ঢাকা , বৃহস্পতিবার, ০৭ মে ২০২৬, ২৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার ‘কামব্যাক কমরেড’, মির্জা আব্বাসের উদ্দেশে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী শুনেছি খালেদা জিয়ার দৃঢ়তার সঙ্গে আমার মিল আছে: মেঘনা আলম পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় চারজন নিহত যুবলীগের কর্মী অর্ঘ্য হচ্ছেন সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব সরকার এমন একটি প্রশাসন চায়, যেখানে মানুষ হয়রানি মুক্ত সেবা পাবে: প্রধানমন্ত্রী আমি পদত্যাগ করব না, রাষ্ট্রপতি শাসন হলে হোক: মমতা স্ত্রীকে নিয়ে গাড়ি চালিয়ে আগারগাঁও গেলেন প্রধানমন্ত্রী সীমান্তে সাপ-কুমির ছাড়ার খবর সঠিক নয়, দাবি বিক্রম মিশ্রির চাঁদা দাবির অভিযোগে যুবদল নেতাসহ গ্রেপ্তার ২

নির্বাচনি এলাকায় প্রশাসনকে ‘আন্ডারে আনার’ আহ্বান শাহজাহান চৌধুরীর

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫
  • ৩৯৪ বার পড়া হয়েছে

চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে জামায়াতের নির্বাচনি দায়িত্বশীলদের সমাবেশে কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সামনে যে সুযোগ এসেছে—এটি ভবিষ্যতে আর নাও আসতে পারে। তাই সংগঠন ও প্রার্থীদের নিজ নিজ এলাকায় প্রশাসনসহ সব স্তরের ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আয়োজিত ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শাহজাহান চৌধুরী অভিযোগ করেন, অতীতে দুর্নীতির অর্থ অপচয়ের কারণে রাজনৈতিক সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। তার দাবি, এখন দুর্নীতি পরিহার করতে পারলে ‘পার্শ্ববর্তী দেশ’ থেকে অর্থ ও অস্ত্র প্রবাহিত হতে পারে—এমন মন্তব্যও তিনি করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনি এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষকের কাছে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কথা পৌঁছাতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসন, বিশেষ করে পুলিশ, ওসি, টিএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যেন প্রার্থীর নির্দেশনায় কাজ করেন—এমন প্রত্যাশাও প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, নির্বাচনের আগে থেকেই স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে রাখতে হবে।

নিজের অতীত কর্মকাণ্ডের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, দক্ষিণ জেলায় দলীয়ভাবে বিভিন্ন প্রকল্পে সহযোগিতা করেছেন এবং উন্নয়ন খাতে শত শত কোটি টাকা বরাদ্দ আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন। জনগণের চাহিদা বোঝা ও তাদের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে শুধুমাত্র দলীয় সংগঠনের ওপর নির্ভর করলে নির্বাচনে জয় কঠিন।

বক্তৃতার শেষ ভাগে তিনি বলেন, বিগত ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ শুধু নিজেদের দলীয় লোক নিয়ে দেশ চালাতে গিয়ে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। আর সেই কারণেই জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের নেতাদের পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ওরা আমাকে বরখাস্ত করুক’, মমতার হুঙ্কার

নির্বাচনি এলাকায় প্রশাসনকে ‘আন্ডারে আনার’ আহ্বান শাহজাহান চৌধুরীর

আপডেট সময় ০৭:৩৪:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ নভেম্বর ২০২৫

চট্টগ্রাম নগরের জিইসি কনভেনশন সেন্টারে জামায়াতের নির্বাচনি দায়িত্বশীলদের সমাবেশে কেন্দ্রীয় কর্ম পরিষদের সদস্য ও সাবেক সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী বলেন, জামায়াতে ইসলামীর সামনে যে সুযোগ এসেছে—এটি ভবিষ্যতে আর নাও আসতে পারে। তাই সংগঠন ও প্রার্থীদের নিজ নিজ এলাকায় প্রশাসনসহ সব স্তরের ব্যক্তিদের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়োজনীয়তার কথা তিনি জোর দিয়ে উল্লেখ করেন।

শনিবার (২২ নভেম্বর) সন্ধ্যায় আয়োজিত ওই সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেখানে বক্তব্য দিতে গিয়ে শাহজাহান চৌধুরী অভিযোগ করেন, অতীতে দুর্নীতির অর্থ অপচয়ের কারণে রাজনৈতিক সুযোগ হাতছাড়া হয়েছে। তার দাবি, এখন দুর্নীতি পরিহার করতে পারলে ‘পার্শ্ববর্তী দেশ’ থেকে অর্থ ও অস্ত্র প্রবাহিত হতে পারে—এমন মন্তব্যও তিনি করেন।

তিনি বলেন, নির্বাচনি এলাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক থেকে শুরু করে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সব শিক্ষকের কাছে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের কথা পৌঁছাতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসন, বিশেষ করে পুলিশ, ওসি, টিএনওসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা যেন প্রার্থীর নির্দেশনায় কাজ করেন—এমন প্রত্যাশাও প্রকাশ করেন তিনি। তার ভাষ্য, নির্বাচনের আগে থেকেই স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে রাখতে হবে।

নিজের অতীত কর্মকাণ্ডের উদাহরণ তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, দক্ষিণ জেলায় দলীয়ভাবে বিভিন্ন প্রকল্পে সহযোগিতা করেছেন এবং উন্নয়ন খাতে শত শত কোটি টাকা বরাদ্দ আদায়ে ভূমিকা রেখেছেন। জনগণের চাহিদা বোঝা ও তাদের পাশে দাঁড়ানোর ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি সতর্ক করেন যে শুধুমাত্র দলীয় সংগঠনের ওপর নির্ভর করলে নির্বাচনে জয় কঠিন।

বক্তৃতার শেষ ভাগে তিনি বলেন, বিগত ‘ফ্যাসিস্ট সরকার’ শুধু নিজেদের দলীয় লোক নিয়ে দেশ চালাতে গিয়ে জনগণ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল। আর সেই কারণেই জনতার আন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগের নেতাদের পদত্যাগ করে দেশ ছাড়তে হয়েছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।