ঢাকা , বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
পদত্যাগ করলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ ২০৩৪ সালের মধ্যে দেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত করা লক্ষ্য: সংসদে প্রধানমন্ত্রী সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে গলা টিপে ধরছে কি না, সংসদে প্রশ্ন হান্নান মাসউদের যুবলীগ নেতাকে বাঁচাতে বিএনপি সভাপতির হুমকি বিগত ১৮ বছরে লোভ–লালসায় পা দিইনি: তথ্যমন্ত্রী পার্থ স্বৈরাচারের সময়ে বাপেক্সকে পঙ্গু করে রাখা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী নিজের বি’রুদ্ধে অভি/যোগের প্রমাণ উন্মুক্ত করতে বললেন আসিফ মাহমুদ পে-স্কেল: ৫৩ বছরে ১৩০ থেকে পৌঁছেছে ১ লাখ ৫৬ হাজার বাংলাদেশ থেকে ২ লাখ কর্মী নেওয়ার দাবি নাকচ করল মালয়েশিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে ধ্বং’স করতে ইরানকে গোপনে ‘ক্ষেপ/ণা/স্ত্র’ সহায়তা করছে রাশিয়া

শাজাহান খানের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দেন যুবদল নেতা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৬ বার পড়া হয়েছে

এবার মাদারীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শাজাহান খানের বাড়ি এবং তার ভাইদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পাহারায় কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন যুবদল নেতা ফারুক হোসেন ব্যাপারী। তিনি জেলা যুবদলের আহ্বায়ক। রোববার রা‌তে যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার সই করা নোটিশে তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার মাদারীপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাজাহান খানের ভাইদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বর্তমানে শাজাহান খান ও তার ছেলে আসিবুর রহমান খান কারাগারে রয়েছেন। তার ভাইয়েরা পলাতক থাকলেও মাদারীপুরে পরিবহন, আবাসিক হোটেল ও পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সচল রয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার সকালে যুবদল নেতা ফারুক হোসেন ব্যাপারীর নেতৃত্বে অন্তত ৪০–৫০ জন কর্মী শাজাহান খানের ভাই হাফিজুর রহমান জাচ্চু খানের একটি পেট্রোল পাম্পে অবস্থান নেন। এ সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আমলে ফারুক ব্যাপারী শাজাহান খানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পাহারার দায়িত্ব নিয়েছেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য কে এম তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ফারুক ব্যাপারীর কর্মকাণ্ড দলীয় ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে। অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের একজন নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। কেন্দ্র থেকে তাকে শোকজ করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ফারুক হোসেন ব্যাপারী বলেন, নাশকতার আশঙ্কায় পুলিশ ও প্রশাসনের অনুরোধে আমরা মাঠে ছিলাম। কোথাও নির্দিষ্টভাবে কারও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দিইনি। তৃতীয় পক্ষ যেন সহিংসতা করতে না পারে, সেটাই উদ্দেশ্য ছিল। বিষয়টি নিয়ে ভুলভাবে কেন্দ্রে উপস্থাপন করা হয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পদত্যাগ করলেন জাতীয় ছাত্রশক্তির সভাপতি জাহিদ

শাজাহান খানের বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দেন যুবদল নেতা

আপডেট সময় ০১:৩০:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার মাদারীপুরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা শাজাহান খানের বাড়ি এবং তার ভাইদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পাহারায় কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেয়েছেন যুবদল নেতা ফারুক হোসেন ব্যাপারী। তিনি জেলা যুবদলের আহ্বায়ক। রোববার রা‌তে যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভূইয়ার সই করা নোটিশে তিন দিনের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদির ওপর হামলার প্রতিবাদে শনিবার মাদারীপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগের দিন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শাজাহান খানের ভাইদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সামনে কর্মসূচির ডাক দেওয়া হলে বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। বর্তমানে শাজাহান খান ও তার ছেলে আসিবুর রহমান খান কারাগারে রয়েছেন। তার ভাইয়েরা পলাতক থাকলেও মাদারীপুরে পরিবহন, আবাসিক হোটেল ও পেট্রোল পাম্পসহ বিভিন্ন ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সচল রয়েছে।

এমন প্রেক্ষাপটে শনিবার সকালে যুবদল নেতা ফারুক হোসেন ব্যাপারীর নেতৃত্বে অন্তত ৪০–৫০ জন কর্মী শাজাহান খানের ভাই হাফিজুর রহমান জাচ্চু খানের একটি পেট্রোল পাম্পে অবস্থান নেন। এ সংক্রান্ত ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির এক নেতা দাবি করেন, আওয়ামী লীগ আমলে ফারুক ব্যাপারী শাজাহান খানের পরিবারের ঘনিষ্ঠ ছিলেন এবং আর্থিক লেনদেনের মাধ্যমে তাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে পাহারার দায়িত্ব নিয়েছেন। জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির জ্যেষ্ঠ সদস্য কে এম তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ফারুক ব্যাপারীর কর্মকাণ্ড দলীয় ভাবমূর্তিকে ক্ষুণ্ন করেছে। অর্থের বিনিময়ে আওয়ামী লীগের একজন নেতার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দেওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। কেন্দ্র থেকে তাকে শোকজ করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রসঙ্গে ফারুক হোসেন ব্যাপারী বলেন, নাশকতার আশঙ্কায় পুলিশ ও প্রশাসনের অনুরোধে আমরা মাঠে ছিলাম। কোথাও নির্দিষ্টভাবে কারও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান পাহারা দিইনি। তৃতীয় পক্ষ যেন সহিংসতা করতে না পারে, সেটাই উদ্দেশ্য ছিল। বিষয়টি নিয়ে ভুলভাবে কেন্দ্রে উপস্থাপন করা হয়েছে।