ঢাকা , সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
বিদ্যুৎ সংকট: ‘১২ ঘণ্টায় ৯ বার লোডশেডিং, এলেও ২০ মিনিটের বেশি থাকে না’ আর কোনো মায়ের কোল যেন খালি না হয়: আছিয়ার মা নির্বাচনের ৭ বছর পর রাশেদ খাঁনকে ডাকসুর জিএস ঘোষণা ধারের টাকা ফেরত না দেওয়ায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর ৬ মাসের কারাদণ্ড বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী কাল: দেশবাসীকে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা মাদ্রাসাছাত্রীদের উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবকের গলায় জুতার মালা দিয়ে এলাকা ঘুরানো হলো পদ্মা সেতুতে উল্টে গেল যাত্রীবাহী বাস, গুরুতর আহত ১০ আন্তর্জাতিক ফুটবলকে বিদায় বললেন লিওনেল মেসি নির্বাচন যত এগোচ্ছে, নেতানিয়াহু ততই দুর্বল হচ্ছেন আর্জেন্টিনা দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন মহাতারকা মেসি

ধারের টাকা ফেরত না দেওয়ায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৫৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহীর বাঘায় চেক জালিয়াতির মামলায় উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি ফাতেমা খাতুন লতা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।ফাতেমা খাতুন বাঘা পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা তার নিকটাত্মীয় বাঘা উপজেলার আমোদপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। ওই টাকার বিপরীতে তিনি একটি চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা পরিশোধ না করায় নুরুজ্জামান বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।প্রায় আড়াই বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং বাদীকে ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার বিচার চলাকালে ফাতেমা খাতুন নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি থাকা অবস্থায়ও তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় পরবর্তীতে শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।’

 

ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া এবং চেক সংক্রান্ত আরও দুটি মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এরন আগে ২০২৫ সালের ১০ মার্চ নিলুফা ইয়াসমিনের করা একটি মামলায় রাজশাহী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে আপিল করে জামিনে মুক্ত হন।

 

নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী শাম্মি হোসেন বলেন, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনা দাবি করা হয়েছে।

 

একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে বলে বাদী মামুন হোসেন জানিয়েছেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিদ্যুৎ সংকট: ‘১২ ঘণ্টায় ৯ বার লোডশেডিং, এলেও ২০ মিনিটের বেশি থাকে না’

ধারের টাকা ফেরত না দেওয়ায় আওয়ামী লীগ নেত্রীর ৬ মাসের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১০:৫৯:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহীর বাঘায় চেক জালিয়াতির মামলায় উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

 

আজ সোমবার দুপুরে রাজশাহীর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মামুনুর রশিদ এ রায় ঘোষণা করেন। তবে রায় ঘোষণার সময় আসামি ফাতেমা খাতুন লতা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।ফাতেমা খাতুন বাঘা পৌরসভার নারায়ণপুর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি বাঘা উপজেলা পরিষদের সাবেক নারী ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভানেত্রী।

 

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ১ জানুয়ারি ফাতেমা খাতুন লতা তার নিকটাত্মীয় বাঘা উপজেলার আমোদপুর গ্রামের নুরুজ্জামানের কাছ থেকে ২৫ লাখ টাকা ধার নেন। ওই টাকার বিপরীতে তিনি একটি চেক দেন। নির্ধারিত সময়ে চেকের টাকা পরিশোধ না করায় নুরুজ্জামান বাদী হয়ে আদালতে মামলা করেন।প্রায় আড়াই বছর বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ রায় ঘোষণা করেন আদালত। রায়ে ফাতেমা খাতুন লতাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড এবং বাদীকে ২৫ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়।

 

বাদীপক্ষের আইনজীবী মমিনুল ইসলাম বলেন, ‘মামলার বিচার চলাকালে ফাতেমা খাতুন নিয়মিত আদালতে হাজির হননি। তার বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারি থাকা অবস্থায়ও তিনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। পরপর ছয়টি ধার্য তারিখে আদালতে হাজির না হওয়ায় পরবর্তীতে শুনানি ও বিচারিক কার্যক্রম শেষে আদালত তাকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।’

 

ফাতেমা খাতুন লতার বিরুদ্ধে চাকরি দেওয়ার কথা বলে অর্থ নেওয়া এবং চেক সংক্রান্ত আরও দুটি মামলা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। এরন আগে ২০২৫ সালের ১০ মার্চ নিলুফা ইয়াসমিনের করা একটি মামলায় রাজশাহী চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের অতিরিক্ত ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে আপিল করে জামিনে মুক্ত হন।

 

নিলুফা ইয়াসমিনের আইনজীবী শাম্মি হোসেন বলেন, চাকরি দেওয়ার নামে অর্থ নেওয়া ও চেক সংক্রান্ত একটি মামলা উচ্চ আদালতে বিচারাধীন। ওই মামলায় ২০ লাখ টাকা পাওনা দাবি করা হয়েছে।

 

একই ঘটনায় নিম্ন আদালতে ১৫ লাখ টাকার আরও একটি মামলা রয়েছে বলে বাদী মামুন হোসেন জানিয়েছেন।