ঢাকা , রবিবার, ১০ মে ২০২৬, ২৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার অস্ত্র কিংবা ছুরি নয়, রক্তভর্তি সিরিঞ্জ নিয়ে ছিনতাই গাজীপুরে পাঁচ খুন: ঘটনাস্থলে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ভয় ধরাচ্ছে নতুন হান্টাভাইরাস, যা বলছে ডব্লিউএইচও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে রাজপথে নামবে এনসিপি’ দেশকে ধ্বংসস্তূপ থেকে টেনে তোলাই বিএনপির নতুন চ্যালেঞ্জ: মির্জা ফখরুল স্কুলশিক্ষার্থী নাহিদের সন্ধান চায় পরিবার পরকীয়ার জেরে যুবককে হত্যা করে পুঁতে রাখলো মাটিতে, দম্পতি আটক বিপর্যয়ের পর শক্তিশালী রাজনৈতিক মঞ্চ গঠনের ডাক মমতার ছেলের ‘দায়’ মেটাতে বৃদ্ধ বাবাকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা: “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনী অতন্দ্র প্রহরী”

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৫৪ বার পড়া হয়েছে

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও প্রশংসনীয় অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের সাহসী ভূমিকা জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

আগামীকাল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি লিখেন, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয়। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেই দিনটি প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালিত হয়। সাহস, শৌর্য, শৃঙ্খলা আর সংকল্পে গড়া এই বাহিনী জাতির গর্ব। একাত্তরের রণাঙ্গণে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান দেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে আছে। এ উপলক্ষে তিন বাহিনীর সকল সদস্যকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাহিনীর আরও অগ্রগতি কামনা করেন। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তুলতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই বাহিনীটি সুশিক্ষিত, পেশাদার ও আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ভবিষ্যতেও এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বার্তার শেষে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ—
মোস্তফা কামাল, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, সিপাহী হামিদুর রহমান, রুহুল আমিন, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, ল্যান্স নায়ক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দ্বিতীয়বার বিয়ের ৪ মাস না যেতে আবারও বিচ্ছেদ, যা বললেন স্ত্রী সাবিকুন্নাহার

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা: “স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাহিনী অতন্দ্র প্রহরী”

আপডেট সময় ১০:২৩:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

 

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগলিক অখণ্ডতা রক্ষায় সশস্ত্র বাহিনী অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। পাশাপাশি বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও প্রশংসনীয় অবস্থানে নিয়ে গেছে। প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও দুর্যোগ মোকাবিলায় তাদের সাহসী ভূমিকা জাতির আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

আগামীকাল ২১ নভেম্বর সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি লিখেন, ১৯৭১ সালের ২১ নভেম্বর বাংলাদেশের সশস্ত্র বাহিনী গঠিত হয়। সেই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটেই দিনটি প্রতিবছর সশস্ত্র বাহিনী দিবস হিসেবে পালিত হয়। সাহস, শৌর্য, শৃঙ্খলা আর সংকল্পে গড়া এই বাহিনী জাতির গর্ব। একাত্তরের রণাঙ্গণে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান দেশের ইতিহাসে এক উজ্জ্বল অধ্যায় হয়ে আছে। এ উপলক্ষে তিন বাহিনীর সকল সদস্যকে তিনি শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং বাহিনীর আরও অগ্রগতি কামনা করেন। একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

তারেক রহমান আরও বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান আধুনিক বিশ্বের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সশস্ত্র বাহিনীকে গড়ে তুলতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই বাহিনীটি সুশিক্ষিত, পেশাদার ও আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়। পরবর্তীতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াও বাহিনীকে আরও আধুনিকায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ভবিষ্যতেও এ উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বার্তার শেষে তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সাতজন বীরশ্রেষ্ঠ—
মোস্তফা কামাল, ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, সিপাহী হামিদুর রহমান, রুহুল আমিন, ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, ল্যান্স নায়ক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং ল্যান্স নায়ক মুন্সী আব্দুর রউফ।