ঢাকা , শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু জামায়াত নেতাকে যুবলীগ কর্মীর ছুরিকাঘাত ইমরান খানের সঙ্গে যে আচরণ করা হচ্ছে, তা বর্বরতা- বললেন তাঁর বাংলাদেশি বন্ধু সিদ্ধিরগঞ্জে বিএনপি-গণঅধিকার পরিষদ নেতাদের মারামারি গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা বলে কিছু নেই: মমতা নেপালকে বড় অর্থ সহায়তা দিলো বাংলাদেশ ট্রাস্টের নামে অর্থ আত্মসাৎ: হাসিনা-রেহানাসহ ৩ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা ইসলামে অনুমতি নেই’ দাবি করে আফগানিস্তানে বিক্ষোভ নিষিদ্ধ করল সরকার র‌্যাব বিলুপ্তিতে একমত: নতুন বাহিনী নিয়ে সংসদে ‘বাহাস’ র‌্যাব বিলুপ্ত করে এসআরবি গঠনের বিল সংসদে উত্থাপন

শাপলা চত্বরের শহীদদের ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দিল সরকার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৪:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫
  • ৪৫১ বার পড়া হয়েছে

গত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের এবং ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। মোট ৭৭ শহীদ পরিবারের সবাইকে ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া । আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শহীদদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এসব চেক দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহীদ ৫৮ জন এবং ২০২১ সালের মার্চে মোদিবিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শহীদ ১৯ জনের পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা করে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। এ সময় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের শহীদদের নামে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হবে জানিয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, হেফাজত ইসলামের শহীদদের নামের তালিকা সংবলিত একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ শাপলা চত্বরে তৈরি করা হবে। এতে এই আন্দোলন আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণা জোগাবে। দেশের মানুষ তাদের আজীবন স্মরণ করে।

তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলামের সেই আন্দোলনের সূত্র থেকেই ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জন্ম। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকসুদ জাহিদী। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব মাওলানা মাজেদুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর প্রমুখ।

শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি বলেন, হেফাজতের আন্দোলনে লাখো মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সরকার ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। ভবিষ্যতে কেউ করতে চাইলে তাকেও রেহাই দেওয়া হবে না। তাই আগামীর সরকারগুলোকেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার আহ্বান জানান।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খুব শিগগিরই ইরানের ইসলামি শাসনব্যবস্থার পতন: নেতানিয়াহু

শাপলা চত্বরের শহীদদের ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দিল সরকার

আপডেট সময় ০৪:৫৬:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৫

গত ২০১৩ সালের শাপলা চত্বরের এবং ২০২১ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে শহীদদের ১০ লাখ টাকা করে অনুদান দিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। মোট ৭৭ শহীদ পরিবারের সবাইকে ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা অনুদানের চেক তুলে দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া । আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শহীদদের পরিবারকে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে এসব চেক দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞে শহীদ ৫৮ জন এবং ২০২১ সালের মার্চে মোদিবিরোধী বিক্ষোভ কর্মসূচিতে শহীদ ১৯ জনের পরিবারের কাছে ১০ লাখ টাকা করে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। এ সময় রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের শহীদদের নামে স্মৃতিস্তম্ভ তৈরি করা হবে জানিয়ে উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ বলেন, হেফাজত ইসলামের শহীদদের নামের তালিকা সংবলিত একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ শাপলা চত্বরে তৈরি করা হবে। এতে এই আন্দোলন আগামী প্রজন্মের জন্য প্রেরণা জোগাবে। দেশের মানুষ তাদের আজীবন স্মরণ করে।

তিনি আরো বলেন, হেফাজতে ইসলামের সেই আন্দোলনের সূত্র থেকেই ২০২৪ সালে ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের জন্ম। ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনের মুখে ফ্যাসিবাদের নেত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সচিব রেজাউল মাকসুদ জাহিদী। এতে আরো উপস্থিত ছিলেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী, মহাসচিব মাওলানা মাজেদুর রহমান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরোয়ার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির ও হেফাজতের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা মামুনুল হক, গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূর প্রমুখ।

শহীদ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা দেওয়ার জন্য স্থানীয় সরকার উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়াকে কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানান মাওলানা মুহিবুল্লাহ বাবুনগরী। তিনি বলেন, হেফাজতের আন্দোলনে লাখো মানুষের অংশগ্রহণ প্রমাণ করে, বাংলাদেশের সরকার ইসলামবিরোধী কর্মকাণ্ড করতে পারবে না। ভবিষ্যতে কেউ করতে চাইলে তাকেও রেহাই দেওয়া হবে না। তাই আগামীর সরকারগুলোকেও এ ধরনের কর্মকাণ্ড না করার আহ্বান জানান।