বরিশালে গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলমকে তাঁর কক্ষে ঢুকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে এক যুবদল নেতার বিরুদ্ধে।
আজ মঙ্গলবার দুপুরে ঠিকাদারি কাজ নিয়ে বিরোধের জেরে নির্বাহী প্রকৌশলীর কক্ষে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার ৬ মিনিটের একটি ভিডিও ফুটেজ পাওয়া গেছে।
এ নিয়ে নির্বাহী প্রকৌশলী ফয়সাল আলম এবং ঠিকাদার ও বরিশাল দক্ষিণ জেলা যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক আশ্রাফুল ইসলাম মাহফুজ পরস্পরকে দায়ী করে বক্তব্য দিয়েছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, গণপূর্তে তর্কাতর্কির একপর্যায়ে নির্বাহী প্রকৌশলীকে নানান হুমকি দেন মাহফুজ। একাধিকবার নির্বাহী প্রকৌশলীর দিকে তেড়ে যান। ওই কক্ষে তখন আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন। তারা মাহফুজকে নিবৃত্ত করেন।
জানা গেছে, মাহফুজ যুবদলের শীর্ষ এক নেতার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তারা প্রায়ই বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে ঢুকে এমন অপকর্ম করে আসছেন।
জানতে চাইলে গণপূর্তর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. ফয়সাল আলম জানান, বরিশাল শের-ই-বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে ১৫ লাখ টাকার একটি সংস্কার কাজ দরপত্র প্রতিযোগিতায় মোস্তাকিন বিল্ডার্স নামে প্রতিষ্ঠান পেয়েছে। কিন্তু পরবর্তীতে অর্থ অনুমোদন না হওয়ায় ওই প্রতিষ্ঠানের ঠিকাদার মাহফুজকে কার্যাদেশ দেননি। নতুন অর্থবছরে অর্থ বরাদ্দ পেলে ওই প্রতিষ্ঠানকে কার্যাদেশ দেওয়ার পরিকল্পনায় ছিলেন। কিন্তু মঙ্গলবার দুপুরে ঠিকাদার মাহফুজ কয়েকজন সঙ্গীসহ এসে ক্ষমতার দম্ভ দেখিয়ে তাঁর সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছেন এবং তাঁকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করতে একাধিকবার তেড়ে গেছেন।
তবে যুবদল নেতা মাহফুজ জানান, গত ২৯ এপ্রিল দরপত্র প্রতিযোগিতায় তিনি শেবাচিম হাসপাতালের ৩য় ও ৪র্থ তলায় ১৫ লাখ টাকার একটি সংস্কারকাজ পেয়েছেন। কিন্তু এ পর্যন্ত তাঁকে কার্যাদেশ দেওয়া হয়নি। পরে খোঁজ নিয়ে জানতে পারেন ওই কাজটি আগেই আরেক ঠিকাদারের মাধ্যমে সম্পন্ন করেছেন নির্বাহী প্রকৌশলী। ওই ঠিকাদার অর্ধেক কাজ করে পুরো বিল তুলে নিয়েছেন।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















