ইরানে টানা ১১তম রাতের মতো বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। হামলার সময় রাজধানী তেহরানের বিভিন্ন এলাকায় দফায় দফায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। এরপর সক্রিয় করা হয় ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। একই সময়ে দেশের দক্ষিণ ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একাধিক সামরিক স্থাপনাতেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড বা সেন্টকম জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, সামরিক কমান্ড সেন্টার, নৌঘাঁটি, ড্রোন সংরক্ষণাগার, বিমান হ্যাঙ্গার এবং সামরিক রসদ সংরক্ষণাগার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে।
অন্যদিকে ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, বুশেহর, সিরিক, খুজেস্তান এবং তাবরিজ অঞ্চলেও বিস্ফোরণ ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাবরিজে একটি সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হলেও শহরের ভেতরে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, সন্দেহভাজন একটি ইরানি পারমাণবিক স্থাপনায় খুব শিগগিরই আরও বড় হামলা চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
এর জবাবে ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টার্স হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হলে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টা হামলার পরিধি আরও বিস্তৃত করা হবে।
টানা হামলা ও পাল্টা হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও অস্থিতিশীল হয়ে উঠছে। কূটনৈতিক সমাধানের বদলে সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকায় নতুন করে বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

ডেস্ক রিপোর্ট 


















