ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
নেইমারের সাইন করা ব্রাজিলের জার্সি পরে মাঠে ‘আর্জেন্টিনা ভক্ত’ সাকিব জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে জুলাই স্মৃতি স্তম্ভে আগুন এবার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত প্রথম ম্যাচেই বিশ্বকাপ জেতা যায় না: হোঁচট খেয়ে ব্রাজিল কোচ পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাখাইনদের সমস্যা সম্ভাবনা পর্যবেক্ষনে সিটিজেন ফর হিউম্যান রাইটসের প্রতিনিধি দল মিশরকে জার্সি থেকে সাত তারকা সরানোর নির্দেশ ফিফার  এখনো বিয়েই করিনি, গণঅধিকারের কিছু নেতা গুজব ছড়াচ্ছেন: মনিরা শারমিন বিশ্বকাপে ব্রাজিল-মরক্কো ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র ইরান-মার্কিন চুক্তির অংশ নয় ইসরায়েল: নেতানিয়াহু ‘সময় ফুরিয়ে আসছে’, সরকারের প্রতি কড়া বার্তা জামায়াত আমিরের

সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০২:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

এবার শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না। শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতিগঠনের প্রধান প্রকল্প। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি৷

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রথম শর্ত অর্থায়ন। গত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের প্রায় ১২ শতাংশের আশেপাশে থেকেছে এবং জিডিপির অনুপাতে তা দেড়দুই শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেছে, এটা একটি কাঠামোগত সীমা। কিন্তু আমাদের সরকারেরবিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়াএটা আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। আর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও বলে, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪৬ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫২০ শতাংশ এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে হবে। 

ববি হাজ্জাজ বলেন, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন শেষ ত্রৈমাসিকের হুড়োহুড়ি বন্ধ করতেই হবে। শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না খরচের গুণগত মান বদলাতে হবে। আমরা স্বীকার করছিউন্নয়ন বাজেটের একটা বড় অংশ বছরের শেষে হঠাৎ খরচ হয়এর ফলে বই, নির্মাণকাজ, প্রশিক্ষণসবকিছুই।  তিনি বলেন, সরকার উন্নয়ন ব্যয়কে আবার অগ্রাধিকার দেবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট ও মূল্যায়ন সক্ষমতা, স্কুল অবকাঠামোবিশেষ করে পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে৷

তিনি আরও বলেন, আমরা ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব পদ্ধতিতে যেতে চাই। আমাদের ইশতেহারে আছে ফ্রি ওয়াইফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব। ফলে আমরা এটাকে গ্যাজেট প্রজেক্ট বানাবো না। আমরা এটাকে বানাবো শিক্ষণশেখার অপারেটিং সিস্টেম। তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় আরেকটি ভাষা শেখাতে চাই। আন্তর্জাতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারে সহায়ক হবে এমন একটি ভাষা আমরা নির্বাচন করবো। আমাদের স্কুলগুলোকে বানাতে হবে ইনোভেশন স্পেস। আমরা মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমত আমাদের লক্ষ্যে হবে শুধু সনদ নয় বরং সক্ষমতা থাকবে৷

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নেইমারের সাইন করা ব্রাজিলের জার্সি পরে মাঠে ‘আর্জেন্টিনা ভক্ত’ সাকিব

সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

আপডেট সময় ০২:৩৯:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এবার শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ বলেছেন, সরকার শিক্ষাকে আর খরচের খাত হিসেবে দেখবে না। শিক্ষা হবে রাষ্ট্রের প্রথম বিনিয়োগ, মানবসম্পদের মূল কারখানা এবং জাতিগঠনের প্রধান প্রকল্প। আজ বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি৷

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা সবাই জানি, শিক্ষা ব্যবস্থার প্রথম শর্ত অর্থায়ন। গত বছরগুলোতে শিক্ষা খাতে বরাদ্দ মোট বাজেটের প্রায় ১২ শতাংশের আশেপাশে থেকেছে এবং জিডিপির অনুপাতে তা দেড়দুই শতাংশের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেছে, এটা একটি কাঠামোগত সীমা। কিন্তু আমাদের সরকারেরবিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নীতিগত অবস্থান পরিষ্কার, শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়াএটা আমাদের নির্বাচনী অঙ্গীকার। আর আন্তর্জাতিক মানদণ্ডও বলে, শিক্ষা খাতে জিডিপির ৪৬ শতাংশ এবং মোট সরকারি ব্যয়ের ১৫২০ শতাংশ এই লক্ষ্যগুলো অর্জন করতে হবে। 

ববি হাজ্জাজ বলেন, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন শেষ ত্রৈমাসিকের হুড়োহুড়ি বন্ধ করতেই হবে। শুধু বরাদ্দ বাড়ালেই হবে না খরচের গুণগত মান বদলাতে হবে। আমরা স্বীকার করছিউন্নয়ন বাজেটের একটা বড় অংশ বছরের শেষে হঠাৎ খরচ হয়এর ফলে বই, নির্মাণকাজ, প্রশিক্ষণসবকিছুই।  তিনি বলেন, সরকার উন্নয়ন ব্যয়কে আবার অগ্রাধিকার দেবে। শিক্ষক প্রশিক্ষণ, প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী করা, বিজ্ঞানাগার, গ্রন্থাগার, ভাষা ল্যাব, ডিজিটাল কনটেন্ট ও মূল্যায়ন সক্ষমতা, স্কুল অবকাঠামোবিশেষ করে পানি, স্যানিটেশন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে৷

তিনি আরও বলেন, আমরা ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব পদ্ধতিতে যেতে চাই। আমাদের ইশতেহারে আছে ফ্রি ওয়াইফাই, মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম, ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব। ফলে আমরা এটাকে গ্যাজেট প্রজেক্ট বানাবো না। আমরা এটাকে বানাবো শিক্ষণশেখার অপারেটিং সিস্টেম। তিনি আরও বলেন, আমরা বাংলা এবং ইংরেজির পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের তৃতীয় আরেকটি ভাষা শেখাতে চাই। আন্তর্জাতিক চাহিদা ও শ্রমবাজারে সহায়ক হবে এমন একটি ভাষা আমরা নির্বাচন করবো। আমাদের স্কুলগুলোকে বানাতে হবে ইনোভেশন স্পেস। আমরা মাধ্যমিক থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশমত আমাদের লক্ষ্যে হবে শুধু সনদ নয় বরং সক্ষমতা থাকবে৷