওপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন শেষ মুহূর্তে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন রাশেদ প্রধান ‘১১ দলীয় নির্বাচনী ঐক্য’ নামে নির্বাচনে অংশ নেবে ১১ দল বিসিবির টাকা এসেছে ক্রিকেটারদের শ্রমে ঘামে: মেহেদী মিরাজ

মির্জা আব্বাস–আমান উল্লাহ আমানসহ ৪৫ জন অব্যাহতি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৮৭৭৭ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর পল্টন ও শাহজাহানপুর থানায় দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের দুই মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানসহ মোট ৪৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (আজ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে আসামিপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মহি উদ্দিন চৌধুরী জানান, দ্রুত বিচার আইনের পৃথক দুই থানার মামলায় আজ অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিকালে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত যুক্তি শুনে আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট আসামিদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেন।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ আরও অনেকে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের কাজে বাধা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। একই বছরের ২৬ মার্চ ওই মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এছাড়া একই ধরনের অভিযোগে ২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানপুর থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত আসন ঘোষণা

মির্জা আব্বাস–আমান উল্লাহ আমানসহ ৪৫ জন অব্যাহতি

আপডেট সময় ০৩:২৫:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর পল্টন ও শাহজাহানপুর থানায় দায়ের করা দ্রুত বিচার আইনের দুই মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৮ আসনে দলটির মনোনীত প্রার্থী মির্জা আব্বাস, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা আমান উল্লাহ আমানসহ মোট ৪৫ জনকে অব্যাহতির আদেশ দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (আজ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত অভিযোগ গঠনের শুনানি শেষে আসামিপক্ষের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী মহি উদ্দিন চৌধুরী জানান, দ্রুত বিচার আইনের পৃথক দুই থানার মামলায় আজ অভিযোগ গঠনের শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিল। শুনানিকালে আসামিদের অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করা হলে আদালত যুক্তি শুনে আবেদন মঞ্জুর করেন এবং সংশ্লিষ্ট আসামিদের মামলার দায় থেকে অব্যাহতি দেন।

অব্যাহতিপ্রাপ্ত উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ও ঢাকা-১২ আসনের প্রার্থী সাইফুল আলম নিরব, বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, ঢাকা-৯ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ হাবিবসহ আরও অনেকে।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, পুলিশের কাজে বাধা ও ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে ২০১৩ সালের মার্চ মাসে পল্টন মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। একই বছরের ২৬ মার্চ ওই মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ২৬ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এছাড়া একই ধরনের অভিযোগে ২০১৩ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি শাহজাহানপুর থানায় আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছিল।