ঢাকা , বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬, ৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প বিকেলে বাবার দাফন, রাতে এটিএম বুথে ডিউটি, সকালে এইচএসসি পরীক্ষা পারেদেসের লাল কার্ড ‘বাতিল করল’ ফিফা ফিফায় ইনফান্তিনোর সময় শেষ হয়ে গেছে: স্প্যানিশ লা লিগা সভাপতি নতুন বাংলাদেশ গড়তে এনসিপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: হাসনাত আব্দুল্লাহ রাহুলকে কোথায় নেওয়া হয়েছে জানাচ্ছে না দিল্লি পুলিশ: কংগ্রেস রক্তে ইনফেকশন, প্লাটিলেট ৩৪ হাজার—গুরুতর অসুস্থ নয়ন দোয়া চাইলেন ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে নিরাপত্তা চাইলেন এমপি নজরুলের ড্রাইভার বাবা-ভাইসহ এনসিপি নেতা কাফির বিরুদ্ধে মামলা শিক্ষক ছাড়াও স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না যারা

দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ পড়ার আহ্বান

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১৩০ বার পড়া হয়েছে

এবার দেশের সব মসজিদে পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবিহ একই পদ্ধতিতে পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবিহ নামাজ আদায় অর্থাৎ প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে খতমে তারাবিহ আদায়ের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী, কর্মজীবী, ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে পবিত্র কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটা অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। পবিত্র কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম করা সম্ভব হবে। এমতাবস্থায় দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে প্রতিদিন পবিত্র কোরআনের নিম্নলিখিত সূরা ও আয়াত তিলাওয়াত করার জন্য মসজিদের সম্মানিত খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে অনুরোধ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম তারাবিহ সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার ১ আয়াত থেকে ২০৩ আয়াত পর্যন্ত, দ্বিতীয় তারাবিহ সুরা বাকারার ২০৪ আয়াত থেকে সুরা আল ইমরানের ৯১ আয়াত পর্যন্ত, তৃতীয় তারাবিহ সুরা আল ইমরানের ৯২ আয়াত থেকে সুরা নিসার ৮৭ আয়াত পর্যন্ত, চতুর্থ তারাবিহ সুরা নিসার ৮৮ আয়াত থেকে সুরা মায়িদার ৮২ আয়াত পর্যন্ত, পঞ্চম তারাবিহ সুরা মায়িদার ৮৩ আয়াত থেকে সুরা আরাফের ১১ আয়াত পর্যন্ত, ষষ্ঠ তারাবিহ সুরা আরাফের ১২ আয়াত থেকে সুরা আনফালের ৪০ আয়াত পর্যন্ত, সপ্তম তারাবিহ সুরা আনফালের ৪১ আয়াত থেকে সুরা তাওবার ৯৩ আয়াত পর্যন্ত, অষ্টম তারাবিহ সুরা তওবার ৯৪ আয়াত থেকে সুরা হুদের ৫ আয়াত পর্যন্ত, নবম তারাবিহ সুরা হুদের ৬ আয়াত থেকে সুরা ইউসুফের ৫২ আয়াত পর্যন্ত, ১০ম তারাবিহ সুরা ইউসূফের ৫৩ আয়াত থেকে সুরা হিজরের ১ আয়াত পর্যন্ত, ১১তম তারাবিহ সুরা হিজরের ২ আয়াত থেকে সুরা নাহলের শেষ পর্যন্ত, ১২তম তারাবিহ সুরা বনি ইসরাঈলের ১ আয়াত থেকে সুরা কাহাফের ৭৪ আয়াত পর্যন্ত, ১৩তম তারাবিহ সুরা কাহাফের ৭৫ আয়াত থেকে সুরা ত্বহার শেষ পর্যন্ত,

১৪তম তারাবিহ সুরা আম্বিয়ার ১ আয়াত থেকে সুরা হজের শেষ পর্যন্ত, ১৫তম তারাবি সুরা মুমিনুনের ১ আয়াত থেকে সুরা ফুরকানের ২০ আয়াত তারাবিহ, ১৬তম তারাবিহ সুরা ফুরকানের ২১ আয়াত থেকে সুরা নামলের ৫৯ আয়াত পর্যন্ত, ১৭তম তারাবিহ সুরা নামলের ৬০ আয়াত থেকে সুরা আনকাবুতের ৪৪ আয়াত পর্যন্ত, ১৮তম তারাবিহ সুরা আনকাবুতের ৪৫ আয়াত থেকে সুরা আহযাবের ৩০ আয়াত পর্যন্ত, ১৯তম তারাবিহ সুরা আহযাবের ৩১ আয়াত থেকে সুরা ইয়াসিনের ২১ আয়াত পর্যন্ত, ২০তম তারাবিহ সুরা ইয়াসিনের ২২ আয়াত থেকে সুরা যুমারের ৩১ আয়াত পর্যন্ত, ২১তম তারাবিহ সুরা যুমারের ৩২ আয়াত থেকে সুরা হামীম সিজদাহের ৪৬ আয়াত পর্যন্ত, ২২তম তারাবিহ সুরা হামীম সিজদাহর ৪৭ আয়াত থেকে সুরা জাছিয়ার শেষ পর্যন্ত, ২৩তম তারাবিহ সুরা আহক্বাফের ১ আয়াত থেকে সুরা যারিয়াতের ৩০ আয়াত পর্যন্ত, ২৪তম তারাবিহ সুরা যারিয়াতের ৩১ আয়াত থেকে সুরা হাদীদের শেষ পর্যন্ত, ২৫তম তারাবিহ সুরা মুজাদালাহর ১ আয়াত থেকে সুরা তাহরীমের শেষ পর্যন্ত, ২৬তম তারাবিহ সুরা মুলকের ১ আয়াত থেকে সুরা মুরসালাতের শেষ পর্যন্ত এবং ২৭তম তারাবিহ সুরা নাবার ১ আয়াত থেকে সুরা নাস পর্যন্ত।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানে হামলা না চালালে আজ ইসরায়েলের অস্তিত্ব থাকত না: ট্রাম্প

দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতিতে খতমে তারাবিহ পড়ার আহ্বান

আপডেট সময় ১১:২৭:২৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার দেশের সব মসজিদে পবিত্র রমজান মাসে খতমে তারাবিহ একই পদ্ধতিতে পড়ার আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) ফাউন্ডেশনের জনসংযোগ শাখার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের সব মসজিদে একই পদ্ধতি অনুসরণ করে খতমে তারাবিহ নামাজ আদায় অর্থাৎ প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং পরবর্তী ২১ দিনে এক পারা করে তিলাওয়াতের মাধ্যমে খতমে তারাবিহ আদায়ের জন্য ইসলামিক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, পবিত্র রমজান মাসে দেশের প্রায় সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে পবিত্র কোরআনের নির্দিষ্ট পরিমাণ পারা তিলাওয়াত করার রেওয়াজ চালু আছে। তবে কোনো কোনো মসজিদে এর ভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়। এতে করে বিভিন্ন স্থানে যাতায়াতকারী, কর্মজীবী, ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের মধ্যে পবিত্র কোরআন খতমের ধারাবাহিকতা রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এই অবস্থায় ধর্মপ্রাণ মুসল্লিদের মধ্যে একটা অতৃপ্তি ও মানসিক চাপ অনুভূত হয়। পবিত্র কোরআন খতমের পূর্ণ সওয়াব থেকেও তারা বঞ্চিত হন। এ পরিস্থিতি নিরসনকল্পে পবিত্র রমজান মাসের প্রথম ৬ দিনে দেড় পারা করে ৯ পারা এবং বাকি ২১ দিনে ১ পারা করে ২১ পারা তিলাওয়াত করলে ২৭ রমজান রাতে অর্থাৎ পবিত্র শবে কদরে পবিত্র কোরআন খতম করা সম্ভব হবে। এমতাবস্থায় দেশের সব মসজিদে খতমে তারাবিহ নামাজে প্রতিদিন পবিত্র কোরআনের নিম্নলিখিত সূরা ও আয়াত তিলাওয়াত করার জন্য মসজিদের সম্মানিত খতিব, ইমাম, মসজিদ কমিটি, মুসল্লি এবং সংশ্লিষ্ট সবার কাছে অনুরোধ করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রথম তারাবিহ সুরা ফাতেহা ও সুরা বাকারার ১ আয়াত থেকে ২০৩ আয়াত পর্যন্ত, দ্বিতীয় তারাবিহ সুরা বাকারার ২০৪ আয়াত থেকে সুরা আল ইমরানের ৯১ আয়াত পর্যন্ত, তৃতীয় তারাবিহ সুরা আল ইমরানের ৯২ আয়াত থেকে সুরা নিসার ৮৭ আয়াত পর্যন্ত, চতুর্থ তারাবিহ সুরা নিসার ৮৮ আয়াত থেকে সুরা মায়িদার ৮২ আয়াত পর্যন্ত, পঞ্চম তারাবিহ সুরা মায়িদার ৮৩ আয়াত থেকে সুরা আরাফের ১১ আয়াত পর্যন্ত, ষষ্ঠ তারাবিহ সুরা আরাফের ১২ আয়াত থেকে সুরা আনফালের ৪০ আয়াত পর্যন্ত, সপ্তম তারাবিহ সুরা আনফালের ৪১ আয়াত থেকে সুরা তাওবার ৯৩ আয়াত পর্যন্ত, অষ্টম তারাবিহ সুরা তওবার ৯৪ আয়াত থেকে সুরা হুদের ৫ আয়াত পর্যন্ত, নবম তারাবিহ সুরা হুদের ৬ আয়াত থেকে সুরা ইউসুফের ৫২ আয়াত পর্যন্ত, ১০ম তারাবিহ সুরা ইউসূফের ৫৩ আয়াত থেকে সুরা হিজরের ১ আয়াত পর্যন্ত, ১১তম তারাবিহ সুরা হিজরের ২ আয়াত থেকে সুরা নাহলের শেষ পর্যন্ত, ১২তম তারাবিহ সুরা বনি ইসরাঈলের ১ আয়াত থেকে সুরা কাহাফের ৭৪ আয়াত পর্যন্ত, ১৩তম তারাবিহ সুরা কাহাফের ৭৫ আয়াত থেকে সুরা ত্বহার শেষ পর্যন্ত,

১৪তম তারাবিহ সুরা আম্বিয়ার ১ আয়াত থেকে সুরা হজের শেষ পর্যন্ত, ১৫তম তারাবি সুরা মুমিনুনের ১ আয়াত থেকে সুরা ফুরকানের ২০ আয়াত তারাবিহ, ১৬তম তারাবিহ সুরা ফুরকানের ২১ আয়াত থেকে সুরা নামলের ৫৯ আয়াত পর্যন্ত, ১৭তম তারাবিহ সুরা নামলের ৬০ আয়াত থেকে সুরা আনকাবুতের ৪৪ আয়াত পর্যন্ত, ১৮তম তারাবিহ সুরা আনকাবুতের ৪৫ আয়াত থেকে সুরা আহযাবের ৩০ আয়াত পর্যন্ত, ১৯তম তারাবিহ সুরা আহযাবের ৩১ আয়াত থেকে সুরা ইয়াসিনের ২১ আয়াত পর্যন্ত, ২০তম তারাবিহ সুরা ইয়াসিনের ২২ আয়াত থেকে সুরা যুমারের ৩১ আয়াত পর্যন্ত, ২১তম তারাবিহ সুরা যুমারের ৩২ আয়াত থেকে সুরা হামীম সিজদাহের ৪৬ আয়াত পর্যন্ত, ২২তম তারাবিহ সুরা হামীম সিজদাহর ৪৭ আয়াত থেকে সুরা জাছিয়ার শেষ পর্যন্ত, ২৩তম তারাবিহ সুরা আহক্বাফের ১ আয়াত থেকে সুরা যারিয়াতের ৩০ আয়াত পর্যন্ত, ২৪তম তারাবিহ সুরা যারিয়াতের ৩১ আয়াত থেকে সুরা হাদীদের শেষ পর্যন্ত, ২৫তম তারাবিহ সুরা মুজাদালাহর ১ আয়াত থেকে সুরা তাহরীমের শেষ পর্যন্ত, ২৬তম তারাবিহ সুরা মুলকের ১ আয়াত থেকে সুরা মুরসালাতের শেষ পর্যন্ত এবং ২৭তম তারাবিহ সুরা নাবার ১ আয়াত থেকে সুরা নাস পর্যন্ত।