ঢাকা , শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম ::
ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পর্শকাতর তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাস চুয়াডাঙ্গায় বাল্যবিয়ের আয়োজনে প্রশাসনের হানা, কনের মাকে জরিমানা লেবার পার্টির নেতা নির্বাচিত হলেন যুক্তরাজ্যের হবু প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যাম সাবেক সেনা কর্মকর্তা মোজাফফরের বিচার অন্য আসামিদের মতোই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেক্সিকোতে ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্প, সুনামি সতর্কতা শিক্ষা সফর শেষে ফেরার পথে বাস খাদে, শিক্ষার্থীসহ নিহত ২১ শেখ হাসিনাকে প্রত্যর্পণের অনুরোধ খতিয়ে দেখা হচ্ছে: নয়াদিল্লি ইরানি হামলায় কুয়েত সেনাবাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্য আহত র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ দল কখনও বিশ্বকাপ ট্রফি জেতেনি, এবার পারবে আর্জেন্টিনা? ফকল্যান্ড নিয়ে ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনায় আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু ফিফার

বিয়েতে রাজি না কিশোরী, হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৯:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ১০৮ বার পড়া হয়েছে

এবার ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার ঐতিহাসিক লোহাগাড দুর্গে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগ এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই কুশোরী ও তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তরুণী বিয়েতে রাজি না থাকলেও পরিবারের কাছে তা প্রকাশ না করে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগারওয়াল ও সিয়া গোস্বালের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের জন্য রাজস্থানের জয়পুরে একটি বিলাসবহুল ভেন্যু বুকিংসহ ব্যাপক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। তবে সিয়া এই বিয়েতে সম্মত ছিলেন না বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৮ জুন নিজের জন্মদিনে কেতনকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে লোহাগাড দুর্গে নিয়ে যান সিয়া। সেখানে তার প্রেমিকের সহযোগিতায় কেতনকে খাদে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল কয়েক ঘণ্টার অভিযানে খাদ থেকে কেতনের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর সিয়া দাবি করেছিলেন, ছবি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত খাদে পড়ে গেছেন কেতন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করে একাধিক আবেগঘন পোস্ট দেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়লে পুলিশের সন্দেহ আরও গভীর হয়।

তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ। পরে সিয়া ও তার প্রেমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত কেতন আগারওয়ালের পরিবার রাজস্থানের সুপরিচিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত। তার বাবা আবাসন খাতের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আয়োজনেও বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের বৃহত্তম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের স্পর্শকাতর তথ্য ডার্ক ওয়েবে ফাস

বিয়েতে রাজি না কিশোরী, হবু স্বামীকে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হত্যা

আপডেট সময় ০৯:৫৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

এবার ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে জেলার ঐতিহাসিক লোহাগাড দুর্গে ৪০০ ফুট গভীর খাদে ফেলে হবু স্বামীকে হত্যার অভিযোগ এক তরুণীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই কুশোরী ও তার প্রেমিককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, তরুণী বিয়েতে রাজি না থাকলেও পরিবারের কাছে তা প্রকাশ না করে হত্যার পরিকল্পনা করেন। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, আগামী নভেম্বরে কেতন আগারওয়াল ও সিয়া গোস্বালের বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। বিয়ের জন্য রাজস্থানের জয়পুরে একটি বিলাসবহুল ভেন্যু বুকিংসহ ব্যাপক প্রস্তুতিও নেওয়া হয়েছিল। তবে সিয়া এই বিয়েতে সম্মত ছিলেন না বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

পুলিশের তথ্যমতে, গত ১৮ জুন নিজের জন্মদিনে কেতনকে ঘুরতে যাওয়ার কথা বলে লোহাগাড দুর্গে নিয়ে যান সিয়া। সেখানে তার প্রেমিকের সহযোগিতায় কেতনকে খাদে ফেলে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দল কয়েক ঘণ্টার অভিযানে খাদ থেকে কেতনের মরদেহ উদ্ধার করে। ঘটনার পর সিয়া দাবি করেছিলেন, ছবি তুলতে গিয়ে দুর্ঘটনাবশত খাদে পড়ে গেছেন কেতন। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও শোক প্রকাশ করে একাধিক আবেগঘন পোস্ট দেন। তবে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার বক্তব্যে অসংগতি ধরা পড়লে পুলিশের সন্দেহ আরও গভীর হয়।

তদন্তের একপর্যায়ে ঘটনাটিকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড হিসেবে চিহ্নিত করে পুলিশ। পরে সিয়া ও তার প্রেমিককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়। এরপর তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার করা হয়।

নিহত কেতন আগারওয়ালের পরিবার রাজস্থানের সুপরিচিত ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে পরিচিত। তার বাবা আবাসন খাতের একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ছিলেন। পরিবারের পক্ষ থেকে বিয়ের আয়োজনেও বিপুল অর্থ ব্যয়ের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল বলে জানা গেছে। পুলিশ ঘটনার বিস্তারিত কারণ ও পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।