ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য কলকাতায় শুভেন্দুর সহকারীকে গুলি করে হত্যা ‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার ‘কামব্যাক কমরেড’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শুনেছি খালেদা জিয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে আমার মিল আছে: মেঘনা আলম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত যুবলীগের কর্মী অর্ঘ্য হচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী আমি পদত্যাগ করব না, রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক: মমতা স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা: “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনী অতন্দ্র প্রহরী”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫৩ বার পড়া হয়েছে

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও প্রশংসনীয় অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের সাহসী ভূমিকা জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

আগামীকাল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি লিখেন, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয়। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেই দিনটি প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালিত হয়। সাহস, শৌর্য, শৃঙ্খলা আর সংকল্পে গড়া এই বাহিনী জাতির গর্ব। একাত্তরের রণাঙ্গণে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান দেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে আছে। এ উপলক্ষে তিন বাহিনীর সকল সদস্যকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাহিনীর আরও অগ্রগতি কামনা করেন। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তুলতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই বাহিনীটি সুশিক্ষিত, পেশাদার ও আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ভবিষ্যতেও এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বার্তার শেষে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ—
মোস্তফা কামাল, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, সিপাহী হামিদুর রহমান, রুহুল আমিন, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, ল্যান্স নায়ক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

যুদ্ধ নিয়ে সমঝোতার সম্ভাবনার মাঝেই ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা: “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনী অতন্দ্র প্রহরী”

আপডেট সময় ১০:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও প্রশংসনীয় অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের সাহসী ভূমিকা জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

আগামীকাল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি লিখেন, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয়। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেই দিনটি প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালিত হয়। সাহস, শৌর্য, শৃঙ্খলা আর সংকল্পে গড়া এই বাহিনী জাতির গর্ব। একাত্তরের রণাঙ্গণে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান দেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে আছে। এ উপলক্ষে তিন বাহিনীর সকল সদস্যকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাহিনীর আরও অগ্রগতি কামনা করেন। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তুলতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই বাহিনীটি সুশিক্ষিত, পেশাদার ও আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ভবিষ্যতেও এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বার্তার শেষে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ—
মোস্তফা কামাল, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, সিপাহী হামিদুর রহমান, রুহুল আমিন, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, ল্যান্স নায়ক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ।