ঢাকা , শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬, ৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
মাছের বাজারে আগুন, হাত দেওয়া যাচ্ছে না মুরগি-ডিমেও রাষ্ট্রপতির পুরোনো পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে জুমা লিখলেন, ‘ওয়াদা পূরণ করুন’ ‘আপনিই আমার সব’, ট্রাম্পকে লেখা ব্যক্তিগত সহকারীর চিঠি ঘিরে প্রেমের গুঞ্জন এবার পানামা খালেও সীমিত হচ্ছে জাহাজ চলাচল সাংবাদিককে কান ধরে দেখাতে হবে কয় টাকা তোলা হয়েছে: আম্মার মাজার জিয়ারত ও মসজিদে নামাজ পড়া ছাড়া স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রপতির কোনো কাজ করার সুযোগ নাই রাজধানীতে যানজট নিয়ন্ত্রণে যুক্ত হচ্ছে ড্রোন সার্ভিলেন্স অবশেষে কারাগার থেকে ইমরান খানকে নেওয়া হলো হাসপাতালে ওনার প্রেসিডেন্ট হওয়াটা একইসঙ্গে আনন্দের ও হতাশার: ফাহাম রোমের হোটেল বিতর্কে যা বললেন জেমস

সাংবাদিককে কান ধরে দেখাতে হবে কয় টাকা তোলা হয়েছে: আম্মার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসুর খরচের বিল-ভাউচার নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন সংগঠনটির জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

‘রাজশাহী সমাচার’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আম্মার দাবি করেন, যে সাংবাদিক প্রতিবেদনটি করেছেন, তাকে কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে কত টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তা দেখানো উচিত। তার দাবি, কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের তথ্যের সঙ্গে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের মিল নেই।

তবে অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

এর আগে ‘সকাল বেলা’য় প্রকাশিত প্রতিবেদন ফেসবুকে শেয়ার করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবাঞ্ছিত মন্তব্য করেন আম্মার। পরে আরেক পোস্টে রাকসুর তহবিলের অর্থ নিয়ে ভিপি, জিএস, এজিএস ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে মেয়াদ শেষে সবার হিসাব প্রকাশ এবং অডিটের পর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা জানান।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের নথি অনুযায়ী, চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা পড়েনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর মধ্যে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার একাই উত্তোলন করেছেন ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। তিন ধাপে উত্তোলন করা ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার খরচের কোনো হিসাব বা ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, প্রতিবেদনটির প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে বিবৃতি দিয়েছে রাকসু। এতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর রাকসুর আর্থিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির হিসাবে তহবিলে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা রয়েছে।

এর মধ্যে ২ কোটি টাকা এফডিআর করার এবং অবশিষ্ট প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা চলতি কার্যবর্ষে শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয়ের বিষয়ে রাকসুর অধিবেশনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

রাকসুর দাবি, কার্যবর্ষ এখনও প্রায় দুই মাস চলমান এবং বিভিন্ন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় অসম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে আর্থিক অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে কার্যবর্ষ শেষে সব ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব সরকারি অডিটের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছে রাকসু।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

মাছের বাজারে আগুন, হাত দেওয়া যাচ্ছে না মুরগি-ডিমেও

সাংবাদিককে কান ধরে দেখাতে হবে কয় টাকা তোলা হয়েছে: আম্মার

আপডেট সময় ১১:২৪:৩৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ—রাকসুর খরচের বিল-ভাউচার নিয়ে ক্যাম্পাসে আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে সাংবাদিকদের উদ্দেশে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করে বিতর্কে জড়িয়েছেন সংগঠনটির জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার।

বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) নিজের ফেসবুক পেজ ও স্থানীয় গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে প্রকাশিত প্রতিবেদন নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানান তিনি।

‘রাজশাহী সমাচার’কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আম্মার দাবি করেন, যে সাংবাদিক প্রতিবেদনটি করেছেন, তাকে কোষাধ্যক্ষের কার্যালয়ে নিয়ে গিয়ে কত টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তা দেখানো উচিত। তার দাবি, কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের তথ্যের সঙ্গে প্রকাশিত প্রতিবেদনের তথ্যের মিল নেই।

তবে অন্য একটি গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ভাউচার জমা না দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেন তিনি।

এর আগে ‘সকাল বেলা’য় প্রকাশিত প্রতিবেদন ফেসবুকে শেয়ার করে সাংবাদিকদের উদ্দেশে অবাঞ্ছিত মন্তব্য করেন আম্মার। পরে আরেক পোস্টে রাকসুর তহবিলের অর্থ নিয়ে ভিপি, জিএস, এজিএস ও সম্পাদকদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলেন তিনি। একই সঙ্গে মেয়াদ শেষে সবার হিসাব প্রকাশ এবং অডিটের পর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কথা জানান।

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, রাকসুর কোষাধ্যক্ষ কার্যালয়ের নথি অনুযায়ী, চলতি মেয়াদে ৪২টি কর্মসূচিতে তহবিল থেকে ১ কোটি ২৯ লাখ ১৪ হাজার ৬৮৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৬১ লাখ ৫০ হাজার ৪৬৮ টাকার বিল-ভাউচার জমা পড়েনি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, এর মধ্যে জিএস সালাহউদ্দিন আম্মার একাই উত্তোলন করেছেন ২৩ লাখ ৮৮ হাজার টাকা। তিন ধাপে উত্তোলন করা ১৮ লাখ ৩৯ হাজার টাকার খরচের কোনো হিসাব বা ভাউচার জমা দেওয়া হয়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এদিকে, প্রতিবেদনটির প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার বিকেলে বিবৃতি দিয়েছে রাকসু। এতে বলা হয়, দায়িত্ব গ্রহণের পর রাকসুর আর্থিক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। কমিটির হিসাবে তহবিলে প্রায় ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা রয়েছে।

এর মধ্যে ২ কোটি টাকা এফডিআর করার এবং অবশিষ্ট প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ টাকা চলতি কার্যবর্ষে শিক্ষার্থী কল্যাণমূলক কার্যক্রমে ব্যয়ের বিষয়ে রাকসুর অধিবেশনে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

রাকসুর দাবি, কার্যবর্ষ এখনও প্রায় দুই মাস চলমান এবং বিভিন্ন কার্যক্রমও চলমান রয়েছে। এ অবস্থায় অসম্পূর্ণ বা আংশিক তথ্যের ভিত্তিতে আর্থিক অনিয়মের সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। তবে কার্যবর্ষ শেষে সব ব্যয়ের পূর্ণাঙ্গ হিসাব সরকারি অডিটের আওতায় আসবে বলে জানিয়েছে রাকসু।