ঢাকা , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
আমার জীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি: শেখ হাসিনা অতীতের দিকে না তাকিয়ে সামনের দিকে এগোতে চাই: সংসদে প্রধানমন্ত্রী জাপানের কাছে হেরে বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেবে ব্রাজিল: জার্মান গবেষক ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভেনেজুয়েলাকে আড়াই লাখ ডলার দিলেন নেইমার দেশব্যাপী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আজ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী পাকিস্তানে হামলার অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করলো ভারত প্রেমিকার ছুরিকাঘাতে প্রাণ গেল প্রেমিকের পাকিস্তানে হামলার অভিযোগ নাকচ করলো ভারত বড় ভাইয়ের দাফনের পরই ছোট ভাইয়ের মৃত্যু ঘুমন্ত স্বামীর গোপনাঙ্গ কেটে দিলেন স্ত্রী সুমাইয়া

‘বাংলাদেশ কোন গন্তব্যে যাবে আজকের জানাজা তার উত্তর’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে প্রবাহিত হবে—ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজাই তার উত্তর বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তাজুল ইসলাম লেখেন, “বাংলাদেশ কোন গন্তব্যে যাবে—আজকের জানাজা তার উত্তর।”
শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে শহীদ হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড় ভাই ড. মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের ইমামতিতে জানাজা আদায় করা হয়। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়।
নামাজে জানাজায় অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং নানা শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষ জানাজায় অংশ নিয়ে শহীদ হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের উদ্দেশ্যে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তাকে গুলি করা হয়। গুলিটি সরাসরি তার মাথায় লাগে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শহীদ হাদির মৃত্যুতে সারা দেশে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আমার জীবন বাংলাদেশের মানুষের জন্য উৎসর্গ করেছি: শেখ হাসিনা

‘বাংলাদেশ কোন গন্তব্যে যাবে আজকের জানাজা তার উত্তর’

আপডেট সময় ১০:৪৮:৪১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

আগামীর বাংলাদেশ কোন পথে প্রবাহিত হবে—ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শহীদ শরিফ ওসমান হাদির জানাজাই তার উত্তর বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। পোস্টে তাজুল ইসলাম লেখেন, “বাংলাদেশ কোন গন্তব্যে যাবে—আজকের জানাজা তার উত্তর।”
শহীদ শরিফ ওসমান হাদিকে শনিবার বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ সংলগ্ন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের কবরের পাশে দাফন করা হয়।
এর আগে দুপুর আড়াইটার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো মানুষের অংশগ্রহণে শহীদ হাদির নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তার বড় ভাই ড. মাওলানা আবু বকর সিদ্দিকের ইমামতিতে জানাজা আদায় করা হয়। জানাজা শেষে মরদেহ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে নেওয়া হয়।
নামাজে জানাজায় অংশ নেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। এ ছাড়া সরকারের উপদেষ্টাবৃন্দ, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ এবং নানা শ্রেণি-পেশার লাখো মানুষ জানাজায় অংশ নিয়ে শহীদ হাদির আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।
উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সম্মুখ সারির যোদ্ধা ও ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শহীদ শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর গণসংযোগের উদ্দেশ্যে রাজধানীর বিজয়নগর এলাকায় গেলে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে তাকে গুলি করা হয়। গুলিটি সরাসরি তার মাথায় লাগে।
গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অস্ত্রোপচারের পর ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে তাকে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে সব প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
শহীদ হাদির মৃত্যুতে সারা দেশে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।