ঢাকা , বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ওমানে নিহত চার প্রবাসী ভাইয়ের জানাজা পড়ালেন বেঁচে থাকা একমাত্র ছোট ভাই কক্সবাজারের লেফটেন্যান্ট নির্জন হত্যা, ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড তরুণদের ‘তেলাপোকা’ বলে মন্তব্য ভারতের প্রধান বিচারপতির, ক্ষোভে যুবক বানালো ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ আমি বিচার চাই না, আপনারা বিচার করতে পারবেন না: রামিসার বাবা আওয়ামী লীগ ব্যাক করেনি, তারা ছিলই: আসিফ নজরুল দেশে ধর্ষণের ঘটনা বেড়েছে ২৭ শতাংশ, বিচার চেয়ে উল্টো লাঞ্ছিত ভুক্তভোগীরা! সায়নী ঘোষের মাথার দাম ১ কোটি রুপি ঘোষণা করলো বিজেপি নেতা প্রিয় সোনামণি রামিসা, তোমার কাছে মানবতা লজ্জিত: জামায়াত আমির ‘নেতানিয়াহু’র চেয়ে অনেক কম দামে বিক্রি হয়ে গেল ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’! ভেতরে খুন করা হচ্ছিল রামিসাকে, দরজায় কড়া নাড়ছিলেন মা

আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াতের সাবেক নেতা আজাদ

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ১৩১ বার পড়া হয়েছে

এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। জানা যায়, গত বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

এদিকে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেওয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কারণে সে সব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেননি ট্রাইব্যুনাল। অপর একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, নয়জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত এই রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে, পলাতক থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে ভারত হয়ে তিনি পাকিস্তানে চলে যান বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ করার মাধ্যমে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর এ মামলার রায় অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ শুরু হয় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ওমানে নিহত চার প্রবাসী ভাইয়ের জানাজা পড়ালেন বেঁচে থাকা একমাত্র ছোট ভাই

আত্মসমর্পণ করলেন ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি জামায়াতের সাবেক নেতা আজাদ

আপডেট সময় ১১:০১:৪১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

এবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেছেন মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামি আবুল কালাম আজাদ। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) সকালে আত্মসমর্পণ করেন তিনি। জানা যায়, গত বছর নিজের সাজা স্থগিতের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন আবুল কালাম আজাদ। ফৌজদারি কার্যবিধির ৪০১ ধারা অনুযায়ী এই আবেদন করেন তিনি। এর আগে ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন।

এদিকে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে মোট ৮টি মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়। তার মধ্যে ৭টিতেই তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। ৩টিতে তার মৃত্যুদণ্ড, ৪টিতে কারাদণ্ড দেওয়ার সুযোগ থাকলেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার কারণে সে সব অপরাধের বিষয়ে দণ্ডাদেশ দেননি ট্রাইব্যুনাল। অপর একটি অভিযোগ প্রসিকিউশন প্রমাণ করতে না পারায় সেটি খারিজ করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধকালে ১৪ জনকে হত্যা, তিন নারীকে ধর্ষণ, নয়জনকে অপহরণ, ১০ জনকে আটক রাখা, পাঁচ বাড়িতে অগ্নিসংযোগ এবং ১৫টি বাড়ির মালামাল লুণ্ঠনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।

আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত এই রায়ের মধ্য দিয়ে যুদ্ধাপরাধের প্রথম কোনো মামলার রায় ঘোষণা করা হয়। তবে, পলাতক থাকায় তাকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা সম্ভব হয়নি। তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আগেই পালিয়ে ভারত হয়ে তিনি পাকিস্তানে চলে যান বলে জানায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

গত ২০১২ সালের ২৬ ডিসেম্বর উভয়পক্ষের যুক্তিতর্ক (আর্গুমেন্ট) উপস্থাপন শেষ করার মাধ্যমে মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া শেষ হয়। এরপর এ মামলার রায় অপেক্ষমান (সিএভি) রেখে আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এর আগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ শুরু হয় একাত্তরে মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা।