বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যেই ৭ হাজারেরও বেশি নেতাকর্মীকে পদচ্যুত বা বহিষ্কার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে তিনি এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তারেক রহমান বলেন, এই পদক্ষেপগুলো মূলত দুর্নীতি, চাঁদাবাজি ও অসদাচরণের অভিযোগের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। বহুমুখী অপপ্রচারের মধ্যেও শৃঙ্খলা রক্ষা করা অপরিহার্য ছিল, যা বিএনপির শক্তি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, দলের সদস্যদের দায়বদ্ধ করে দেখানো হয়েছে যে, বিএনপি সততার ক্ষেত্রে আন্তরিক এবং ক্ষমতাসীনদের কাছে যেসব মানদণ্ড দাবি করে, নিজেদেরও একই মানদণ্ডে দাঁড়ায়।
তিনি বলেন, বিএনপি দেশের প্রতিটি ভোটারের আস্থা নিশ্চিত করতে গ্রাম থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সাংগঠনিক কাঠামোকে আরও মজবুত করছে। তরুণ প্রজন্মের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে দলের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হচ্ছে।
তারেক রহমান আরও বলেন, দলের আধুনিকায়ন, অন্তর্ভুক্তি ও নারীর, তরুণ ও পেশাজীবী নেতৃত্বের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি জবাবদিহিমূলক, স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
এর আগে সোমবার রাতে গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের প্রস্তুতি হিসেবে অক্টোবরের মাঝামাঝিতে দেশব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু করা হবে। বৈঠকে ভার্চুয়ালি লন্ডন থেকে সভাপতিত্ব করেন তারেক রহমান।

