ঢাকা , সোমবার, ০৪ মে ২০২৬, ২০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

খেজুর গাছকে বিজয়ী করার মাধ্যমেই ধানের শীষের শ’ক্তি বৃদ্ধি পাবে’

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৬:৩২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ২২৭ বার পড়া হয়েছে

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এসব আসনে জমিয়তের প্রার্থীরা তাদের দলীয় প্রতীক ‘খেজুর গাছ’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং বিএনপি সেখানে কোনো প্রার্থী দেবে না। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই চার আসনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সমঝোতার কথা জানান।
সমঝোতার আওতায় থাকা আসনগুলো হলো—নীলফামারী-১, নারায়ণগঞ্জ-৪, সিলেট-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২। এসব আসনে যথাক্রমে জমিয়তের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মাওলানা মো. মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব।
মির্জা ফখরুল বলেন, সমঝোতা অনুযায়ী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম অন্য কোনো আসনে প্রার্থী দেবে না। বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খেজুর গাছ প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তার ভাষায়, “খেজুর গাছকে বিজয়ী করার মাধ্যমেই ধানের শীষের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে।”
নির্বাচনি শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয় প্রার্থী বদলের আর কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ ট্রানজিশন পিরিয়ড’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন যে, এই সময়কে ঘিরে কিছু মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদসহ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের আমীর ও মহাসচিব এবং উভয় দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেজুর গাছকে বিজয়ী করার মাধ্যমেই ধানের শীষের শ’ক্তি বৃদ্ধি পাবে’

আপডেট সময় ০৬:৩২:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের সঙ্গে চারটি সংসদীয় আসনে নির্বাচনি সমঝোতার ঘোষণা দিয়েছে বিএনপি। এসব আসনে জমিয়তের প্রার্থীরা তাদের দলীয় প্রতীক ‘খেজুর গাছ’ নিয়ে নির্বাচনে অংশ নেবেন এবং বিএনপি সেখানে কোনো প্রার্থী দেবে না। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ওই চার আসনে বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকদের খেজুর গাছ প্রতীকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) দুপুরে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই সমঝোতার কথা জানান।
সমঝোতার আওতায় থাকা আসনগুলো হলো—নীলফামারী-১, নারায়ণগঞ্জ-৪, সিলেট-৫ ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২। এসব আসনে যথাক্রমে জমিয়তের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন মাওলানা মো. মনজুরুল ইসলাম আফেন্দী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মাওলানা মো. উবায়দুল্লাহ ফারুক এবং মাওলানা জুনায়েদ আল হাবীব।
মির্জা ফখরুল বলেন, সমঝোতা অনুযায়ী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম অন্য কোনো আসনে প্রার্থী দেবে না। বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, খেজুর গাছ প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। তার ভাষায়, “খেজুর গাছকে বিজয়ী করার মাধ্যমেই ধানের শীষের শক্তি আরও বৃদ্ধি পাবে।”
নির্বাচনি শৃঙ্খলা রক্ষার বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে দাঁড়ালে তার বিরুদ্ধে কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দলীয় প্রার্থী বদলের আর কোনো সুযোগ নেই বলেও তিনি স্পষ্ট করেন।
সংবাদ সম্মেলনে মির্জা ফখরুল বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের ব্যর্থতার কারণে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশন ও সরকারের প্রতি আরও কার্যকর ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান। একই সঙ্গে দেশের বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘ভয়াবহ ট্রানজিশন পিরিয়ড’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি সতর্ক করেন যে, এই সময়কে ঘিরে কিছু মহল গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন আহমদসহ জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের আমীর ও মহাসচিব এবং উভয় দলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।