এবার যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ঐতিহাসিক প্রাথমিক চুক্তির পর আরও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। তিনি জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটাতে ওয়াশিংটনের সাথে হওয়া এই চুক্তির অংশ হিসেবে কাতারের হেফাজতে থাকা ইরানের জব্দকৃত ৬০০ কোটি (৬ বিলিয়ন) ডলারের তহবিল অবশেষে ফেরত দেওয়া হবে।
ইরানি সংবাদ সংস্থা ‘তাসনিম’-এর বরাতে প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আত্মবিশ্বাসের সাথে বলেন, এই সমঝোতা স্মারকের প্রতিটি শর্ত আমাদের অনুকূলে রয়েছে। খুব শীঘ্রই এই আলোচনা ও সমঝোতার বড় সাফল্য সবার সামনে স্পষ্ট হয়ে উঠবে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাম্প্রতিক অবস্থানের পরিবর্তন নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, যিনি তার আগের ভাষণগুলোতে আমাদের অনেক কিছু করতেই নিষেধ করেছিলেন, তিনিই এখন এসব বিষয়কে ইরানের জনগণ ও জাতির বৈধ অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন।
তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন, কাতারে আটকে থাকা ৬০০ কোটি ডলার খুব দ্রুতই ইরানের তহবিলে ফিরছে। এই চুক্তির ফলে মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনীতিতে বড় প্রভাব পড়তে যাচ্ছে উল্লেখ করে পেজেশকিয়ান ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে কটাক্ষ করেন। তিনি বলেন, সুইজারল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও সফল চুক্তি নিয়ে বিশ্বমঞ্চে নেতানিয়াহুই হবেন ‘প্রথম অসন্তুষ্ট ব্যক্তি’।
সবচেয়ে আলোচিত পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে ইরানের প্রেসিডেন্ট স্পষ্ট জানান, আমেরিকার একমাত্র দাবি ছিল ইরান যেন পারমাণবিক বোমা তৈরি না করে। তিনি ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই কর্তৃক জারি করা ঐতিহাসিক ফতোয়া (ধর্মীয় আদেশ) স্মরণ করে বলেন, আমাদের শহীদ নেতাও বারবার বলেছিলেন—‘আমরা পারমাণবিক বোমা চাই না’। আমেরিকা যখন আমাদের বলল ‘এটা লিখে দাও এবং স্বাক্ষর করো’, তখন আমরা সানন্দেই তাতে স্বাক্ষর করেছি। আল জাজিরা

ডেস্ক রিপোর্ট 






















