ঢাকা , শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
খিলগাঁওয়ে হাসপাতালে আগুন রাশিয়ার অর্থনীতিতে হামলা, ইউক্রেনের ‘সংবেদনশীল খাতে’ পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি পুতিনের ফিফা আশিয়ান কাপে খেলবে বাংলাদেশ বিএনপির দুই নেতা সব পদ থেকে বহিষ্কার সিরিয়ায় ইসরায়েলি হামলার নেপথ্যে কী, জানালেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী ‘বেডরুমে গোপন ক্যামেরা রেখেছিলেন স্ত্রী, ফুটেজ প্রকাশের ভয় দেখিয়ে ১০ লাখ টাকা দাবি’ হত্যা করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার পর বিএসএফের হাতে ধরা ২ ভাই ‘আমার পুলাডারে তারা মাইরা ফেলাইছে, পুলাডারে মাটির ঘরে রাইখা আইলাম’ বিরোধীদলকে দমন করতে চাইলে অবস্থা বেনজীরের চেয়েও খারাপ হবে: হুঁশিয়ারি সারজিসের সুখী দেশের তালিকায় ফিলিস্তিনের চেয়েও পিছিয়ে বাংলাদেশ

রাশিয়ার অর্থনীতিতে হামলা, ইউক্রেনের ‘সংবেদনশীল খাতে’ পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি পুতিনের

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ১১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে কিয়েভের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খোলার সাথে তুলনা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এর জবাবে ইউক্রেনের সবচেয়ে ‘সংবেদনশীল অর্থনৈতিক খাতগুলোতে’ কঠোর আঘাত হানবে রাশিয়া।

 

চলতি গ্রীষ্মে রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে দেশটির তেল শোধনাগার এবং অনলাইন বিপণন কেন্দ্রগুলোর গুদামে ড্রোন হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। কিয়েভের দাবি, এসব অবকাঠামো রাশিয়ার সামরিক অর্থায়নের অন্যতম উৎস। এর জবাবে রাশিয়াও ইউক্রেনের কৃষি খাত এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির পথ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 

 

রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ‘কিয়েভ প্রশাসন আমাদের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পথ বেছে নিয়েছে। এতে তারা নিজেরাই প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিয়েছে। ফলে এখন তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল খাতগুলোতে পাল্টা আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।’

 

ইউক্রেনের কৃষি রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে খাদ্য সংকট তৈরি হবে—এমন আশঙ্কা নাকচ করে দেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘কিয়েভের শস্য রপ্তানি কমে গেলেও রাশিয়া বিশ্ববাজারের সেই ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম হবে।’

 

 

তিনি জানান, পণ্য সরবরাহে রাশিয়া কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও তা দ্রুত সমাধান করা হবে এবং বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের কোনো সংকট তৈরি হবে না।

 

এর আগে তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির জন্য একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি কার্যকর থাকলেও ২০২৩ সালে তা থেকে সরে আসে রাশিয়া।

সাক্ষাৎকারে শান্তি আলোচনার বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। তিনি বলেন, বর্তমান ‘মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে’ মেনে নিয়েই কেবল শান্তি আলোচনা হতে পারে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আসা প্রস্তাবগুলোকে ‘অবাস্তব বা অদ্ভুত’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খিলগাঁওয়ে হাসপাতালে আগুন

রাশিয়ার অর্থনীতিতে হামলা, ইউক্রেনের ‘সংবেদনশীল খাতে’ পাল্টা আঘাতের হুঁশিয়ারি পুতিনের

আপডেট সময় ১১:৪২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

রাশিয়ার অর্থনৈতিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে কিয়েভের সাম্প্রতিক হামলাকে ‘প্যান্ডোরার বাক্স’ খোলার সাথে তুলনা করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, এর জবাবে ইউক্রেনের সবচেয়ে ‘সংবেদনশীল অর্থনৈতিক খাতগুলোতে’ কঠোর আঘাত হানবে রাশিয়া।

 

চলতি গ্রীষ্মে রাশিয়াকে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করতে দেশটির তেল শোধনাগার এবং অনলাইন বিপণন কেন্দ্রগুলোর গুদামে ড্রোন হামলা জোরদার করেছে ইউক্রেন। কিয়েভের দাবি, এসব অবকাঠামো রাশিয়ার সামরিক অর্থায়নের অন্যতম উৎস। এর জবাবে রাশিয়াও ইউক্রেনের কৃষি খাত এবং কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির পথ লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে।

 

 

রুশ রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিককে দেয়া সাক্ষাৎকারে পুতিন বলেন, ‘কিয়েভ প্রশাসন আমাদের অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করার পথ বেছে নিয়েছে। এতে তারা নিজেরাই প্যান্ডোরার বাক্স খুলে দিয়েছে। ফলে এখন তাদের সবচেয়ে সংবেদনশীল খাতগুলোতে পাল্টা আঘাতের জন্য প্রস্তুত থাকা উচিত।’

 

ইউক্রেনের কৃষি রপ্তানি ব্যাহত হওয়ায় বিশ্ববাজারে খাদ্য সংকট তৈরি হবে—এমন আশঙ্কা নাকচ করে দেন পুতিন। তিনি বলেন, ‘কিয়েভের শস্য রপ্তানি কমে গেলেও রাশিয়া বিশ্ববাজারের সেই ঘাটতি পূরণ করতে সক্ষম হবে।’

 

 

তিনি জানান, পণ্য সরবরাহে রাশিয়া কিছু চ্যালেঞ্জের মুখে পড়লেও তা দ্রুত সমাধান করা হবে এবং বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের কোনো সংকট তৈরি হবে না।

 

এর আগে তুরস্কের মধ্যস্থতায় কৃষ্ণসাগর দিয়ে শস্য রপ্তানির জন্য একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি কার্যকর থাকলেও ২০২৩ সালে তা থেকে সরে আসে রাশিয়া।

সাক্ষাৎকারে শান্তি আলোচনার বিষয়ে রাশিয়ার অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন পুতিন। তিনি বলেন, বর্তমান ‘মাঠপর্যায়ের বাস্তবতাকে’ মেনে নিয়েই কেবল শান্তি আলোচনা হতে পারে। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ইউক্রেনের পক্ষ থেকে আসা প্রস্তাবগুলোকে ‘অবাস্তব বা অদ্ভুত’ বলে উল্লেখ করেন তিনি।