ঢাকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
সাভারে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, স্থানীয়দের হাতে আটক ৯ ২৪ বছরে ১১২ এতিম মেয়ের বিয়ে দিলেন রুবেল গুলিস্তানে নানা অজুহাতে অতিরিক্ত চাঁদার চাপ, নীরব জিম্মি দশায় হাজারো ব্যবসায়ী বড়লেখায় জব্দ ১৪ মহিষের ৯টি গায়েব, জিম্মানামায় স্বাক্ষরকারী ৩ বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা রাকসু ভিপি-জিএসকে ব্যঙ্গ করে রাবিতে ছাত্রদলের ‘ভাউচার মেলা’ ছেলের মৃত্যুর খবর শুনে প্রাণ গেল মায়ের বিদ্যুৎ-গ্যাস সংকট সমাধানে ব্যর্থ হলে সরকারও টিকবে না: শিবির সভাপতি কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৫ বাংলাদেশির মরদেহ ফিরছে শনিবার ২৫ বছর দায়িত্ব পালন করা ইমামকে রাজকীয় বিদায় দিলো এলাকাবাসী ইরান যুদ্ধে কতজন মার্কিন সেনা হতাহত, জানালো পেন্টাগন

ফলাফল আগে থেকেই ঠিক, তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিইনি

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১০:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
  • ৫৯ বার পড়া হয়েছে

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তার দাবি, নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকায় এই ভোট তার কাছে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসনের’ মনে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে ভোটদানে বিরত থাকার কারণ তুলে ধরেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। ফলাফল কী হবে, তা আগে থেকেই সবার জানা ছিল। তাই এটিকে নির্বাচন না বলে ‘মনোনয়ন’ বলাই যথাযথ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন অরাজনৈতিক ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে সেটি আরও অর্থবহ হতো।

তবে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।

রুমিন ফারহানার ভাষ্য, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে ভিশন-২০৩০-এর কথা বললেও এখন দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সদস্যপদ বাতিলের কথা বলা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ‘প্রহসনের ভোটে’ অংশ নিতে চাননি।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনের ফলাফল যদি আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা যায় না।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রুমিন ফারহানা ছাড়াও বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক ও মোস্তফা কামাল পাশা ভোট দেননি। এছাড়া জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম এবং খেলাফত মজলিশের আবুল হাসানও ভোটদানে বিরত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভারে ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিল, স্থানীয়দের হাতে আটক ৯

ফলাফল আগে থেকেই ঠিক, তাই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট দিইনি

আপডেট সময় ১০:২৬:৪১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট না দেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তার দাবি, নির্বাচনের ফলাফল আগে থেকেই নির্ধারিত থাকায় এই ভোট তার কাছে ‘অর্থহীন’ ও ‘প্রহসনের’ মনে হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহবাজপুরে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে ভোটদানে বিরত থাকার কারণ তুলে ধরেন তিনি।

রুমিন ফারহানা বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনিশ্চয়তা বা প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল না। ফলাফল কী হবে, তা আগে থেকেই সবার জানা ছিল। তাই এটিকে নির্বাচন না বলে ‘মনোনয়ন’ বলাই যথাযথ বলে মন্তব্য করেন তিনি।

দ্বিতীয় কারণ হিসেবে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলীয় পরিচয়ের বাইরে একজন অরাজনৈতিক ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য ব্যক্তিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত করা হলে সেটি আরও অর্থবহ হতো।

তবে নিজের কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন রুমিন ফারহানা। তিনি বলেন, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে বিএনপির পক্ষ থেকে দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট না দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করা হয়েছিল।

রুমিন ফারহানার ভাষ্য, বিএনপি দীর্ঘদিন ধরে ভিশন-২০৩০-এর কথা বললেও এখন দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে ভোট দিলে সদস্যপদ বাতিলের কথা বলা হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে তিনি ‘প্রহসনের ভোটে’ অংশ নিতে চাননি।

তিনি আরও বলেন, কোনো নির্বাচনের ফলাফল যদি আগে থেকেই নির্ধারিত থাকে, তাহলে সেটিকে প্রকৃত অর্থে নির্বাচন বলা যায় না।

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে রুমিন ফারহানা ছাড়াও বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস, ওসমান ফারুক ও মোস্তফা কামাল পাশা ভোট দেননি। এছাড়া জামায়াত থেকে বহিষ্কৃত গাজী নজরুল ইসলাম এবং খেলাফত মজলিশের আবুল হাসানও ভোটদানে বিরত ছিলেন।