আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার দায়িত্ব নির্বাচন কমিশন ও আদালতের—এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনে দলের বার্ষিক আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দেওয়ার পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কে নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন আর কে পারবেন না, তা সম্পূর্ণভাবে আইন, আদালত এবং নির্বাচন কমিশনের এখতিয়ার। এ বিষয়ে অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের মতামত বিবেচ্য নয়।
রিজভী আরও বলেন, যেহেতু এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় প্রতীকে হচ্ছে না, তাই প্রার্থীদের যোগ্যতা যাচাই এবং অংশগ্রহণের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে নির্বাচন কমিশন। বিএনপি এ বিষয়টি কমিশনের ওপরই ছেড়ে দিয়েছে।
দলীয় প্রার্থী বাছাই প্রসঙ্গে তিনি জানান, প্রতীকহীন নির্বাচন হওয়ায় এ বিষয়ে এখনো কোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিদ্ধান্ত নেওয়ার পর তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। একই সঙ্গে তিনি জানান, বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের প্রস্তুতিও চলছে এবং শিগগিরই এর তারিখ ঘোষণা করা হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, অবাধ নির্বাচন এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার দাবিতে দীর্ঘ আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ছাত্র-জনতার এই অভ্যুত্থান বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

ডেস্ক রিপোর্ট 

























