ঢাকা , মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
প্যাডেল রিকশা বন্ধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালু করতে আইনি নোটিশ ‘ভারতের কোনো সন্ত্রাসীকে ঢাকায় আশ্রয় দেওয়া হবে না’ লোডশেডিং খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে বেশ খানিকটা কমবে: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ‘কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস’ ট্রেনে যাত্রীকে ধর্ষণ, ক্যানটিন বয় গ্রেপ্তার দস্যু বাহিনীকে চাঁদা দিয়েই বনে যাচ্ছেন জেলেরা, জিম্মি সুন্দরবন ২০০টিরও বেশি বিমান ভূপা’তিত করেছে ইরান: প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান কমান্ডার দেশের ইন্টারনেট নিয়ে বড় বিপদের শ’ঙ্কা ‘পানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না’ বাসের ধাক্কায় ক্ষতিগ্রস্ত পদ্মা সেতুর রেলিং মেরামতে খরচ হবে ২ লাখ টাকা সীমান্ত নিরাপত্তা বাড়াতে সিলেটে উদ্বোধন হলো ‘ড্রোন ওয়ারফেয়ার’ স্কুল

মাত্র ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকা সংগ্রহ, লক্ষ্য ৪৬.৯৩ লাখ: স্বচ্ছ ব্যয়ে নির্বাচনের ঘোষণা তাসনিম জারার

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৪০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৩৬৪ বার পড়া হয়েছে

এবার নির্বাচনী ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও আইন মেনে রাজনীতি করার অঙ্গীকার করে মাত্র ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকার বেশি অনুদান সংগ্রহ করেছেন নির্বাচনী প্রার্থী তাসনিম জারা। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

এর আগে একই দিনে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা বা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয় করতে পারেন। তবে বাস্তবে নির্বাচনী ব্যয় ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার মতে, অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণেই নির্বাচনের পর চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি “বাধ্যতামূলক” হয়ে ওঠে এবং রাজনীতি সাধারণ মানুষের হাতছাড়া হয়ে যায়।

তাসনিম জারা বলেন, তিনি এই “অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি” করবেন না এবং আইনে অনুমোদিত সীমার বাইরে এক টাকাও খরচ করবেন না। তিনি জানান, তার নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নিয়মে তিনি সর্বোচ্চ ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। এই পুরো অর্থ জনগণের কাছ থেকেই সংগ্রহ করার আহ্বান জানান তিনি।

ফান্ড সংগ্রহের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যেই ১২ লাখ টাকার বেশি অনুদান আসায় তিনি একে “অভূতপূর্ব” বলে উল্লেখ করেন এবং দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরও জানান, মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলে ফান্ডরেইজিং বন্ধ করা হবে। তাসনিম জারা বলেন, রাত ২টার পর বিকাশের নির্ধারিত লিমিট অতিক্রম করায় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে আপাতত টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনুদান গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, সংগৃহীত অর্থ কোথা থেকে আসছে এবং কীভাবে খরচ হচ্ছে—প্রতিটি টাকার হিসাব প্রমাণসহ প্রকাশ করা হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়াটি জনসম্মুখে স্বচ্ছ থাকে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

প্যাডেল রিকশা বন্ধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশা চালু করতে আইনি নোটিশ

মাত্র ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকা সংগ্রহ, লক্ষ্য ৪৬.৯৩ লাখ: স্বচ্ছ ব্যয়ে নির্বাচনের ঘোষণা তাসনিম জারার

আপডেট সময় ০৯:৪০:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৫

এবার নির্বাচনী ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও আইন মেনে রাজনীতি করার অঙ্গীকার করে মাত্র ৭ ঘণ্টায় ১২ লাখ টাকার বেশি অনুদান সংগ্রহ করেছেন নির্বাচনী প্রার্থী তাসনিম জারা। বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ তথ্য জানান।

এর আগে একই দিনে তিনি জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধি অনুযায়ী একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা বা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা ব্যয় করতে পারেন। তবে বাস্তবে নির্বাচনী ব্যয় ২০ থেকে ৫০ কোটি টাকা পর্যন্ত পৌঁছায় বলে অভিযোগ করেন তিনি। তার মতে, অতিরিক্ত ব্যয়ের কারণেই নির্বাচনের পর চাঁদাবাজি ও টেন্ডারবাজি “বাধ্যতামূলক” হয়ে ওঠে এবং রাজনীতি সাধারণ মানুষের হাতছাড়া হয়ে যায়।

তাসনিম জারা বলেন, তিনি এই “অসততা ও মিথ্যার রাজনীতি” করবেন না এবং আইনে অনুমোদিত সীমার বাইরে এক টাকাও খরচ করবেন না। তিনি জানান, তার নির্বাচনী আসনে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ৪ লাখ ৭০ হাজার। সে অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নিয়মে তিনি সর্বোচ্চ ৪৬ লাখ ৯৩ হাজার ৫৮০ টাকা ব্যয় করতে পারবেন। এই পুরো অর্থ জনগণের কাছ থেকেই সংগ্রহ করার আহ্বান জানান তিনি।

ফান্ড সংগ্রহের মাত্র ৭ ঘণ্টার মধ্যেই ১২ লাখ টাকার বেশি অনুদান আসায় তিনি একে “অভূতপূর্ব” বলে উল্লেখ করেন এবং দাতাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি আরও জানান, মোট লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে ৩৪ লাখ টাকা সংগ্রহ সম্পন্ন হলে ফান্ডরেইজিং বন্ধ করা হবে। তাসনিম জারা বলেন, রাত ২টার পর বিকাশের নির্ধারিত লিমিট অতিক্রম করায় মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসে আপাতত টাকা পাঠানো যাচ্ছে না। তবে ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে অনুদান গ্রহণ অব্যাহত রয়েছে।

তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, সংগৃহীত অর্থ কোথা থেকে আসছে এবং কীভাবে খরচ হচ্ছে—প্রতিটি টাকার হিসাব প্রমাণসহ প্রকাশ করা হবে, যাতে পুরো প্রক্রিয়াটি জনসম্মুখে স্বচ্ছ থাকে।