করাচির রেঞ্জার্স সদর দপ্তরে হামলার পর ভারতকে দায়ী করে পাকিস্তানের অভিযোগ। তবে সেই দাবি ‘ভিত্তিহীন’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা কড়া বার্তা দিয়েছে নয়াদিল্লি।
পাকিস্তানের করাচিতে আধাসামরিক বাহিনী রেঞ্জার্সের সদর দপ্তরে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনায় ভারতের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে নয়াদিল্লি। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলেছে, পাকিস্তানের এই অভিযোগ সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এক বিবৃতিতে বলেন, করাচির ঘটনায় ভারতের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। অন্যের দিকে আঙুল না তুলে পাকিস্তানের উচিত নিজেদের ভূখণ্ডে সক্রিয় সন্ত্রাসী নেটওয়ার্ক দমনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া।
তিনি আরও বলেন, পাকিস্তানকে সন্ত্রাসবাদের অবকাঠামো ধ্বংস করতে হবে এবং রাষ্ট্রের নীতি হিসেবে সন্ত্রাসবাদকে ব্যবহার করার প্রবণতা থেকে সরে আসতে হবে।
এর আগে করাচিতে রেঞ্জার্সের আঞ্চলিক সদর দপ্তরে বিস্ফোরকবোঝাই গাড়ি নিয়ে আত্মঘাতী হামলা চালায় সশস্ত্র গোষ্ঠী জামাত-উল-আহরার। হামলায় আধাসামরিক বাহিনীর তিন সদস্য নিহত এবং চারজন আহত হন। গোষ্ঠীটি হামলার দায় স্বীকার করলেও পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মহসিন নকভি কোনো প্রমাণ ছাড়াই এই ঘটনায় ভারতের সম্পৃক্ততার অভিযোগ তোলেন।
এদিকে হামলার জবাবে আফগানিস্তানের পূর্বাঞ্চলে বিমান ও স্থল অভিযান চালিয়েছে পাকিস্তান। ইসলামাবাদের দাবি, ওই অভিযানে অন্তত ২৫ জন সশস্ত্র যোদ্ধা নিহত হয়েছে। তবে আফগান প্রশাসনের অভিযোগ, এসব হামলায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানি ঘটছে।
বিশ্লেষকদের মতে, করাচি হামলাকে ঘিরে ভারত-পাকিস্তান বাকযুদ্ধ এবং পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে নতুন সামরিক অভিযান দক্ষিণ এশিয়ার নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 





















