ঢাকা , রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক নো গ্যাস নো বিল, নো সার্ভিস নো ট্যাক্স: রুমিন ফারহানা ছয় দফা না মানলে সরকার পতনে এক দফা: নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী কানাডায় ২ শিশুকে ৯ মাস যৌন নিপীড়ন, প্রবাসী আর্ট শিক্ষক গ্রেপ্তার জাতিসংঘে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে বিএনপি নায়ক হতে পারতো, কিন্তু ভিলেনে পরিণত হয়েছে: তাজুল ইসলাম জাতিসংঘে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতি তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফিলিস্তিনে ধ্বংসস্তূপ থেকে একই পরিবারের ৫৫ লাশ উদ্ধার ‘আমি চলে গেলে কেউ আমার নাম দেবে না’, তাই সবকিছুতে নিজের নাম দিচ্ছেন ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে আকস্মিক হামলা চালাতে পারে ইরান

১০০ কামিকাজে ড্রোন একসঙ্গে উড়াতে সক্ষম চীনের নতুন আকাশযান ‘জিউ তান’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৩১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • ৫১৮ বার পড়া হয়েছে

চীন তৈরি করছে এমন একটি শক্তিশালী আকাশযান, যা একসঙ্গে ১০০টি আত্মঘাতী (কামিকাজে) ড্রোন উৎক্ষেপণ করতে পারবে। ‘জিউ তান’ নামের এই ড্রোনবাহী উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle) চীনের সামরিক বাহিনীর কৌশলগত শক্তি বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই ড্রোন ক্যারিয়ার প্ল্যাটফর্মটি শুধু আত্মঘাতী ড্রোন নয়, অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামও বহন করতে সক্ষম। ২৫ মিটার ডানার বিস্তার বিশিষ্ট এই আকাশযান টানা ১২ ঘণ্টা উড়তে পারে এবং এর সর্বোচ্চ পাল্লা ৭ হাজার কিলোমিটার।

‘জিউ তান’-এর চতুর্থ প্রোটোটাইপের কাঠামো সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে এর ইনস্টলেশন ও বিভিন্ন কার্যকারিতা পরীক্ষাধীন রয়েছে। প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। চীনের শানজি আনম্যানড ইকুইপমেন্ট টেকনোলজি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

গত বছরের নভেম্বরে চীনের ঝুহাই এয়ার শোতে প্রথমবারের মতো ‘জিউ তান’-এর প্রদর্শনী হয়। এটি ৪৯ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম, যা একে অধিকাংশ ভূমিভিত্তিক রাডার সিস্টেমের আওতার বাইরে রাখে এবং শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যূহের ওপর দিয়ে উড়ে যেতে পারে।

উড়োজাহাজটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য পিএল-১২ এফ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। একইসঙ্গে এটি নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পুনরুদ্ধার অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, চীন-তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে ‘জিউ তান’ হতে পারে একটি কৌশলগত গেমচেঞ্জার। এটি শত্রুপক্ষকে মুহূর্তেই দুর্বল করতে সক্ষম, কারণ একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ড্রোন উৎক্ষেপণের ফলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়ে উঠবে প্রায় অসম্ভব।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

গ্যাস ও বিদ্যুতের বর্তমান সংকটের জন্য বিগত সরকার দায়ী: ডিএসসিসি প্রশাসক

১০০ কামিকাজে ড্রোন একসঙ্গে উড়াতে সক্ষম চীনের নতুন আকাশযান ‘জিউ তান’

আপডেট সময় ১১:৩১:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

চীন তৈরি করছে এমন একটি শক্তিশালী আকাশযান, যা একসঙ্গে ১০০টি আত্মঘাতী (কামিকাজে) ড্রোন উৎক্ষেপণ করতে পারবে। ‘জিউ তান’ নামের এই ড্রোনবাহী উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন ইউএভি (Unmanned Aerial Vehicle) চীনের সামরিক বাহিনীর কৌশলগত শক্তি বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ও টেলিগ্রাফের প্রতিবেদনে জানানো হয়, এই ড্রোন ক্যারিয়ার প্ল্যাটফর্মটি শুধু আত্মঘাতী ড্রোন নয়, অন্যান্য যুদ্ধাস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জামও বহন করতে সক্ষম। ২৫ মিটার ডানার বিস্তার বিশিষ্ট এই আকাশযান টানা ১২ ঘণ্টা উড়তে পারে এবং এর সর্বোচ্চ পাল্লা ৭ হাজার কিলোমিটার।

‘জিউ তান’-এর চতুর্থ প্রোটোটাইপের কাঠামো সম্প্রতি সম্পন্ন হয়েছে এবং বর্তমানে এর ইনস্টলেশন ও বিভিন্ন কার্যকারিতা পরীক্ষাধীন রয়েছে। প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। চীনের শানজি আনম্যানড ইকুইপমেন্ট টেকনোলজি এই প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে।

গত বছরের নভেম্বরে চীনের ঝুহাই এয়ার শোতে প্রথমবারের মতো ‘জিউ তান’-এর প্রদর্শনী হয়। এটি ৪৯ হাজার ফুট উচ্চতায় উড়তে সক্ষম, যা একে অধিকাংশ ভূমিভিত্তিক রাডার সিস্টেমের আওতার বাইরে রাখে এবং শত্রুর প্রতিরক্ষা ব্যূহের ওপর দিয়ে উড়ে যেতে পারে।

উড়োজাহাজটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং মাঝারি পাল্লার আকাশ থেকে আকাশে নিক্ষেপণযোগ্য পিএল-১২ এফ ক্ষেপণাস্ত্র বহন করতে পারে। একইসঙ্গে এটি নজরদারি, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং পুনরুদ্ধার অভিযানে ব্যবহারের উপযোগী।

বিশেষজ্ঞদের ধারণা, চীন-তাইওয়ানের মধ্যে উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে ‘জিউ তান’ হতে পারে একটি কৌশলগত গেমচেঞ্জার। এটি শত্রুপক্ষকে মুহূর্তেই দুর্বল করতে সক্ষম, কারণ একসঙ্গে বিপুল সংখ্যক ড্রোন উৎক্ষেপণের ফলে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হয়ে উঠবে প্রায় অসম্ভব।