ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার ‘কামব্যাক কমরেড’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শুনেছি খালেদা জিয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে আমার মিল আছে: মেঘনা আলম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত যুবলীগের কর্মী অর্ঘ্য হচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী আমি পদত্যাগ করব না, রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক: মমতা স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী

গণভোটের জন্য স্পষ্ট আইন জরুরি: সিইসি নাসির উদ্দিন

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ২৫১ বার পড়া হয়েছে

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চতুর্থ দিনের সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, গণভোট আয়োজনের জন্য একটি সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি জানান, গণভোটের পদ্ধতি, ব্যালট, ব্যালট বাক্সসহ কাঠামোগত বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হলে আগে আইন থাকতে হবে। আইন প্রণয়ন হলে নির্বাচন কমিশনের ওপর দায়বদ্ধতা তৈরি হবে এবং তখন থেকেই রেফারেন্ডাম নিয়ে কার্যত প্রস্তুতি ও অনুশীলন শুরু করা সম্ভব হবে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই সংলাপে সিইসি বলেন, সকালে বহু বক্তা গণভোট প্রসঙ্গ তুললেও আইন ছাড়া কোনো কাঠামো নির্ধারণ করা যায় না। তিনি মনে করিয়ে দেন, জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকার রেফারেন্ডাম আইন করলেও বর্তমানে একটি হালনাগাদ আইন জরুরি। পাকিস্তান আমল থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তার ভাষায়, “রাজনৈতিক বাস্তবতার হিট ওয়েভটা আমাকে ফিল করতে হয়। তাই আমরা কম কথা, বেশি কাজের নীতি অনুসরণ করছি।”

সিসিটিভি নজরদারি ও সাংবাদিকদের স্বাধীন উপস্থিতিকে স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ লুকিয়ে নয়, উন্মুক্তভাবে করতে চান। গুড অবজারভার, মুক্ত সাংবাদিকতা ও সিসিটিভি ক্যামেরা—সবই স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা বাড়াবে।

তিনি আরও জানান, ইসি ন্যায়নীতি, আইন ও বিধি প্রয়োগে কোনো আপস করবে না। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনই তাদের প্রধান অঙ্গীকার, যেখানে রাজনৈতিক দল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোটারদের সহযোগিতা অপরিহার্য।

দুপুরের সেশনে বিএনপি, জিওপি, নাগরিক ঐক্য, বিআরপি ও বাসদ মার্কসবাদীর সঙ্গে সংলাপ হয়। সকালে অংশ নেয় জামায়াতে ইসলামী, মাইনোরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলন, এনডিএম ও বাংলাদেশ লেবার পার্টি। এর আগে ইসি মোট ৩৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

গণভোটের জন্য স্পষ্ট আইন জরুরি: সিইসি নাসির উদ্দিন

আপডেট সময় ০৯:১৫:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে চতুর্থ দিনের সংলাপে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেছেন, গণভোট আয়োজনের জন্য একটি সুস্পষ্ট আইন প্রণয়ন এখন সময়ের দাবি। তিনি জানান, গণভোটের পদ্ধতি, ব্যালট, ব্যালট বাক্সসহ কাঠামোগত বিষয়ে সিদ্ধান্ত দিতে হলে আগে আইন থাকতে হবে। আইন প্রণয়ন হলে নির্বাচন কমিশনের ওপর দায়বদ্ধতা তৈরি হবে এবং তখন থেকেই রেফারেন্ডাম নিয়ে কার্যত প্রস্তুতি ও অনুশীলন শুরু করা সম্ভব হবে।

বুধবার (১৯ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত এই সংলাপে সিইসি বলেন, সকালে বহু বক্তা গণভোট প্রসঙ্গ তুললেও আইন ছাড়া কোনো কাঠামো নির্ধারণ করা যায় না। তিনি মনে করিয়ে দেন, জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকার রেফারেন্ডাম আইন করলেও বর্তমানে একটি হালনাগাদ আইন জরুরি। পাকিস্তান আমল থেকে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সিইসি বলেন, দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতাকে বিবেচনায় নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তার ভাষায়, “রাজনৈতিক বাস্তবতার হিট ওয়েভটা আমাকে ফিল করতে হয়। তাই আমরা কম কথা, বেশি কাজের নীতি অনুসরণ করছি।”

সিসিটিভি নজরদারি ও সাংবাদিকদের স্বাধীন উপস্থিতিকে স্বচ্ছ নির্বাচন আয়োজনের মূল শর্ত হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, নির্বাচনী পরিবেশ লুকিয়ে নয়, উন্মুক্তভাবে করতে চান। গুড অবজারভার, মুক্ত সাংবাদিকতা ও সিসিটিভি ক্যামেরা—সবই স্বচ্ছতার নিশ্চয়তা বাড়াবে।

তিনি আরও জানান, ইসি ন্যায়নীতি, আইন ও বিধি প্রয়োগে কোনো আপস করবে না। নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনই তাদের প্রধান অঙ্গীকার, যেখানে রাজনৈতিক দল, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও ভোটারদের সহযোগিতা অপরিহার্য।

দুপুরের সেশনে বিএনপি, জিওপি, নাগরিক ঐক্য, বিআরপি ও বাসদ মার্কসবাদীর সঙ্গে সংলাপ হয়। সকালে অংশ নেয় জামায়াতে ইসলামী, মাইনোরিটি জনতা পার্টি, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশ, এনসিপি, গণসংহতি আন্দোলন, এনডিএম ও বাংলাদেশ লেবার পার্টি। এর আগে ইসি মোট ৩৬টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে।