ঢাকা , রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান যা বললেন জাহেদ-উর রহমান বিএনপি জোটে যাচ্ছে ইসলামী আন্দোলন! আমাকে হত্যার হুমকি দেওয়া হচ্ছে, আমার ৩ শিশুকন্যাকে একটু দেখে রাইখেন: আমীর হামজা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রকাশ্য সমর্থন নিরপেক্ষতার লঙ্ঘন নয়, এটি দায়িত্ব ও সংস্কারমূলক ম্যান্ডেটের বহিঃপ্রকাশ আগামী সংসদ নির্বাচন ‘অত্যন্ত, অত্যন্ত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ’: তারেক রহমান ‘মঞ্জুর মুন্সী আপিল নিয়ে যেতে পারবেন উচ্চ আদালতে, পক্ষে আদেশ পেলে থাকতে পারবেন ভোটের মাঠেও’ ছাত্রসংসদ নির্বাচনে পরাজয়ের গ্লানি সহ্য করতে না পেরে নির্বাচন কমিশন অফিস ঘেরাও করেছে ছাত্রদল: শিবির সভাপতি ফের ইরানিদের বিক্ষোভের আহ্বান রেজা পাহলভির, এবার মেলেনি সাড়া বিয়ে করলেই মিলবে ১৬ লাখ টাকা অনুদান, সন্তান হলে দ্বিগুণ! ‎পুলিশ কোনো রাজনৈতিক দলের রক্ষক নয়, তারা রাষ্ট্রের কর্মচারী: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া এজাজ আটক, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৬০২১ বার পড়া হয়েছে

 

খুলনার আদালত চত্বরে সংঘটিত আলোচিত ডাবল মার্ডার মামলায় কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেওয়া এজাজুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নিস্তার আহমেদ এ তথ্য জানান।

এর আগে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতি এলাকা থেকে এজাজুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার ফারুক হোসেনের ছেলে। র‍্যাব জানায়, এজাজুল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলাসহ ডজনখানেক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৬ এর অধিনায়ক জানান, গত ৩০ নভেম্বর খুলনা মহানগরীর আদালত চত্বরের প্রধান ফটকের সামনে ফজলে রাব্বী রাজন (৩০) ও হাসিব হাওলাদার (৪০) কে প্রকাশ্যে গুলি ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই র‍্যাব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সাতজনকে শনাক্ত করে।

তিনি আরও বলেন, খুলনা মহানগরীতে গ্রেনেড বাবু ও পলাশ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, শক্তিমত্তা প্রদর্শন, মাদক ব্যবসার অর্থ ভাগাভাগি ও চাঁদা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর খুলনার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার সময় রাজন ও হাসিবকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর হামলার আশঙ্কায় নিহতদের পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ বাদী হয়ে দুদিন পর একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুবলীগ নেতাকে জামায়াত সাজিয়ে ইসলামী আন্দোলনে যোগদান

কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া এজাজ আটক, বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য

আপডেট সময় ১১:০৮:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০২৫

 

খুলনার আদালত চত্বরে সংঘটিত আলোচিত ডাবল মার্ডার মামলায় কিলিং মিশনে সরাসরি অংশ নেওয়া এজাজুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৬ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নিস্তার আহমেদ এ তথ্য জানান।

এর আগে বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে খুলনার রূপসা উপজেলার আইচগাতি এলাকা থেকে এজাজুল হোসেনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি ওই এলাকার ফারুক হোসেনের ছেলে। র‍্যাব জানায়, এজাজুল খুলনার শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ঘনিষ্ঠ ও বিশ্বস্ত সহযোগী হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলাসহ ডজনখানেক মামলা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব-৬ এর অধিনায়ক জানান, গত ৩০ নভেম্বর খুলনা মহানগরীর আদালত চত্বরের প্রধান ফটকের সামনে ফজলে রাব্বী রাজন (৩০) ও হাসিব হাওলাদার (৪০) কে প্রকাশ্যে গুলি ও কুপিয়ে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। ঘটনার পরপরই র‍্যাব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিও বিশ্লেষণের মাধ্যমে কিলিং মিশনে অংশ নেওয়া সাতজনকে শনাক্ত করে।

তিনি আরও বলেন, খুলনা মহানগরীতে গ্রেনেড বাবু ও পলাশ গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার, শক্তিমত্তা প্রদর্শন, মাদক ব্যবসার অর্থ ভাগাভাগি ও চাঁদা উত্তোলনকে কেন্দ্র করে চলমান দ্বন্দ্ব থেকেই এই হত্যাকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ৩০ নভেম্বর খুলনার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজিরা শেষে ফেরার সময় রাজন ও হাসিবকে মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে গুলি করে এবং কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনার পর হামলার আশঙ্কায় নিহতদের পরিবার মামলা করতে অস্বীকৃতি জানালে পুলিশ বাদী হয়ে দুদিন পর একটি হত্যা মামলা দায়ের করে।