ঢাকা , রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিএনপি নেতাদের ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিতে দলীয় অঙ্গনে বিতর্ক

  • ডেস্ক রিপোর্ট
  • আপডেট সময় ০৮:১৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫
  • ৪৬০০ বার পড়া হয়েছে

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খোকা দলের শীর্ষ নেতাদের ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। বুধবার (২৩ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সোনালি সংসদ মাঠে বিএনপির সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “প্রয়োজনে তারেক রহমান, খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘেরাও করব।”

নিজ পছন্দের প্রার্থী শাহ আলমকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে তিনি বলেন, “এখানে কোনো জোট চলবে না। ফতুল্লার জনগণের আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।”

ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দলের ভেতর ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে বলছেন, এতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ বলেন, “এটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। একে ‘পাগলের প্রলাপ’ বলা যায়। দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত।”

পরে নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে লুৎফর রহমান বলেন, “স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমি আনুগত্য প্রকাশ করছি এবং ভুল স্বীকার করছি।”

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী শাহ আলম আওয়ামী লীগের সারাহ বেগম কবরীর কাছে পরাজিত হন। ২০১৮ সালে এই আসন জোটের শরিক জমিয়তকে ছাড় দেওয়া হলে তাদের প্রার্থীও জয় পাননি।

ট্যাগস

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বিএনপি নেতাদের ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারিতে দলীয় অঙ্গনে বিতর্ক

আপডেট সময় ০৮:১৪:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ জুলাই ২০২৫

নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক লুৎফর রহমান খোকা দলের শীর্ষ নেতাদের ঘেরাওয়ের হুঁশিয়ারি দিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তুমুল আলোচনার জন্ম দিয়েছেন। বুধবার (২৩ জুলাই) বিকেলে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার সোনালি সংসদ মাঠে বিএনপির সদস্য নবায়ন ও নতুন সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশ নিয়ে তিনি বলেন, “প্রয়োজনে তারেক রহমান, খালেদা জিয়া ও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে ঘেরাও করব।”

নিজ পছন্দের প্রার্থী শাহ আলমকে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার দাবিতে তিনি বলেন, “এখানে কোনো জোট চলবে না। ফতুল্লার জনগণের আবেগ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা চলবে না।”

ঘটনার ভিডিও ইতোমধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে দলের ভেতর ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকে বলছেন, এতে স্থানীয় নেতাকর্মীদের বিদ্রোহী মনোভাব স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।

জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ বলেন, “এটি রাজনৈতিক বক্তব্য নয়। একে ‘পাগলের প্রলাপ’ বলা যায়। দলের শীর্ষ নেতাদের নিয়ে এমন মন্তব্য অনভিপ্রেত।”

পরে নিজের বক্তব্যের জন্য দুঃখ প্রকাশ করে লুৎফর রহমান বলেন, “স্লিপ অব টাং হয়ে গেছে। দলের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। আমি আনুগত্য প্রকাশ করছি এবং ভুল স্বীকার করছি।”

২০০৮ সালের নির্বাচনে বিএনপির প্রার্থী শাহ আলম আওয়ামী লীগের সারাহ বেগম কবরীর কাছে পরাজিত হন। ২০১৮ সালে এই আসন জোটের শরিক জমিয়তকে ছাড় দেওয়া হলে তাদের প্রার্থীও জয় পাননি।